ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বজুড়ে রেকর্ড তাপমাত্রার মাস আগস্ট বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিল বাঁধনের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইতালি বিএনপির সভা ও সংবাদ সম্মেলন অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি বললেন, ‘মূল্য দিয়েছি অনেক’ চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনকালে দুই সেনা নিহত শিশুদের অনলাইন সুরক্ষায় কঠোর নীতিমালার আহ্বান ফ্রান্সপ্রবাসীর প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ প্যারিসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তার নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘Paris Coeur Outlet’-এর শুভ উদ্বোধন ক্রিকেট উন্মাদনায় রোম, রোম বাংলা T10 ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলবে সাকের স্পোর্টিং ক্লাব ফেঞ্চুগঞ্জে সিবিএ নির্বাচনে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানালেন বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন সাহেদ

ইতালিতে লক ডাউন শিথিলের মধ্যে খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

  • আপডেট সময় ১২:৪০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২০
  • ২১৫ বার পড়া হয়েছে

মিনহাজ হোসেন ইতালি থেকেঃ লক ডাউনের মধ্যেই ইতালিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে রাজধানী রোমের পিয়াচ্ছা ভিত্তোরিওতে “জাতীয় ঈদগাহ ময়দান”খ্যাত মাঠে সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদারসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে চাই একদিন এ পৃথিবী হবে করোনা মুক্ত এখানে জাতীয় ঈদ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক যে আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব আব্দুর রব ফকির, ইতালী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব হোসেন, কে এম লোকমান হোসেন, বাংলাদেশ সমিতি ইতালির সভাপতি আফতাব ব্যাপারে, ঢালী নাসির উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন রনিসহ সমাজের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন ‌।

প্রতিবছর ইতালির বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ৫০ টি খোলা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়। করোনা ভাইরাসের কারণে এবার রাজধানী রোমে ৭টিসহ খুব কম সংখ্যক স্থানে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের অনুমোদন পাওয়া গেছে। রাজধানী রোমের জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ৮টা জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ এখানে ইমামতি করেন।
করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিলানোতে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের সুযোগ দেয়া হয়নি প্রশাসন। তবে মসজিদগুলোতে সাতটি করে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার চেষ্টা করলেও করোনা ভাইরাসের কারণে ছিলেন হতাশ এবং কিছুটা আতঙ্কিত। প্রতিটি ঈদের নামাজে সাদা পোশাকের পুলিশ উপস্থিত থাকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশিরা জড়ো হলেই তাদেরকে আলাদা করতে দেখা যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও অন্যান্য দেশের মুসল্লিরাও অংশগ্রহণ করেন এই ঈদগুলোতে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বিশ্বজুড়ে রেকর্ড তাপমাত্রার মাস আগস্ট

ইতালিতে লক ডাউন শিথিলের মধ্যে খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১২:৪০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২০

মিনহাজ হোসেন ইতালি থেকেঃ লক ডাউনের মধ্যেই ইতালিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে রাজধানী রোমের পিয়াচ্ছা ভিত্তোরিওতে “জাতীয় ঈদগাহ ময়দান”খ্যাত মাঠে সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদারসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে চাই একদিন এ পৃথিবী হবে করোনা মুক্ত এখানে জাতীয় ঈদ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক যে আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব আব্দুর রব ফকির, ইতালী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব হোসেন, কে এম লোকমান হোসেন, বাংলাদেশ সমিতি ইতালির সভাপতি আফতাব ব্যাপারে, ঢালী নাসির উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন রনিসহ সমাজের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন ‌।

প্রতিবছর ইতালির বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ৫০ টি খোলা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়। করোনা ভাইরাসের কারণে এবার রাজধানী রোমে ৭টিসহ খুব কম সংখ্যক স্থানে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের অনুমোদন পাওয়া গেছে। রাজধানী রোমের জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ৮টা জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ এখানে ইমামতি করেন।
করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিলানোতে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের সুযোগ দেয়া হয়নি প্রশাসন। তবে মসজিদগুলোতে সাতটি করে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার চেষ্টা করলেও করোনা ভাইরাসের কারণে ছিলেন হতাশ এবং কিছুটা আতঙ্কিত। প্রতিটি ঈদের নামাজে সাদা পোশাকের পুলিশ উপস্থিত থাকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশিরা জড়ো হলেই তাদেরকে আলাদা করতে দেখা যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও অন্যান্য দেশের মুসল্লিরাও অংশগ্রহণ করেন এই ঈদগুলোতে।