ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্সে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত ফেভারিটদের মহারণ ওলিসের হেট্রিকে উত্তর আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে ফ্রান্স গাজীপুর জেলা অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্সের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আল্লামা গহর পুরী প্রশ্নে অবস্থান পরিষ্কার করলেন সাংসদ এম এ মালেক বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান বিশ্বকাপ জিতলে দাড়ি-গোঁফ রাখবেন ইয়ামাল ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবির পরিসংখ্যান নিয়ে যে ব্যাখ্যা পুলিশ সদর দপ্তরের ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩২ বিশ্বকাপ ২০২৬: কেন আবারও শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার ফ্রান্স?

প্যারিস হাইকোর্ট স্বীকৃত প্রথম বাংলাদেশী অনুবাদক তুহিন জুলকিপলা।

  • আপডেট সময় ০৮:১০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০
  • ১৬০৩ বার পড়া হয়েছে

প্যারিস হাইকোর্টের স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের সন্তান তুহিন জুলকিপলা। ইতোমধ্যে এই সুযোগ লাভ করেছে BENOIT Philippe, BHATTACHARYA Arindam এবং GOMES Monica (দোভাষী)। উল্লেখ্য, তারা সবাই জুডিশিয়াল ট্রান্সলেশন এবং ইন্টারপ্রেটেনশন এর জন্য প্যারিস আপীল কোর্ট এর তালিকাভূক্ত।

ফ্রান্সে বাঙালি অভিবাসন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে থাকে বিগত ১০-১৫ বছর আগের থেকে। হাজার হাজার বাঙালি ইতিমধ্যেই এদেশে বসবাস করছেন এবং পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ছে। ফ্রান্সে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক সকল কাজে স্থানীয় ভাষা ফরাসী। পৃথিবীর কঠিন ভাষার মধ্যে ফরাসী একটি। ভাল ভাষা না জানার ফলে অফিস আদালতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় বাংলাদেশিদের। কিন্তু তুহিন জুলকিপলাদের মত মেধাবী বাংলাদেশী সন্তান এই কঠিন ভাষায় বুৎপত্তি লাভ করে এমন উচ্চতায় জায়গা করে নিয়েছে।

ফ্রান্সে অভিবাসন প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক আশ্রয়, ব্যবসা-বাণিজ্য, সরকারি-বেসরকারি কাজে, আদালতে ইত্যাদি নানাক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের স্বীকৃত এবং প্রত্যায়িত অনুবাদ এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে কারণে দোভাষী ও অনুবাদকদের এক বিশেষ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। আর সে যোগ্যতার স্বীকৃতি যখন দেশের উচ্চ আদালত প্রদান করে, তা একটি বিশেষ মেধা ও শ্রমের পরিচায়ক। তুহিন জুলকিপলা সেটি অর্জন করে বাংলাদেশের মুখ উজ্জল করেছে। কেননা সমস্ত প্রসাশনিক কাজে একমাত্র তাদের অনুবাদই গ্রহণযোগ্য। সম্প্রতি প্যারিসের হাইকোর্ট এই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অনুবাদক তুহিন জুলকিপলাকে এই গুরুদায়িত্ব দিল। যদিও ভারতের কয়েকজন বাঙালিকে এই ‘সন্মান’ প্রদান করা হয়েছিল প্যারিস হাইকোর্ট থেকে, কিন্তু এই প্রথম রাজধানী প্যারিসে তুহিন জুলকিপলা এই পদবী ও সন্মানের অধিকারী হলো। এর কয়েক বছর আগে একই কোর্ট তাকে দোভাষী হিসেবে ও মনোনীত করেছিল। এর আগে প্যারিসের বাইরে অন্য নগরী ভার্সাই হাইকোর্ট থেকে বাংলাদেশি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও শিহাব হক এবং ফ্রান্সের দক্ষিণ প্রান্তের অপর নগরী তুলুজ হাইকোর্ট থেকে মইনুল হাসানসহ আরও দুজন এই পদবী পেয়েছেন।

Tuhin ZULKIPLA প্যারিসের গার দ্যু নর্দ’ এ (10, Rue Demarquay, 75010, Paris) S.T.I.P (পেশাদার অনুবাদক ও দোভাষী সংগঠন) অফিসে দীর্ঘ এক যুগ থেকে অনুবাদের কাজ করে যাচ্ছেন।

তুহিন জুলকিপলা ঢাকার বিখ্যাত নটরডেম কলেজের ছাত্র। পরবর্তীতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে ফরাসী ভাষার সাথে তার সখ্যতা। তারপর একে আকড়ে রাখা। প্রায় দুই দশক আগে ফ্রান্সে এসে নিজের মেধা, যোগ্যতা এবং শ্রমকে কাজে লাগিয়ে ফ্রান্সের অক্সফোর্ডখ্যাত শরবোন ইউনিভার্সিটি থেকে এই বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন।

ফরাসী আইনের প্রতি খুবই সতর্ক এবং সম্মান দেয়া তুহিন জুলকিপলা অনেক কথাই বলেছেন ‘অফ দ্যা রেকর্ডে’! কেননা আলাপচারিতায় তিনি আমাকে বারবার ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ এর বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন। প্যারিস গার দু নর্দে তার কার্যালয়ে সরাসরি তার সাথে কথা বলে জানা গেল তার ২/১ টি স্বপ্নের কথা। তিনি বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্রান্স (বিসিএফ) এর কাজগুলোর প্রসংশা করেন এবং কমিউনিটিতে তিনিও ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ এর দিকটি সতর্কতার সাথে মান্য করে কাজ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফ্রান্সে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

প্যারিস হাইকোর্ট স্বীকৃত প্রথম বাংলাদেশী অনুবাদক তুহিন জুলকিপলা।

আপডেট সময় ০৮:১০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০

প্যারিস হাইকোর্টের স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের সন্তান তুহিন জুলকিপলা। ইতোমধ্যে এই সুযোগ লাভ করেছে BENOIT Philippe, BHATTACHARYA Arindam এবং GOMES Monica (দোভাষী)। উল্লেখ্য, তারা সবাই জুডিশিয়াল ট্রান্সলেশন এবং ইন্টারপ্রেটেনশন এর জন্য প্যারিস আপীল কোর্ট এর তালিকাভূক্ত।

ফ্রান্সে বাঙালি অভিবাসন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে থাকে বিগত ১০-১৫ বছর আগের থেকে। হাজার হাজার বাঙালি ইতিমধ্যেই এদেশে বসবাস করছেন এবং পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ছে। ফ্রান্সে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক সকল কাজে স্থানীয় ভাষা ফরাসী। পৃথিবীর কঠিন ভাষার মধ্যে ফরাসী একটি। ভাল ভাষা না জানার ফলে অফিস আদালতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় বাংলাদেশিদের। কিন্তু তুহিন জুলকিপলাদের মত মেধাবী বাংলাদেশী সন্তান এই কঠিন ভাষায় বুৎপত্তি লাভ করে এমন উচ্চতায় জায়গা করে নিয়েছে।

ফ্রান্সে অভিবাসন প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক আশ্রয়, ব্যবসা-বাণিজ্য, সরকারি-বেসরকারি কাজে, আদালতে ইত্যাদি নানাক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের স্বীকৃত এবং প্রত্যায়িত অনুবাদ এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে কারণে দোভাষী ও অনুবাদকদের এক বিশেষ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। আর সে যোগ্যতার স্বীকৃতি যখন দেশের উচ্চ আদালত প্রদান করে, তা একটি বিশেষ মেধা ও শ্রমের পরিচায়ক। তুহিন জুলকিপলা সেটি অর্জন করে বাংলাদেশের মুখ উজ্জল করেছে। কেননা সমস্ত প্রসাশনিক কাজে একমাত্র তাদের অনুবাদই গ্রহণযোগ্য। সম্প্রতি প্যারিসের হাইকোর্ট এই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অনুবাদক তুহিন জুলকিপলাকে এই গুরুদায়িত্ব দিল। যদিও ভারতের কয়েকজন বাঙালিকে এই ‘সন্মান’ প্রদান করা হয়েছিল প্যারিস হাইকোর্ট থেকে, কিন্তু এই প্রথম রাজধানী প্যারিসে তুহিন জুলকিপলা এই পদবী ও সন্মানের অধিকারী হলো। এর কয়েক বছর আগে একই কোর্ট তাকে দোভাষী হিসেবে ও মনোনীত করেছিল। এর আগে প্যারিসের বাইরে অন্য নগরী ভার্সাই হাইকোর্ট থেকে বাংলাদেশি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও শিহাব হক এবং ফ্রান্সের দক্ষিণ প্রান্তের অপর নগরী তুলুজ হাইকোর্ট থেকে মইনুল হাসানসহ আরও দুজন এই পদবী পেয়েছেন।

Tuhin ZULKIPLA প্যারিসের গার দ্যু নর্দ’ এ (10, Rue Demarquay, 75010, Paris) S.T.I.P (পেশাদার অনুবাদক ও দোভাষী সংগঠন) অফিসে দীর্ঘ এক যুগ থেকে অনুবাদের কাজ করে যাচ্ছেন।

তুহিন জুলকিপলা ঢাকার বিখ্যাত নটরডেম কলেজের ছাত্র। পরবর্তীতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে ফরাসী ভাষার সাথে তার সখ্যতা। তারপর একে আকড়ে রাখা। প্রায় দুই দশক আগে ফ্রান্সে এসে নিজের মেধা, যোগ্যতা এবং শ্রমকে কাজে লাগিয়ে ফ্রান্সের অক্সফোর্ডখ্যাত শরবোন ইউনিভার্সিটি থেকে এই বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন।

ফরাসী আইনের প্রতি খুবই সতর্ক এবং সম্মান দেয়া তুহিন জুলকিপলা অনেক কথাই বলেছেন ‘অফ দ্যা রেকর্ডে’! কেননা আলাপচারিতায় তিনি আমাকে বারবার ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ এর বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন। প্যারিস গার দু নর্দে তার কার্যালয়ে সরাসরি তার সাথে কথা বলে জানা গেল তার ২/১ টি স্বপ্নের কথা। তিনি বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্রান্স (বিসিএফ) এর কাজগুলোর প্রসংশা করেন এবং কমিউনিটিতে তিনিও ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ এর দিকটি সতর্কতার সাথে মান্য করে কাজ করেন।