ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিল্প সাহিত্য

আসনের আলো ছায়া -মেশকাতুন নাহার

চেয়ার পেলাম অনেক সাধের— মনে এখন জোয়ার, গতকালও ছিলাম তুচ্ছ আজকে আমি স্যার, চেয়ারের ওই চারটি পায়ে দাপট চারিধারে, বসে

ঝিনাই নদীর পাড়ে -মমতাজ তপন

  ঝিনাই নদীর বুকের মাঝে বসলো বোশেখ মেলা হরেকরকম পুতুল আছে কাটবে সাঁঝের বেলা। কাঁচের চুড়ির রিনিঝিনি পরবে খুকী সোনা,

ধাতব দ্বৈততার মূল্য-ভ্রান্তি মেশকাতুন নাহার

স্বর্ণমুদ্রা ঝলসে ওঠে রাজপথের শীর্ষ আলোয়, তাম্রমুদ্রা পড়ে থাকে ধুলো জমা পথের ঢালোয়। দু’টিই গড়া আগুনে, একই দহন, একই ঢালাই,

অহংকারের অদৃশ্য ভুঁড়ি ও নিঃসঙ্গতার নীরব জ্যামিতি

মেশকাতুন নাহার : অহংকার এক অন্তর্লীন বিস্তার—তার কোনো দৃশ্যমান অবয়ব নেই, তবুও সে মানুষের চেতনার ভেতরে এমনভাবে বৃদ্ধি পায়, যেন

নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার: এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না

ড. মাহরুফ চৌধুরী : দেশে প্রতিনিয়ত ঘটে চলা অপমৃত্যু, তথা খুনের প্রেক্ষিতেই এই লেখাটির শিরোনাম নেওয়া হয়েছে দুটি কালজয়ী গান

মুক্তির বৃষ্টি – মেশকাতুন নাহার

বন্দিদশার ক্ষতচিহ্ন এখনও বুকে জাগে নিঃশব্দ ব্যথা, তবু মুক্তির বাতাসে জেগে ওঠে জীবনের গোপন ব্যাকুলতা। দীর্ঘদিনের অবদমিত শ্বাস আজ ছন্দ

ঈদের হাসি-মোঃ রজব আলী

রোজার পরে মুসলিম ঘরে আবার ঈদের হাসি, সবার মনে ঈদের ক্ষণে সুখ যে রাশি রাশি। ঈদের দিনে খুশি বিনে চিন্তা

“স্বাধীনতার নীরব প্রস্থান”- মেশকাতুন নাহার

এক প্রেমরাষ্ট্র গড়ে ওঠে অনুভূতির নামে, সেখানে ক্ষমতা বসে থাকে ভালোবাসার ফ্রেমে। শাসন চলে হাসিমুখে, আদেশ আসে নরমে, নরম শব্দের

নোনা জল- রকিবুল ইসলাম

গভীর রজনী! যবনিকাপাত ঘটেছে প্রখর আলোকজ্জ্বল ঝলমলে দিবাভাগের। আঁধারে ঢেকেছে রাঙা রবির দীপ্তিময় আভার। আহারের সন্ধানে উড়ে চলা পাখিরা ক্লান্ত,

আলোয় ভরা ঈদপ্রভাত -মেশকাতুন নাহার

ঈদ এসেছে, ঈদ এসেছে—আজকে খুশির দিন, হৃদয় ভরা ভালোবাসায় হয়েছে আজ রঙিন। তিরিশ দিনের সিয়াম শেষে উঠল রূপালি চাঁদ, খুশির