ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশের স্বাদ, প্রবাসের আভিজাত্য—রোমে বর্ণিল আলোকসজ্জা, নান্দনিক ডেকোরেশন শখের হাঁড়ি’ রেস্টুরেন্টের যাত্রা প্যারিসের ১৮তম অ্যারোন্দিসমঁতে বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবসে ৩৫০ স্বেচ্ছাসেবীর পরিচ্ছন্নতা অভিযান টানা তৃতীয়বার Emirates Italy Awards-এর স্বীকৃতি পেল ইতালির বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান Popular Travels & Tours আজির উদ্দিনের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে জালালাবাদ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের সংবর্ধনা ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্যারিসের লাখুর্নভে বিস্ফোরণে নিহত নাহিল এর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন পর্তুগালে বদলে গেল রেসিডেন্সের নিয়ম ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা ব্যালন ডি’অর নিয়ে এমবাপ্পের বিতর্কিত মন্তব্য

ইতালিতে লক ডাউন শিথিলের মধ্যে খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

  • আপডেট সময় ১২:৪০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২০
  • ২১৬ বার পড়া হয়েছে

মিনহাজ হোসেন ইতালি থেকেঃ লক ডাউনের মধ্যেই ইতালিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে রাজধানী রোমের পিয়াচ্ছা ভিত্তোরিওতে “জাতীয় ঈদগাহ ময়দান”খ্যাত মাঠে সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদারসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে চাই একদিন এ পৃথিবী হবে করোনা মুক্ত এখানে জাতীয় ঈদ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক যে আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব আব্দুর রব ফকির, ইতালী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব হোসেন, কে এম লোকমান হোসেন, বাংলাদেশ সমিতি ইতালির সভাপতি আফতাব ব্যাপারে, ঢালী নাসির উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন রনিসহ সমাজের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন ‌।

প্রতিবছর ইতালির বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ৫০ টি খোলা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়। করোনা ভাইরাসের কারণে এবার রাজধানী রোমে ৭টিসহ খুব কম সংখ্যক স্থানে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের অনুমোদন পাওয়া গেছে। রাজধানী রোমের জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ৮টা জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ এখানে ইমামতি করেন।
করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিলানোতে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের সুযোগ দেয়া হয়নি প্রশাসন। তবে মসজিদগুলোতে সাতটি করে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার চেষ্টা করলেও করোনা ভাইরাসের কারণে ছিলেন হতাশ এবং কিছুটা আতঙ্কিত। প্রতিটি ঈদের নামাজে সাদা পোশাকের পুলিশ উপস্থিত থাকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশিরা জড়ো হলেই তাদেরকে আলাদা করতে দেখা যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও অন্যান্য দেশের মুসল্লিরাও অংশগ্রহণ করেন এই ঈদগুলোতে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

দেশের স্বাদ, প্রবাসের আভিজাত্য—রোমে বর্ণিল আলোকসজ্জা, নান্দনিক ডেকোরেশন শখের হাঁড়ি’ রেস্টুরেন্টের যাত্রা

ইতালিতে লক ডাউন শিথিলের মধ্যে খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১২:৪০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২০

মিনহাজ হোসেন ইতালি থেকেঃ লক ডাউনের মধ্যেই ইতালিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে রাজধানী রোমের পিয়াচ্ছা ভিত্তোরিওতে “জাতীয় ঈদগাহ ময়দান”খ্যাত মাঠে সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদারসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে চাই একদিন এ পৃথিবী হবে করোনা মুক্ত এখানে জাতীয় ঈদ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক যে আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব আব্দুর রব ফকির, ইতালী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব হোসেন, কে এম লোকমান হোসেন, বাংলাদেশ সমিতি ইতালির সভাপতি আফতাব ব্যাপারে, ঢালী নাসির উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন রনিসহ সমাজের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন ‌।

প্রতিবছর ইতালির বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ৫০ টি খোলা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়। করোনা ভাইরাসের কারণে এবার রাজধানী রোমে ৭টিসহ খুব কম সংখ্যক স্থানে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের অনুমোদন পাওয়া গেছে। রাজধানী রোমের জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ৮টা জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ এখানে ইমামতি করেন।
করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিলানোতে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের সুযোগ দেয়া হয়নি প্রশাসন। তবে মসজিদগুলোতে সাতটি করে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার চেষ্টা করলেও করোনা ভাইরাসের কারণে ছিলেন হতাশ এবং কিছুটা আতঙ্কিত। প্রতিটি ঈদের নামাজে সাদা পোশাকের পুলিশ উপস্থিত থাকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশিরা জড়ো হলেই তাদেরকে আলাদা করতে দেখা যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও অন্যান্য দেশের মুসল্লিরাও অংশগ্রহণ করেন এই ঈদগুলোতে।