ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় সম্মেলন সম্পন্ন ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন জোরালো, সমর্থনে রাজপথে হাজারো মানুষ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ইউরোপে নির্মিত হচ্ছে প্রামাণ্যচিত্র, শুটিং শুরু ১৯ অক্টোবর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তায় যেসব আ. লীগ নেতার নাম আলোচনায় আট মাসে বিদেশে গেছেন সাড়ে ৪ লাখ কর্মী সরকারবিরোধী চক্রান্ত : সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে বাংলাদেশিদের ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ইইউর বিভিন্ন দেশে প্রায় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি বৈধভাবে বসবাস করছেন প্যারিস বিমানবন্দরে ইসরায়েলি কোম্পানির সামরিক চালান আটকে দিলেন কর্মীরা

বহুমাত্রিক চাপে ফরাসী প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ

  • আপডেট সময় ০৩:৩০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৮
  • ৯৬৭ বার পড়া হয়েছে

গত নির্বাচনে নজির বিহীন চমক দেখিয়ে ক্ষমতায় আসা ফ্রান্সের তরুণ প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দুই বছরের মাথায় প্রচন্ড চাপের মুখে পড়েছেন। একদিকে নানামুখী সংস্কার নিয়ে বিরুধী রাজনৈতিক দল ও শ্রমিক সংগঠনের আন্দোলন, বেকারত্ব বাড়ছে, ধারাবাহিকভাবে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন অন্যদিকে নানামুখী বিতর্ক। বেনালা বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক maréchal Pétain। 
আগামী রবিবার প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বীর সেনাদের স্মরণ অনুষ্টানে maréchal Pétain কে সম্মানিত করাকে কেন্দ্র করে ফ্রান্স জূড়ে চলছে তুমুল বিতর্ক ।
maréchal Pétain প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের হয়ে অসাধারণ বীরত্ব দেখিয়েছিলেন। ফরাসীরা তখন তাকে জাতীয় বীরের মর্যাদা দেয়। তবে সেই maréchal Pétain দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে নাৎসীদের সহায়তা করেন বলে অভিযোগ।  এজন্যই তাকে সম্মান জানাতে এই বিতর্ক। বিশেষত ফ্রান্সের ইহুদীরা কোনভাবেই ম্যাক্রোঁর এ পদক্ষেপকে মেনে নিতে পারছে না।
অবশ্য ম্যক্রোঁ একে একটি নয় নিম্ন মানের বিতর্ক বলে অভিহিত করেছেন।
এছাড়া গ্যাস,বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ জনগণও মারাত্মক অসন্তু। ক্ষমতায় আসার সময় দেয়া বিভিন্ন চটকদার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নেও রয়েছে গড়িমসি।
এসব বিতর্কের বাইরেও আছে সামনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচন।  সেখানেও সর্বশেষ জরীপে ম্যাক্রোঁর দলের জনপ্রিয়তা কমার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বরং কট্টরপন্থী মারিন ল্য পেনের নতুন দলের ভাল করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
উপরন্তু রয়েছে আন্তর্জাতিক ইস্যু। ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের মিত্র ব্রিটেনের সাথে একধরনের তিক্ততার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিশেল বার্নার্ড একে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে খারাপ সম্পর্ক বলে মত দিয়েছেন। এছাড়া রয়েছে ট্রাম্পের নীতি যা ন্যাটোসহ ইউরোপীয় মিত্রদের অস্বস্তির মাঝে ফেলে দিয়েছে।
এসব বিবেচনায় দুই বছর যেতে না যেতে তরুন এ প্রেসিডেন্টের কপালে ভাঁজ কেবল লম্বা হচ্ছে। দেখা যাক এ নানামুখী চাপ কিচাবে সামাল দেন ম্যাক্রোঁ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স

বহুমাত্রিক চাপে ফরাসী প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ

আপডেট সময় ০৩:৩০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৮

গত নির্বাচনে নজির বিহীন চমক দেখিয়ে ক্ষমতায় আসা ফ্রান্সের তরুণ প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দুই বছরের মাথায় প্রচন্ড চাপের মুখে পড়েছেন। একদিকে নানামুখী সংস্কার নিয়ে বিরুধী রাজনৈতিক দল ও শ্রমিক সংগঠনের আন্দোলন, বেকারত্ব বাড়ছে, ধারাবাহিকভাবে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন অন্যদিকে নানামুখী বিতর্ক। বেনালা বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক maréchal Pétain। 
আগামী রবিবার প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বীর সেনাদের স্মরণ অনুষ্টানে maréchal Pétain কে সম্মানিত করাকে কেন্দ্র করে ফ্রান্স জূড়ে চলছে তুমুল বিতর্ক ।
maréchal Pétain প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের হয়ে অসাধারণ বীরত্ব দেখিয়েছিলেন। ফরাসীরা তখন তাকে জাতীয় বীরের মর্যাদা দেয়। তবে সেই maréchal Pétain দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে নাৎসীদের সহায়তা করেন বলে অভিযোগ।  এজন্যই তাকে সম্মান জানাতে এই বিতর্ক। বিশেষত ফ্রান্সের ইহুদীরা কোনভাবেই ম্যাক্রোঁর এ পদক্ষেপকে মেনে নিতে পারছে না।
অবশ্য ম্যক্রোঁ একে একটি নয় নিম্ন মানের বিতর্ক বলে অভিহিত করেছেন।
এছাড়া গ্যাস,বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ জনগণও মারাত্মক অসন্তু। ক্ষমতায় আসার সময় দেয়া বিভিন্ন চটকদার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নেও রয়েছে গড়িমসি।
এসব বিতর্কের বাইরেও আছে সামনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচন।  সেখানেও সর্বশেষ জরীপে ম্যাক্রোঁর দলের জনপ্রিয়তা কমার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বরং কট্টরপন্থী মারিন ল্য পেনের নতুন দলের ভাল করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
উপরন্তু রয়েছে আন্তর্জাতিক ইস্যু। ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের মিত্র ব্রিটেনের সাথে একধরনের তিক্ততার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিশেল বার্নার্ড একে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে খারাপ সম্পর্ক বলে মত দিয়েছেন। এছাড়া রয়েছে ট্রাম্পের নীতি যা ন্যাটোসহ ইউরোপীয় মিত্রদের অস্বস্তির মাঝে ফেলে দিয়েছে।
এসব বিবেচনায় দুই বছর যেতে না যেতে তরুন এ প্রেসিডেন্টের কপালে ভাঁজ কেবল লম্বা হচ্ছে। দেখা যাক এ নানামুখী চাপ কিচাবে সামাল দেন ম্যাক্রোঁ।