ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

  • আপডেট সময় ০৮:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  • ৬১৫ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, এই আইন গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বৈধ চর্চাকে বাধাগ্রস্ত ও দুর্বৃত্তায়ন করতে পারে। বিবৃতিতে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ’র দূত ছাড়াও ইতালি, স্পেন, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতরা স্বাক্ষর করেছেন। তারা এ আইন মানবাধিকার বিষয়ক বৈশ্বিক ঘোষণা ও বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে এর আগেও উদ্বেগ জানিয়েছিল ইইউ। তীব্র সমালোচনা উপেক্ষা করে গত ১৯শে সেপ্টেম্বর সংসদে এ আইন পাস হয়। মানবাধিকারকর্মীরা এই আইনকে ‘কালো আইন’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এতে গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়বে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

দক্ষিণ সুরমা সমাজ কল্যাণ সমিতি ইউকের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে ইইউ’র উদ্বেগ

আপডেট সময় ০৮:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, এই আইন গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বৈধ চর্চাকে বাধাগ্রস্ত ও দুর্বৃত্তায়ন করতে পারে। বিবৃতিতে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ’র দূত ছাড়াও ইতালি, স্পেন, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতরা স্বাক্ষর করেছেন। তারা এ আইন মানবাধিকার বিষয়ক বৈশ্বিক ঘোষণা ও বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে এর আগেও উদ্বেগ জানিয়েছিল ইইউ। তীব্র সমালোচনা উপেক্ষা করে গত ১৯শে সেপ্টেম্বর সংসদে এ আইন পাস হয়। মানবাধিকারকর্মীরা এই আইনকে ‘কালো আইন’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এতে গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়বে।