ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪, ২৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্যারিসে Point d’Aide – এইড পয়েন্ট এর নতুন অফিসের উদ্বোধন তরুণ সাহিত্যিক সাদাত হোসাইনকে প্যারিসে সংবর্ধনা দিলো ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশীরা গাজীপুর জেলা সমিতি,ফ্রান্স’র দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত : ফারুক খান সভাপতি, জুয়েল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত কেবল উপবাসের নামই সিয়াম নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষাই সিয়াম ফ্রান্সে একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য ‘বাংলাদেশ সমিতি’র তাগিদ, একটি প্রস্তাবনা শিশু কিশোরদের নানা ইভেন্ট নিয়ে ইপিএস কমিউনিটি ফ্রান্সের স্বাধীনতা দিবস পালন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্স’র নতুন কমিটির পরিচিতি ও ইফতার প্যারিসে ‘নকশী বাংলা ফাউন্ডেশন সম্মাননা’ পেলেন ফ্রান্স দর্পণ নির্বাহী সম্পাদক ফেরদৌস করিম আখঞ্জী নানা আয়োজনে প্যারিসে সাফের আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন ‘পাঠশালা’ – ফরাসী ভাষা শিক্ষার স্কুল উদ্বোধন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে স্বাক্ষর না করতে প্রেসিডেন্টের প্রতি অনুরোধ

  • আপডেট সময় ১১:১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে

Warning: Attempt to read property "post_excerpt" on null in /home/u305720254/domains/francedorpan.com/public_html/wp-content/themes/newspaper-pro/template-parts/common/single_two.php on line 117

সাংবাদিক সমাজ, সম্পাদক পরিষদ, নাগরিক সমাজ ও দেশী-বিদেশী মানবাধিকর সংগঠনের প্রতিবাদ অগ্রাহ্য করে গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাবিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংসদে পাশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এ বিলে স্বাক্ষর না করার জন্য মহামান্য প্রেসিডেন্টের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজেসহ ১২টি সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা। রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে সংবিধান, গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থী বিলটি সংসদে ফেরৎ পাঠিয়ে গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকারবিরোধী ধারা সংশোধনে প্রেসিডেন্ট ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ।
আজ বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর এক যুক্ত বিবৃতিতে বিএফইউজে ও এর অঙ্গ ইউনিয়নগুলোর নেতৃবৃন্দ এ আহবান জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গঠিত এক দলীয় সংসদে স্টেকহোল্ডারদের আপত্তি ও সংশোধনী প্রস্তাব উপেক্ষা করে পাশকৃত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এ আইন সংবিধান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। গণতান্ত্রিক দেশেতো নয়ই কোন সভ্য সমাজে এ ধরনের আইনের কথা কল্পনাও করা যায় না। আইনটি সংসদে উপস্থাপনের সময় তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী যে প্রতারণামুলক বক্তব্য দিয়েছেন তা আমাদের স্তম্ভিত করেছে। তিনি সম্পাদক ও সাংবাদিকদের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে বলে নির্জলা মিথ্যাচার করেছেন।
নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে বলেন, একদিকে প্রায় শত বছরের পুরনো অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের ঔপনিবেশিক এনালগ আইনকে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির যুগে টেনে আনা হয়েছে। অন্যদিকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার ও তল্লাশীর ক্ষমতা পুলিশকে দিয়ে প্রকারান্তরে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে নিপীড়নের সুযোগ অবারিত করা হযেছে। এমনকি গবেষণা কাজও এই আইনের কারণে হুমকির মুখে পড়বে। সাংবাদিক সমাজসহ দেশের বিবেকবান মুক্তচিন্তার মানুষ এই আইনে প্রতিনিয়ত হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হবেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আইনটি পুনর্বিবেচনার জন্য সংসদে ফেরৎ পাঠাতে প্রেসিডেন্টের প্রতি আহবান জানান।
বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দ হচ্ছেন-বিএফইউজে একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজে একাংশের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে)র সভাপতি শামসুর হক হায়দরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহনওয়াজ, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সরদার আবদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবদুল আউয়াল, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন-খুলনার সভাপতি আনিসুজ্জমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হিমালয়, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি শহীদ জয় ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামান, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি মির্জা সেলিম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক গণেশ দাস, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হাসানুর রশীদ, কুমিল্লা জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাহ আলম শফি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক, সাংবাদিক ইউনিয়ন দিনাজপুরের সভাপতি জি এম হিরু ও সাধারণ সম্পাদক মাহফিজুল হক রিপন, সাংবাদিক ইউনিয়ন ময়মনসিংহের সভাপতি সভাপতি আইয়ুব আলী ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন গাজীপুরের সভাপতি এইচ এম দেলোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ।

শনিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ: গণতন্ত্র, গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাবিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের আহবান জানিয়েছেন বিএফইউজে ও ডিইউজে নেতৃবৃন্দ। শনিবার সকাল ১১টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। একই সময়ে সারাদেশে সকল অঙ্গ ইউনিয়নে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

প্যারিসে Point d’Aide – এইড পয়েন্ট এর নতুন অফিসের উদ্বোধন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে স্বাক্ষর না করতে প্রেসিডেন্টের প্রতি অনুরোধ

আপডেট সময় ১১:১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সাংবাদিক সমাজ, সম্পাদক পরিষদ, নাগরিক সমাজ ও দেশী-বিদেশী মানবাধিকর সংগঠনের প্রতিবাদ অগ্রাহ্য করে গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাবিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংসদে পাশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এ বিলে স্বাক্ষর না করার জন্য মহামান্য প্রেসিডেন্টের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজেসহ ১২টি সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা। রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে সংবিধান, গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থী বিলটি সংসদে ফেরৎ পাঠিয়ে গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকারবিরোধী ধারা সংশোধনে প্রেসিডেন্ট ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ।
আজ বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর এক যুক্ত বিবৃতিতে বিএফইউজে ও এর অঙ্গ ইউনিয়নগুলোর নেতৃবৃন্দ এ আহবান জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গঠিত এক দলীয় সংসদে স্টেকহোল্ডারদের আপত্তি ও সংশোধনী প্রস্তাব উপেক্ষা করে পাশকৃত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এ আইন সংবিধান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। গণতান্ত্রিক দেশেতো নয়ই কোন সভ্য সমাজে এ ধরনের আইনের কথা কল্পনাও করা যায় না। আইনটি সংসদে উপস্থাপনের সময় তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী যে প্রতারণামুলক বক্তব্য দিয়েছেন তা আমাদের স্তম্ভিত করেছে। তিনি সম্পাদক ও সাংবাদিকদের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে বলে নির্জলা মিথ্যাচার করেছেন।
নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে বলেন, একদিকে প্রায় শত বছরের পুরনো অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের ঔপনিবেশিক এনালগ আইনকে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির যুগে টেনে আনা হয়েছে। অন্যদিকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার ও তল্লাশীর ক্ষমতা পুলিশকে দিয়ে প্রকারান্তরে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে নিপীড়নের সুযোগ অবারিত করা হযেছে। এমনকি গবেষণা কাজও এই আইনের কারণে হুমকির মুখে পড়বে। সাংবাদিক সমাজসহ দেশের বিবেকবান মুক্তচিন্তার মানুষ এই আইনে প্রতিনিয়ত হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হবেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আইনটি পুনর্বিবেচনার জন্য সংসদে ফেরৎ পাঠাতে প্রেসিডেন্টের প্রতি আহবান জানান।
বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দ হচ্ছেন-বিএফইউজে একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজে একাংশের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে)র সভাপতি শামসুর হক হায়দরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহনওয়াজ, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সরদার আবদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবদুল আউয়াল, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন-খুলনার সভাপতি আনিসুজ্জমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হিমালয়, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি শহীদ জয় ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামান, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি মির্জা সেলিম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক গণেশ দাস, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হাসানুর রশীদ, কুমিল্লা জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাহ আলম শফি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক, সাংবাদিক ইউনিয়ন দিনাজপুরের সভাপতি জি এম হিরু ও সাধারণ সম্পাদক মাহফিজুল হক রিপন, সাংবাদিক ইউনিয়ন ময়মনসিংহের সভাপতি সভাপতি আইয়ুব আলী ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন গাজীপুরের সভাপতি এইচ এম দেলোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ।

শনিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ: গণতন্ত্র, গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাবিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের আহবান জানিয়েছেন বিএফইউজে ও ডিইউজে নেতৃবৃন্দ। শনিবার সকাল ১১টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। একই সময়ে সারাদেশে সকল অঙ্গ ইউনিয়নে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হবে।