ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি নিউ স্টার ফুটবল ক্লাব রতনপুরের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম সংবর্ধিত বালাগঞ্জে শান্তিপুর্ণভাবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন : চমক দেখিয়ে আনহার মিয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে ফরাসি জাতীয়তা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত প্যারিসে Point d’Aide – এইড পয়েন্ট এর নতুন অফিসের উদ্বোধন তরুণ সাহিত্যিক সাদাত হোসাইনকে প্যারিসে সংবর্ধনা দিলো ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশীরা গাজীপুর জেলা সমিতি,ফ্রান্স’র দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত : ফারুক খান সভাপতি, জুয়েল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত কেবল উপবাসের নামই সিয়াম নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষাই সিয়াম ফ্রান্সে একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য ‘বাংলাদেশ সমিতি’র তাগিদ, একটি প্রস্তাবনা শিশু কিশোরদের নানা ইভেন্ট নিয়ে ইপিএস কমিউনিটি ফ্রান্সের স্বাধীনতা দিবস পালন

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম মুসলিম নারী সিনেটর মেহরিন

  • আপডেট সময় ০৭:০২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৮
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো মুসলিম নারী সিনেটর হলেন মেহরিন ফারুকি। আজ বুধবার তাঁকে সিনেটের একটি শূন্য পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়। সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি নিউ সাউথ ওয়েলস থেকে গ্রিন পার্টির সাংসদ ছিলেন। ২০১৩ সালে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হন।

মেহরুন ফারুকি এমন এক সময় অস্ট্রেলিয়ার সিনেটর হলেন, যখন দেশটিতে অভিবাসী মুসলিমদের নিয়ে চরম বিতর্ক চলছে। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই মুসলিম নারী পেশায় পরিবেশ প্রকৌশলী। তিনি নারীবাদী হিসেবেও বেশ পরিচিত।

মেহরুনকে সিনেটের শূন্য আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ওই আসনের সিনেটর ছিলেন গ্রিন পার্টির নেতা লি রিয়ানন। আগামী সপ্তাহে মেহরিন সিনেটর হিসেবে শপথ নেবেন।

অভিবাসী নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করা সিনেটর ফ্রেসার অ্যানিংয়ের কঠোর সমালোচনা করে আসছিলেন মেহরিন। সিনেটর হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পর পার্লামেন্টে প্রথম তিনি বলেন, অ্যানিং লাখ লাখ অস্ট্রেলিয়ানের মুখে থুতু দিয়েছেন। ঘৃণা ও বর্ণবাদের বিষবাষ্প ছড়িয়েছেন।

মেহরিন বিবিসিকে বলেন, তাঁর কাজ হবে একটি ইতিবাচক অস্ট্রেলিয়া গড়ার পক্ষে, যেখানে ধর্ম-বর্ণের বিচিত্রতা থাকবে। তাঁর মতে, এই বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়ে (তাঁর সিনেটর হওয়া) অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ আরও শক্তিশালী হতে যাচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার অভিবাসন নীতি নিয়ে কথা বলেন দেশটির রক্ষণশীল দল ক্যাটার্স অস্ট্রেলিয়ান পার্টির (কেএপি) সিনেটর ফ্রেসার অ্যানিং। তিনি অভিবাসন বন্ধ করার জন্য ‘ফাইনাল সলুশন’ নীতির কথা বলেন। অ্যানিংয়ের মতে, মুসলিমদের অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হবে। এরপর থেকে তাঁর বক্তব্যের সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে গোটা অস্ট্রেলিয়ায়। এমনকি দেশটির প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলও ওই সিনেটরের প্রকাশ্যে সমালোচনা করেন। নবনির্বাচিত মুসলিম এই সিনেটরও প্রথম থেকেই অ্যানিংয়ের অভিবাসন সম্পর্কিত বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে আসছেন। প্রতিবাদস্বরূপ তিনি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে নিজের পরিচয়ের পাশে ‘আমি একজন অভিবাসী’ বলে উল্লেখ করেন। ‘ফাইনাল সলুশন’ বা চূড়ান্ত সমাধান হলো হিটলারের নাৎসি বাহিনীর একটি তত্ত্ব। এই তত্ত্ব ব্যবহার করে তারা ইহুদিদের ওপর ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত গণহত্যা (হলোকস্ট) চালিয়েছিল। যদিও কেএপি পার্টির প্রধান বব ক্যাটারের দাবি, তাঁর ওই সিনেটর ‘ফাইনাল সলুশন’ তত্ত্বের কথা জানেন না। ইতিহাস নিয়ে তাঁর পড়াশোনা কম। তিনি অ্যানিংকে বেশি বেশি ইতিহাসের বই পড়ারও পরামর্শ দেন।

তবে এত সমালোচনার পরও অ্যানিং তাঁর মন্তব্যে অনড়। তিনি এ বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইবেন না বলেও বুধবার এক মন্তব্যে জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম মুসলিম নারী সিনেটর মেহরিন

আপডেট সময় ০৭:০২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৮

অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো মুসলিম নারী সিনেটর হলেন মেহরিন ফারুকি। আজ বুধবার তাঁকে সিনেটের একটি শূন্য পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়। সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি নিউ সাউথ ওয়েলস থেকে গ্রিন পার্টির সাংসদ ছিলেন। ২০১৩ সালে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হন।

মেহরুন ফারুকি এমন এক সময় অস্ট্রেলিয়ার সিনেটর হলেন, যখন দেশটিতে অভিবাসী মুসলিমদের নিয়ে চরম বিতর্ক চলছে। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই মুসলিম নারী পেশায় পরিবেশ প্রকৌশলী। তিনি নারীবাদী হিসেবেও বেশ পরিচিত।

মেহরুনকে সিনেটের শূন্য আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ওই আসনের সিনেটর ছিলেন গ্রিন পার্টির নেতা লি রিয়ানন। আগামী সপ্তাহে মেহরিন সিনেটর হিসেবে শপথ নেবেন।

অভিবাসী নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করা সিনেটর ফ্রেসার অ্যানিংয়ের কঠোর সমালোচনা করে আসছিলেন মেহরিন। সিনেটর হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পর পার্লামেন্টে প্রথম তিনি বলেন, অ্যানিং লাখ লাখ অস্ট্রেলিয়ানের মুখে থুতু দিয়েছেন। ঘৃণা ও বর্ণবাদের বিষবাষ্প ছড়িয়েছেন।

মেহরিন বিবিসিকে বলেন, তাঁর কাজ হবে একটি ইতিবাচক অস্ট্রেলিয়া গড়ার পক্ষে, যেখানে ধর্ম-বর্ণের বিচিত্রতা থাকবে। তাঁর মতে, এই বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়ে (তাঁর সিনেটর হওয়া) অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ আরও শক্তিশালী হতে যাচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার অভিবাসন নীতি নিয়ে কথা বলেন দেশটির রক্ষণশীল দল ক্যাটার্স অস্ট্রেলিয়ান পার্টির (কেএপি) সিনেটর ফ্রেসার অ্যানিং। তিনি অভিবাসন বন্ধ করার জন্য ‘ফাইনাল সলুশন’ নীতির কথা বলেন। অ্যানিংয়ের মতে, মুসলিমদের অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হবে। এরপর থেকে তাঁর বক্তব্যের সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে গোটা অস্ট্রেলিয়ায়। এমনকি দেশটির প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলও ওই সিনেটরের প্রকাশ্যে সমালোচনা করেন। নবনির্বাচিত মুসলিম এই সিনেটরও প্রথম থেকেই অ্যানিংয়ের অভিবাসন সম্পর্কিত বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে আসছেন। প্রতিবাদস্বরূপ তিনি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে নিজের পরিচয়ের পাশে ‘আমি একজন অভিবাসী’ বলে উল্লেখ করেন। ‘ফাইনাল সলুশন’ বা চূড়ান্ত সমাধান হলো হিটলারের নাৎসি বাহিনীর একটি তত্ত্ব। এই তত্ত্ব ব্যবহার করে তারা ইহুদিদের ওপর ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত গণহত্যা (হলোকস্ট) চালিয়েছিল। যদিও কেএপি পার্টির প্রধান বব ক্যাটারের দাবি, তাঁর ওই সিনেটর ‘ফাইনাল সলুশন’ তত্ত্বের কথা জানেন না। ইতিহাস নিয়ে তাঁর পড়াশোনা কম। তিনি অ্যানিংকে বেশি বেশি ইতিহাসের বই পড়ারও পরামর্শ দেন।

তবে এত সমালোচনার পরও অ্যানিং তাঁর মন্তব্যে অনড়। তিনি এ বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইবেন না বলেও বুধবার এক মন্তব্যে জানান।