ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ইতালির আরেচ্ছোতে বর্ণাঢ্য একুশে মেলা: মুসলিম কমিউনিটির কবরস্থান বাস্তবায়নের দাবী ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াবে বাংলাদেশ দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন: ফিলিস্তিন ও বাংলাদেশ দূতাবাসে বিশেষ বৈঠক মামুন হাওলাদার প্রবাসে বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রাখার লক্ষ্যে রোমে বৃহত্তম ঢাকাবাসীর পিঠা উৎসব নতুন তত্ত্ব ও জ্ঞান সৃষ্টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্যঃ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক ফ্রান্স দর্পণ পত্রিকার সম্পাদকের ভাইয়ের মৃত্যুতে প্যারিসে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ইপিএস কমিউনিটি ইন ফ্রান্স এর উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস পালিত গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশন ফ্রান্সের নবগঠিত কমিটির আত্মপ্রকাশ ফরাসি নাট্যমঞ্চে বাংলাদেশি শোয়েব বালাগঞ্জে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত রুপালী ব্যাংক লিমিটেড সুলতানপুর শাখার উদ্যোগে প্রকাশ্যে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠিত

ফ্রান্সের নাগরিক হতে আবেদন করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পিতা

  • আপডেট সময় ১০:৫৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ জানুয়ারী ২০২১
  • ৪৫১ বার পড়া হয়েছে

Warning: Attempt to read property "post_excerpt" on null in /home/u305720254/domains/francedorpan.com/public_html/wp-content/themes/newspaper-pro/template-parts/common/single_two.php on line 117

মাহিদুল ইসলাম সবুজ- বৃটেন ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করলেও অনেক বৃটিশ নাগরিক চাচ্ছেন না ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের সাথে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন করতে। তাই অন্য অনেক বৃটিশ নাগরিকের মত বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পিতা স্ট্যানলি জনসন ফ্রেন্চ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন। স্ট্যানলি জনসনের মা এবং মাতামহ ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করেন। মায়ের সূত্র ধরে স্ট্যানলি জনসন ফ্রেন্চ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন বলে জানান। ৩১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ফ্রান্স ভিত্তিক রেডিও স্টেশন ‘আর টি এল‘ এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে নিজে এ তথ্য জানান স্ট্যানলি জনসন। আশি বছর বয়সী স্ট্যানলি জনসনের রয়েছে এক বর্ন্যাঢ্য রাজনৈতিক জীবন। আজীবন কনজারভেটিভ রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত এ রাজনৈতিক ১৯৭৯ সালে হয়েছিলেন মেম্বার অব ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট ( এম ই পি)। এছাড়া ১৯৭৩ হতে ১৯৭৯ পর্যন্ত কাজ করেছেন ইউরোপীয়ান কমিশনে। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ব্রেক্সিট গনভোটে স্ট্যানলি জনসন বৃটেনের ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। অপরদিকে তাঁর পুত্র বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ছিলেন বৃটেনের ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করার পক্ষের বড় সমর্থক। গনভোটে ৫২% -৪৮% ব্যাবধানে বৃটিশ জনগণ ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করার পক্ষে রায় প্রদান করে।এরই প্রেক্ষিতে বৃটেন ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের সাথে ৪৮ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে।

ব্রেক্সিট বিচ্ছদের ব্যাথা মনে হয় সইতে পারছেন না স্ট্যানলি জনসন। ‘আর টি এল‘ রেডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এটা নিশ্চিত যে আমি সব সময় ইউরোপীয়ান। কেউ বৃটিশ নাগরিকদের বলতে পারবে না যে তারা ইউরোপীয়ান নয়। ইউরোপ একটি একক বাজার থেকেও বড় কিছু। তাই ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের সাথে যুক্ত থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এর আগে তিনি বলেন, আমি যদি সঠিক ভাবে বুঝে থাকি, আমি একজন ফ্রেন্চ। আমার মা ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করেন। আমার মায়ের মা একজন পরিপূর্ণ ফ্রেন্চ নাগরিক ছিলেন এমনকি তার দাদাও। সুতরাং আমি এমন একটি জিনিস পুনরায় দাবি করছি যা আমার ছিল এবং এটি আমাকে আনন্দিত করবে।

উল্লেখ্য, স্ট্যানলি জনসনের ফ্রান্সের নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়াধীন এবং শীঘ্রই তিনি ফ্রান্সের নাগরিকত্ব পাবেন বলে আশাবাদী।

সূত্র: আইরিশ টাইমস/বিবিসি



ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ইতালির আরেচ্ছোতে বর্ণাঢ্য একুশে মেলা: মুসলিম কমিউনিটির কবরস্থান বাস্তবায়নের দাবী

ফ্রান্সের নাগরিক হতে আবেদন করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পিতা

আপডেট সময় ১০:৫৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ জানুয়ারী ২০২১

মাহিদুল ইসলাম সবুজ- বৃটেন ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করলেও অনেক বৃটিশ নাগরিক চাচ্ছেন না ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের সাথে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন করতে। তাই অন্য অনেক বৃটিশ নাগরিকের মত বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পিতা স্ট্যানলি জনসন ফ্রেন্চ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন। স্ট্যানলি জনসনের মা এবং মাতামহ ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করেন। মায়ের সূত্র ধরে স্ট্যানলি জনসন ফ্রেন্চ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন বলে জানান। ৩১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ফ্রান্স ভিত্তিক রেডিও স্টেশন ‘আর টি এল‘ এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে নিজে এ তথ্য জানান স্ট্যানলি জনসন। আশি বছর বয়সী স্ট্যানলি জনসনের রয়েছে এক বর্ন্যাঢ্য রাজনৈতিক জীবন। আজীবন কনজারভেটিভ রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত এ রাজনৈতিক ১৯৭৯ সালে হয়েছিলেন মেম্বার অব ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট ( এম ই পি)। এছাড়া ১৯৭৩ হতে ১৯৭৯ পর্যন্ত কাজ করেছেন ইউরোপীয়ান কমিশনে। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ব্রেক্সিট গনভোটে স্ট্যানলি জনসন বৃটেনের ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। অপরদিকে তাঁর পুত্র বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ছিলেন বৃটেনের ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করার পক্ষের বড় সমর্থক। গনভোটে ৫২% -৪৮% ব্যাবধানে বৃটিশ জনগণ ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করার পক্ষে রায় প্রদান করে।এরই প্রেক্ষিতে বৃটেন ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের সাথে ৪৮ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে।

ব্রেক্সিট বিচ্ছদের ব্যাথা মনে হয় সইতে পারছেন না স্ট্যানলি জনসন। ‘আর টি এল‘ রেডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এটা নিশ্চিত যে আমি সব সময় ইউরোপীয়ান। কেউ বৃটিশ নাগরিকদের বলতে পারবে না যে তারা ইউরোপীয়ান নয়। ইউরোপ একটি একক বাজার থেকেও বড় কিছু। তাই ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের সাথে যুক্ত থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এর আগে তিনি বলেন, আমি যদি সঠিক ভাবে বুঝে থাকি, আমি একজন ফ্রেন্চ। আমার মা ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করেন। আমার মায়ের মা একজন পরিপূর্ণ ফ্রেন্চ নাগরিক ছিলেন এমনকি তার দাদাও। সুতরাং আমি এমন একটি জিনিস পুনরায় দাবি করছি যা আমার ছিল এবং এটি আমাকে আনন্দিত করবে।

উল্লেখ্য, স্ট্যানলি জনসনের ফ্রান্সের নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়াধীন এবং শীঘ্রই তিনি ফ্রান্সের নাগরিকত্ব পাবেন বলে আশাবাদী।

সূত্র: আইরিশ টাইমস/বিবিসি