ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বালাগঞ্জের হাফিজ মাওলানা সামসুল ইসলাম লন্ডনের university of central Lancashire থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করলেন বালাগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী রফিক আহমদ এর মতবিনিময় দেওয়ানবাজার ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল আলমের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে খাবার বিতরণ জনকল্যাণ ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন ইউকের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী বিতরণ প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলো, ‘রৌদ্র ছায়ায় কবি কন্ঠে কাব্য কথা’ শীর্ষক কবিতায় আড্ডা ফ্রান্স দর্পণ – কমিউনিটি-সংবেদনশীল মুখপত্র এম সি ইন্সটিটিউট ফ্রান্সের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএনপি চেয়ারপারসনের “স্পেশাল এসিস্ট্যান্ট টু দ্য ফরেন এফেয়ার্স” উপদেষ্টা হলেন হাজি হাবিব ইপিএস কমিউনিটি ফ্রান্সের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘ফেত দ্যো লা মিউজিক ২০২৪ তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি

চলে গেলেন সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ (১৯৫০-২০১৯)

  • আপডেট সময় ১০:১৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

Warning: Attempt to read property "post_excerpt" on null in /home/u305720254/domains/francedorpan.com/public_html/wp-content/themes/newspaper-pro/template-parts/common/single_two.php on line 117

চলে গেলেন বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব মাহফুজ উল্লাহ। তিনি থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার। এর আগে ২রা এপ্রিল তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আইসিইউ’তে ভর্তি করা হয় । তিনি হৃদরোগ, কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। এরপর সেখান থেকে বুধবার ১০ই এপ্রিল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ব্যাংককে নেয়া হয়।

মাহফুজ উল্লাহ ১৯৫০ সালের ১০ই মার্চ নোয়াখালীতে জন্ম গ্রহণ করেন। বাংলাদেশের জনগণের প্রতিটি অধিকার আদায়ের আন্দোলনের একজন নেতৃস্থানীয় কর্মী ছিলেন। ছাত্রাবস্থায়ই তিনি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ দেশের বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় বাংলা ও ইংরেজি দৈনিকে কাজ করেছেন। মাঝে চীন গণপ্রজাতন্ত্রে বিশেষজ্ঞ, কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপদূতাবাসে, কূটনীতিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’র প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি জেনারেল মাহফুজ উল্লাহ বাংলাদেশে পরিবেশ সাংবাদিকতার সূচনা করেন। রাজনীতি উন্নয়ন ও পরিবেশ বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লেখা তার বইয়ের সংখ্যা পঞ্চাশের অধিক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর করজারভেশন অব নেচার’র আন্তর্জাতিক পরিচালনা পর্ষদের প্রথম বাংলাদেশী নির্বাচিত সদস্য। বর্তমানে তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মাহফুজ উল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যা ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তার পিতা শিক্ষাবিদ মরহুম হাবিবুল্লাহ এবং মাতা মরহুমা ফয়জুননিসা বেগম। তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পরলোকগত কমরেড মোজাফফর আহমদের দৌহিত্র।

মানব জমিন থেকে

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বালাগঞ্জের হাফিজ মাওলানা সামসুল ইসলাম লন্ডনের university of central Lancashire থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করলেন

চলে গেলেন সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ (১৯৫০-২০১৯)

আপডেট সময় ১০:১৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯

চলে গেলেন বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব মাহফুজ উল্লাহ। তিনি থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার। এর আগে ২রা এপ্রিল তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আইসিইউ’তে ভর্তি করা হয় । তিনি হৃদরোগ, কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। এরপর সেখান থেকে বুধবার ১০ই এপ্রিল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ব্যাংককে নেয়া হয়।

মাহফুজ উল্লাহ ১৯৫০ সালের ১০ই মার্চ নোয়াখালীতে জন্ম গ্রহণ করেন। বাংলাদেশের জনগণের প্রতিটি অধিকার আদায়ের আন্দোলনের একজন নেতৃস্থানীয় কর্মী ছিলেন। ছাত্রাবস্থায়ই তিনি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ দেশের বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় বাংলা ও ইংরেজি দৈনিকে কাজ করেছেন। মাঝে চীন গণপ্রজাতন্ত্রে বিশেষজ্ঞ, কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপদূতাবাসে, কূটনীতিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’র প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি জেনারেল মাহফুজ উল্লাহ বাংলাদেশে পরিবেশ সাংবাদিকতার সূচনা করেন। রাজনীতি উন্নয়ন ও পরিবেশ বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লেখা তার বইয়ের সংখ্যা পঞ্চাশের অধিক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর করজারভেশন অব নেচার’র আন্তর্জাতিক পরিচালনা পর্ষদের প্রথম বাংলাদেশী নির্বাচিত সদস্য। বর্তমানে তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মাহফুজ উল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যা ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তার পিতা শিক্ষাবিদ মরহুম হাবিবুল্লাহ এবং মাতা মরহুমা ফয়জুননিসা বেগম। তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পরলোকগত কমরেড মোজাফফর আহমদের দৌহিত্র।

মানব জমিন থেকে