ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই আমাদের লক্ষ্য : সংসদে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে বিরোধী দলের প্রতিবাদ, ওয়াক আউট মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন নাসীরুদ্দীন হাদি হত্যার আসামিদের ফেরত পাঠানোর প্রশ্নে জবাব দেয়নি ভারত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ফ্রান্সে কুলাউড়া উপজেলা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ শুরু ফেঞ্চুগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর বড় অভিযান: তিন দশকের সন্ত্রাসের অবসান

বিদেশে অবস্থানরত যে কেউ প্রবাসী বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবেন

  • আপডেট সময় ০৪:০৩:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯
  • ২১৬ বার পড়া হয়েছে

বিদেশে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি নাগরিক ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে টাকা জমা রাখতে পারবেন। ব্যাংকে টাকা রাখার মতোই এটি সহজ। সোমবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানিয়েছে।
দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি সব নাগরিক অর্থাৎ সব প্রবাসী তাদের উপার্জিত অর্থের বিপরীতে এই বন্ড কিনতে পারবেন। ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড রুলস-১৯৮১ অনুযায়ী বন্ড কিনতে কোনও বাধা নেই।
প্রসঙ্গত, একজন প্রবাসী কী পরিমাণ বন্ড কিনতে পারবেন, সে ব্যাপারেও কোনও বিধিনিষেধ নেই।
জানা গেছে, বিদেশে অবস্থান করেন এমন যেকোনও বাংলাদেশি প্রবাসী বন্ডে বিনিয়োগ করে ১২ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা নিতে পারেন। এর সবই বাংলাদেশ সঞ্চয় অধিদফতরের চালু করা বন্ড। ১৯৮৮ সালে চালু হওয়া ৫ বছর মেয়াদি ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ২০০২ সালে চালু হওয়া ৩ বছর মেয়াদি ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড বিনিয়োগ করে এ সুবিধা পাওয়া যাবে।
এসব বন্ড বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউস, দেশি ব্যাংকের বিদেশি যেকোনও শাখা এবং বাংলাদেশের ব্যাংক শাখায় পাওয়া যায়। এতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আয়ে করমুক্ত সুবিধা মেলে। আবার এর বিপরীতে দেশি ব্যাংক থেকে ঋণও পাওয়া যায়।
জানা গেছে, ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড ৫ বছর মেয়াদি। এই বন্ডে ২৫ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। মেয়াদ শেষে মুনাফা পাওয়া যায় ১২ শতাংশ। প্রতি ৬ মাস পরপর মুনাফা তোলার সুযোগ রয়েছে। ৮ কোটি টাকা বা তার বেশি বিনিয়োগ করলে সিআইপি সুবিধা পাওয়া যাবে। প্রবাসী ছাড়াও এ বন্ড কিনতে পারেন বিদেশে লিয়েনে কর্মরত বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

সিলেটের ডিসির সহায়তা : কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন মঙ্গল দাস

বিদেশে অবস্থানরত যে কেউ প্রবাসী বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবেন

আপডেট সময় ০৪:০৩:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯

বিদেশে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি নাগরিক ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে টাকা জমা রাখতে পারবেন। ব্যাংকে টাকা রাখার মতোই এটি সহজ। সোমবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানিয়েছে।
দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি সব নাগরিক অর্থাৎ সব প্রবাসী তাদের উপার্জিত অর্থের বিপরীতে এই বন্ড কিনতে পারবেন। ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড রুলস-১৯৮১ অনুযায়ী বন্ড কিনতে কোনও বাধা নেই।
প্রসঙ্গত, একজন প্রবাসী কী পরিমাণ বন্ড কিনতে পারবেন, সে ব্যাপারেও কোনও বিধিনিষেধ নেই।
জানা গেছে, বিদেশে অবস্থান করেন এমন যেকোনও বাংলাদেশি প্রবাসী বন্ডে বিনিয়োগ করে ১২ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা নিতে পারেন। এর সবই বাংলাদেশ সঞ্চয় অধিদফতরের চালু করা বন্ড। ১৯৮৮ সালে চালু হওয়া ৫ বছর মেয়াদি ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ২০০২ সালে চালু হওয়া ৩ বছর মেয়াদি ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড বিনিয়োগ করে এ সুবিধা পাওয়া যাবে।
এসব বন্ড বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউস, দেশি ব্যাংকের বিদেশি যেকোনও শাখা এবং বাংলাদেশের ব্যাংক শাখায় পাওয়া যায়। এতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আয়ে করমুক্ত সুবিধা মেলে। আবার এর বিপরীতে দেশি ব্যাংক থেকে ঋণও পাওয়া যায়।
জানা গেছে, ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড ৫ বছর মেয়াদি। এই বন্ডে ২৫ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। মেয়াদ শেষে মুনাফা পাওয়া যায় ১২ শতাংশ। প্রতি ৬ মাস পরপর মুনাফা তোলার সুযোগ রয়েছে। ৮ কোটি টাকা বা তার বেশি বিনিয়োগ করলে সিআইপি সুবিধা পাওয়া যাবে। প্রবাসী ছাড়াও এ বন্ড কিনতে পারেন বিদেশে লিয়েনে কর্মরত বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও।