ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি নিউ স্টার ফুটবল ক্লাব রতনপুরের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম সংবর্ধিত বালাগঞ্জে শান্তিপুর্ণভাবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন : চমক দেখিয়ে আনহার মিয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে ফরাসি জাতীয়তা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত প্যারিসে Point d’Aide – এইড পয়েন্ট এর নতুন অফিসের উদ্বোধন তরুণ সাহিত্যিক সাদাত হোসাইনকে প্যারিসে সংবর্ধনা দিলো ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশীরা গাজীপুর জেলা সমিতি,ফ্রান্স’র দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত : ফারুক খান সভাপতি, জুয়েল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত কেবল উপবাসের নামই সিয়াম নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষাই সিয়াম ফ্রান্সে একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য ‘বাংলাদেশ সমিতি’র তাগিদ, একটি প্রস্তাবনা শিশু কিশোরদের নানা ইভেন্ট নিয়ে ইপিএস কমিউনিটি ফ্রান্সের স্বাধীনতা দিবস পালন

প্যারিস হাইকোর্ট স্বীকৃত প্রথম বাংলাদেশী অনুবাদক তুহিন জুলকিপলা।

  • আপডেট সময় ০৮:১০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০
  • ১৩৯৫ বার পড়া হয়েছে

Warning: Attempt to read property "post_excerpt" on null in /home/u305720254/domains/francedorpan.com/public_html/wp-content/themes/newspaper-pro/template-parts/common/single_two.php on line 117

প্যারিস হাইকোর্টের স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের সন্তান তুহিন জুলকিপলা। ইতোমধ্যে এই সুযোগ লাভ করেছে BENOIT Philippe, BHATTACHARYA Arindam এবং GOMES Monica (দোভাষী)। উল্লেখ্য, তারা সবাই জুডিশিয়াল ট্রান্সলেশন এবং ইন্টারপ্রেটেনশন এর জন্য প্যারিস আপীল কোর্ট এর তালিকাভূক্ত।

ফ্রান্সে বাঙালি অভিবাসন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে থাকে বিগত ১০-১৫ বছর আগের থেকে। হাজার হাজার বাঙালি ইতিমধ্যেই এদেশে বসবাস করছেন এবং পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ছে। ফ্রান্সে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক সকল কাজে স্থানীয় ভাষা ফরাসী। পৃথিবীর কঠিন ভাষার মধ্যে ফরাসী একটি। ভাল ভাষা না জানার ফলে অফিস আদালতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় বাংলাদেশিদের। কিন্তু তুহিন জুলকিপলাদের মত মেধাবী বাংলাদেশী সন্তান এই কঠিন ভাষায় বুৎপত্তি লাভ করে এমন উচ্চতায় জায়গা করে নিয়েছে।

ফ্রান্সে অভিবাসন প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক আশ্রয়, ব্যবসা-বাণিজ্য, সরকারি-বেসরকারি কাজে, আদালতে ইত্যাদি নানাক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের স্বীকৃত এবং প্রত্যায়িত অনুবাদ এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে কারণে দোভাষী ও অনুবাদকদের এক বিশেষ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। আর সে যোগ্যতার স্বীকৃতি যখন দেশের উচ্চ আদালত প্রদান করে, তা একটি বিশেষ মেধা ও শ্রমের পরিচায়ক। তুহিন জুলকিপলা সেটি অর্জন করে বাংলাদেশের মুখ উজ্জল করেছে। কেননা সমস্ত প্রসাশনিক কাজে একমাত্র তাদের অনুবাদই গ্রহণযোগ্য। সম্প্রতি প্যারিসের হাইকোর্ট এই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অনুবাদক তুহিন জুলকিপলাকে এই গুরুদায়িত্ব দিল। যদিও ভারতের কয়েকজন বাঙালিকে এই ‘সন্মান’ প্রদান করা হয়েছিল প্যারিস হাইকোর্ট থেকে, কিন্তু এই প্রথম রাজধানী প্যারিসে তুহিন জুলকিপলা এই পদবী ও সন্মানের অধিকারী হলো। এর কয়েক বছর আগে একই কোর্ট তাকে দোভাষী হিসেবে ও মনোনীত করেছিল। এর আগে প্যারিসের বাইরে অন্য নগরী ভার্সাই হাইকোর্ট থেকে বাংলাদেশি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও শিহাব হক এবং ফ্রান্সের দক্ষিণ প্রান্তের অপর নগরী তুলুজ হাইকোর্ট থেকে মইনুল হাসানসহ আরও দুজন এই পদবী পেয়েছেন।

Tuhin ZULKIPLA প্যারিসের গার দ্যু নর্দ’ এ (10, Rue Demarquay, 75010, Paris) S.T.I.P (পেশাদার অনুবাদক ও দোভাষী সংগঠন) অফিসে দীর্ঘ এক যুগ থেকে অনুবাদের কাজ করে যাচ্ছেন।

তুহিন জুলকিপলা ঢাকার বিখ্যাত নটরডেম কলেজের ছাত্র। পরবর্তীতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে ফরাসী ভাষার সাথে তার সখ্যতা। তারপর একে আকড়ে রাখা। প্রায় দুই দশক আগে ফ্রান্সে এসে নিজের মেধা, যোগ্যতা এবং শ্রমকে কাজে লাগিয়ে ফ্রান্সের অক্সফোর্ডখ্যাত শরবোন ইউনিভার্সিটি থেকে এই বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন।

ফরাসী আইনের প্রতি খুবই সতর্ক এবং সম্মান দেয়া তুহিন জুলকিপলা অনেক কথাই বলেছেন ‘অফ দ্যা রেকর্ডে’! কেননা আলাপচারিতায় তিনি আমাকে বারবার ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ এর বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন। প্যারিস গার দু নর্দে তার কার্যালয়ে সরাসরি তার সাথে কথা বলে জানা গেল তার ২/১ টি স্বপ্নের কথা। তিনি বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্রান্স (বিসিএফ) এর কাজগুলোর প্রসংশা করেন এবং কমিউনিটিতে তিনিও ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ এর দিকটি সতর্কতার সাথে মান্য করে কাজ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি

প্যারিস হাইকোর্ট স্বীকৃত প্রথম বাংলাদেশী অনুবাদক তুহিন জুলকিপলা।

আপডেট সময় ০৮:১০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০

প্যারিস হাইকোর্টের স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের সন্তান তুহিন জুলকিপলা। ইতোমধ্যে এই সুযোগ লাভ করেছে BENOIT Philippe, BHATTACHARYA Arindam এবং GOMES Monica (দোভাষী)। উল্লেখ্য, তারা সবাই জুডিশিয়াল ট্রান্সলেশন এবং ইন্টারপ্রেটেনশন এর জন্য প্যারিস আপীল কোর্ট এর তালিকাভূক্ত।

ফ্রান্সে বাঙালি অভিবাসন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে থাকে বিগত ১০-১৫ বছর আগের থেকে। হাজার হাজার বাঙালি ইতিমধ্যেই এদেশে বসবাস করছেন এবং পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ছে। ফ্রান্সে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক সকল কাজে স্থানীয় ভাষা ফরাসী। পৃথিবীর কঠিন ভাষার মধ্যে ফরাসী একটি। ভাল ভাষা না জানার ফলে অফিস আদালতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় বাংলাদেশিদের। কিন্তু তুহিন জুলকিপলাদের মত মেধাবী বাংলাদেশী সন্তান এই কঠিন ভাষায় বুৎপত্তি লাভ করে এমন উচ্চতায় জায়গা করে নিয়েছে।

ফ্রান্সে অভিবাসন প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক আশ্রয়, ব্যবসা-বাণিজ্য, সরকারি-বেসরকারি কাজে, আদালতে ইত্যাদি নানাক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের স্বীকৃত এবং প্রত্যায়িত অনুবাদ এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে কারণে দোভাষী ও অনুবাদকদের এক বিশেষ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। আর সে যোগ্যতার স্বীকৃতি যখন দেশের উচ্চ আদালত প্রদান করে, তা একটি বিশেষ মেধা ও শ্রমের পরিচায়ক। তুহিন জুলকিপলা সেটি অর্জন করে বাংলাদেশের মুখ উজ্জল করেছে। কেননা সমস্ত প্রসাশনিক কাজে একমাত্র তাদের অনুবাদই গ্রহণযোগ্য। সম্প্রতি প্যারিসের হাইকোর্ট এই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অনুবাদক তুহিন জুলকিপলাকে এই গুরুদায়িত্ব দিল। যদিও ভারতের কয়েকজন বাঙালিকে এই ‘সন্মান’ প্রদান করা হয়েছিল প্যারিস হাইকোর্ট থেকে, কিন্তু এই প্রথম রাজধানী প্যারিসে তুহিন জুলকিপলা এই পদবী ও সন্মানের অধিকারী হলো। এর কয়েক বছর আগে একই কোর্ট তাকে দোভাষী হিসেবে ও মনোনীত করেছিল। এর আগে প্যারিসের বাইরে অন্য নগরী ভার্সাই হাইকোর্ট থেকে বাংলাদেশি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও শিহাব হক এবং ফ্রান্সের দক্ষিণ প্রান্তের অপর নগরী তুলুজ হাইকোর্ট থেকে মইনুল হাসানসহ আরও দুজন এই পদবী পেয়েছেন।

Tuhin ZULKIPLA প্যারিসের গার দ্যু নর্দ’ এ (10, Rue Demarquay, 75010, Paris) S.T.I.P (পেশাদার অনুবাদক ও দোভাষী সংগঠন) অফিসে দীর্ঘ এক যুগ থেকে অনুবাদের কাজ করে যাচ্ছেন।

তুহিন জুলকিপলা ঢাকার বিখ্যাত নটরডেম কলেজের ছাত্র। পরবর্তীতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে ফরাসী ভাষার সাথে তার সখ্যতা। তারপর একে আকড়ে রাখা। প্রায় দুই দশক আগে ফ্রান্সে এসে নিজের মেধা, যোগ্যতা এবং শ্রমকে কাজে লাগিয়ে ফ্রান্সের অক্সফোর্ডখ্যাত শরবোন ইউনিভার্সিটি থেকে এই বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন।

ফরাসী আইনের প্রতি খুবই সতর্ক এবং সম্মান দেয়া তুহিন জুলকিপলা অনেক কথাই বলেছেন ‘অফ দ্যা রেকর্ডে’! কেননা আলাপচারিতায় তিনি আমাকে বারবার ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ এর বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন। প্যারিস গার দু নর্দে তার কার্যালয়ে সরাসরি তার সাথে কথা বলে জানা গেল তার ২/১ টি স্বপ্নের কথা। তিনি বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্রান্স (বিসিএফ) এর কাজগুলোর প্রসংশা করেন এবং কমিউনিটিতে তিনিও ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ এর দিকটি সতর্কতার সাথে মান্য করে কাজ করেন।