ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
কাউন্সিল হাউস থেকে বিদেশিদের বের করে দিতে চান রিফর্ম ইউকের নাইজেল ফারাজ দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীরের কাছে একাধিক দেশের পাসপোর্ট যে কৌশলে দেশ ছেড়েছিলেন বেনজীর লন্ডনে অবৈধ ইসরাইলি প্লট বিক্রির গোপন মেলা বন্ধের দাবি ১০০ ব্রিটিশ এমপির জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানিতে নতুন আইন আনছে কানাডা অভিবাসন সীমিত করার বিতর্কিত প্রস্তাবে ভোট দিচ্ছেন সুইস নাগরিকরা ফ্রান্সের মাখসাইয়ের কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সোহেল এর পুত্রের বিখ্যাত সিটি বিশ্ববিদ্যালয়েত স্কলারশিপ নিয়ে ভর্তির সুযোগ লাভ বাংলাদেশিদের ব্রাজিল উন্মাদনার খবর এবার ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমে কীভাবে ট্রিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন ইলন মাস্ক দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইতালিতে লক ডাউন শিথিলের মধ্যে খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

  • আপডেট সময় ১২:৪০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২০
  • ২০২ বার পড়া হয়েছে

মিনহাজ হোসেন ইতালি থেকেঃ লক ডাউনের মধ্যেই ইতালিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে রাজধানী রোমের পিয়াচ্ছা ভিত্তোরিওতে “জাতীয় ঈদগাহ ময়দান”খ্যাত মাঠে সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদারসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে চাই একদিন এ পৃথিবী হবে করোনা মুক্ত এখানে জাতীয় ঈদ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক যে আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব আব্দুর রব ফকির, ইতালী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব হোসেন, কে এম লোকমান হোসেন, বাংলাদেশ সমিতি ইতালির সভাপতি আফতাব ব্যাপারে, ঢালী নাসির উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন রনিসহ সমাজের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন ‌।

প্রতিবছর ইতালির বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ৫০ টি খোলা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়। করোনা ভাইরাসের কারণে এবার রাজধানী রোমে ৭টিসহ খুব কম সংখ্যক স্থানে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের অনুমোদন পাওয়া গেছে। রাজধানী রোমের জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ৮টা জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ এখানে ইমামতি করেন।
করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিলানোতে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের সুযোগ দেয়া হয়নি প্রশাসন। তবে মসজিদগুলোতে সাতটি করে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার চেষ্টা করলেও করোনা ভাইরাসের কারণে ছিলেন হতাশ এবং কিছুটা আতঙ্কিত। প্রতিটি ঈদের নামাজে সাদা পোশাকের পুলিশ উপস্থিত থাকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশিরা জড়ো হলেই তাদেরকে আলাদা করতে দেখা যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও অন্যান্য দেশের মুসল্লিরাও অংশগ্রহণ করেন এই ঈদগুলোতে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

কাউন্সিল হাউস থেকে বিদেশিদের বের করে দিতে চান রিফর্ম ইউকের নাইজেল ফারাজ

ইতালিতে লক ডাউন শিথিলের মধ্যে খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১২:৪০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২০

মিনহাজ হোসেন ইতালি থেকেঃ লক ডাউনের মধ্যেই ইতালিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে রাজধানী রোমের পিয়াচ্ছা ভিত্তোরিওতে “জাতীয় ঈদগাহ ময়দান”খ্যাত মাঠে সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদারসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে চাই একদিন এ পৃথিবী হবে করোনা মুক্ত এখানে জাতীয় ঈদ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক যে আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব আব্দুর রব ফকির, ইতালী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব হোসেন, কে এম লোকমান হোসেন, বাংলাদেশ সমিতি ইতালির সভাপতি আফতাব ব্যাপারে, ঢালী নাসির উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন রনিসহ সমাজের শীর্ষ নেতারা ঈদের নামাজ আদায় করেন ‌।

প্রতিবছর ইতালির বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ৫০ টি খোলা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়। করোনা ভাইরাসের কারণে এবার রাজধানী রোমে ৭টিসহ খুব কম সংখ্যক স্থানে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের অনুমোদন পাওয়া গেছে। রাজধানী রোমের জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ৮টা জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ এখানে ইমামতি করেন।
করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিলানোতে খোলা মাঠে ঈদের নামাজের সুযোগ দেয়া হয়নি প্রশাসন। তবে মসজিদগুলোতে সাতটি করে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার চেষ্টা করলেও করোনা ভাইরাসের কারণে ছিলেন হতাশ এবং কিছুটা আতঙ্কিত। প্রতিটি ঈদের নামাজে সাদা পোশাকের পুলিশ উপস্থিত থাকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশিরা জড়ো হলেই তাদেরকে আলাদা করতে দেখা যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও অন্যান্য দেশের মুসল্লিরাও অংশগ্রহণ করেন এই ঈদগুলোতে।