ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
স্টারমার সরকারের আরও এক মন্ত্রীর পদত্যাগ হান্টা ভাইরাসে আক্রান্ত ৮ জনের শরীরে অ্যান্ডিজ ভাইরাস শনাক্ত ফ্রান্সের সমুদ্রতীরবর্তী শহরে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে শুরু ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসব ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় চাপে ফ্রান্সের শিক্ষার্থীরা উপ্ত-সুপ্ত-গুপ্ত-লুপ্ত: রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব নিউইয়র্কের জ‍্যাকসন হাইটসে ৪০তম ফোবানার ১ম টাউন হল সভা অনুষ্ঠিত হান্টাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি কতটা, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিজ দলেরই ৮১ এমপি পদত্যাগ চাইলেন স্টারমারের পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের সানু মিয়া ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন- স্মরণ সভায় বক্তারা

মালালার চেয়ে যেদিক থেকে এগিয়ে বাংলাদেশের আরিফ

  • আপডেট সময় ০১:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ২১৩ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ পাকিস্তানের নোবেল জয়ী মালালা’র নাম সবাই জানি। নারী শিক্ষা নিয়ে করা তার আন্দোলন তাকে নোবেলজয়ী করে সারাবিশ্বে পরিচয় করে দিয়েছে।কিন্তু নোবেলজয়ী হয়ে এখন খুব একটা সরব থাকতে দেখা যায় না পাকিস্তানি এই বুলেট কন্যাকে।স্বয়ং পাকিস্তানের বিভিন্ন সাংবাদিক ফেসবুক সহ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে সমালোচনা করেছেন মালালা ইউসুফের৷তারা বলছেন, একজন নোবেলজয়ী হিসেবে মালালা কে খুব একটা সরব থাকতে দেখা যায় না বিশ্বের নিপীড়ন স্বীকার শিশুদের অধিকার আদায়ে৷ পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডনের সাংবাদিক রাদেল তাফানিয়াহ সম্প্রতি বলেছেন, মালালা নোবেলজয়ী হিসেবে ভারত পাকিস্তানের নিপীড়ন স্বীকার শিশুদের জন্য এগিয়ে আসা উচিৎ ছিলো ও এই ব্যাপারে চাইলে অনেককিছু সে করতে পারতো। অন্যদিকে বাংলাদেশে বর্তমানে তুমুল আলোচিত শিশু মানবাধিকারকর্মী ও জনপ্রিয় কিডস মিডিয়ার নির্বাহী পরিচালক আরিফ রহমান শিবলী।বাংলাদেশে পরিচালিত নিজের কাজের দক্ষতায় মাত্র কয়েক বছরে ই জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ ও মার্কিন ভিত্তিক এনজিও সেভ দ্যা চিলড্রেনস নজর কাড়েন ও প্রশংসা পান আরিফ।২০১৪ সালে জাতিসংঘের বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন এই তরুন।২০১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় দুইশো’র বেশী অসচ্ছল শিক্ষার্থী আরিফের সহায়তায় স্কুল কলেজে ফিরে গেছে। শিশুদের উপর চলা বিভিন্ন হত্যা, হামলা বন্ধে সবাইকে সোচ্চার করতে ইতিমধ্যে সক্ষম হয়েছে বলে দেশের একাধিক টিভি চ্যানেল প্রধান বার্তা সম্পাদক ‘গন মনে করেন। সালিশের নামে শিশু অত্যাচার বন্ধে বাংলাদেশী তরুনের ফেসবুক পোস্ট দেখে বিশ্বের ৩১ টি দেশের নাগরিক প্রতিবাদ জানায়। যেটা আন্তর্জাতিক মহলে আরিফের জনপ্রিয়তা দিনে দিনে সমানতালে বাড়ছে ও গ্রহনযোগ্যতা রয়েছে তার ই প্রমাণ বলে মনে করেন নেপালী সাংবাদিক অংতা রাংগুইন ।আরিফ সম্পর্কে এই প্রতিবেদককে জনপ্রিয় নেপালী সাংবাদিক অংতা রাংগুইন বলেন, নেপালী ভুমিকম্পে আরিফের দ্রুত সহায়তা কিংবা শ্রীলঙ্কায় সুনামীর পর এগিয়ে যাওয়া তার বড় মনের পরিচয় পাশাপাশি দক্ষিন এশীয় অঞ্চলে তার অদুর ভবিষৎ শক্ত অবস্থান হতে খুব বেশী সময় লাগবেনা।ভারতীয় সাংবাদিক কারেলা মন্ডোল বলেছেন, তার চোখে পাকিস্তানের নোবেল জয়ী মালালা’র চেয়ে আরিফের কাজ বেশী পছন্দের এবং সে একদিন বাংলাদেশ নয় বিশ্ব শিশুদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে। ঢাকায় অবস্থানরত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিভিন্ন সাংবাদিক, কুটনৈতিক গন মনে করেন বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা বাড়ালে আরিদ অল্প সময়ের মাঝে ই বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

স্টারমার সরকারের আরও এক মন্ত্রীর পদত্যাগ

মালালার চেয়ে যেদিক থেকে এগিয়ে বাংলাদেশের আরিফ

আপডেট সময় ০১:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ পাকিস্তানের নোবেল জয়ী মালালা’র নাম সবাই জানি। নারী শিক্ষা নিয়ে করা তার আন্দোলন তাকে নোবেলজয়ী করে সারাবিশ্বে পরিচয় করে দিয়েছে।কিন্তু নোবেলজয়ী হয়ে এখন খুব একটা সরব থাকতে দেখা যায় না পাকিস্তানি এই বুলেট কন্যাকে।স্বয়ং পাকিস্তানের বিভিন্ন সাংবাদিক ফেসবুক সহ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে সমালোচনা করেছেন মালালা ইউসুফের৷তারা বলছেন, একজন নোবেলজয়ী হিসেবে মালালা কে খুব একটা সরব থাকতে দেখা যায় না বিশ্বের নিপীড়ন স্বীকার শিশুদের অধিকার আদায়ে৷ পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডনের সাংবাদিক রাদেল তাফানিয়াহ সম্প্রতি বলেছেন, মালালা নোবেলজয়ী হিসেবে ভারত পাকিস্তানের নিপীড়ন স্বীকার শিশুদের জন্য এগিয়ে আসা উচিৎ ছিলো ও এই ব্যাপারে চাইলে অনেককিছু সে করতে পারতো। অন্যদিকে বাংলাদেশে বর্তমানে তুমুল আলোচিত শিশু মানবাধিকারকর্মী ও জনপ্রিয় কিডস মিডিয়ার নির্বাহী পরিচালক আরিফ রহমান শিবলী।বাংলাদেশে পরিচালিত নিজের কাজের দক্ষতায় মাত্র কয়েক বছরে ই জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ ও মার্কিন ভিত্তিক এনজিও সেভ দ্যা চিলড্রেনস নজর কাড়েন ও প্রশংসা পান আরিফ।২০১৪ সালে জাতিসংঘের বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন এই তরুন।২০১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় দুইশো’র বেশী অসচ্ছল শিক্ষার্থী আরিফের সহায়তায় স্কুল কলেজে ফিরে গেছে। শিশুদের উপর চলা বিভিন্ন হত্যা, হামলা বন্ধে সবাইকে সোচ্চার করতে ইতিমধ্যে সক্ষম হয়েছে বলে দেশের একাধিক টিভি চ্যানেল প্রধান বার্তা সম্পাদক ‘গন মনে করেন। সালিশের নামে শিশু অত্যাচার বন্ধে বাংলাদেশী তরুনের ফেসবুক পোস্ট দেখে বিশ্বের ৩১ টি দেশের নাগরিক প্রতিবাদ জানায়। যেটা আন্তর্জাতিক মহলে আরিফের জনপ্রিয়তা দিনে দিনে সমানতালে বাড়ছে ও গ্রহনযোগ্যতা রয়েছে তার ই প্রমাণ বলে মনে করেন নেপালী সাংবাদিক অংতা রাংগুইন ।আরিফ সম্পর্কে এই প্রতিবেদককে জনপ্রিয় নেপালী সাংবাদিক অংতা রাংগুইন বলেন, নেপালী ভুমিকম্পে আরিফের দ্রুত সহায়তা কিংবা শ্রীলঙ্কায় সুনামীর পর এগিয়ে যাওয়া তার বড় মনের পরিচয় পাশাপাশি দক্ষিন এশীয় অঞ্চলে তার অদুর ভবিষৎ শক্ত অবস্থান হতে খুব বেশী সময় লাগবেনা।ভারতীয় সাংবাদিক কারেলা মন্ডোল বলেছেন, তার চোখে পাকিস্তানের নোবেল জয়ী মালালা’র চেয়ে আরিফের কাজ বেশী পছন্দের এবং সে একদিন বাংলাদেশ নয় বিশ্ব শিশুদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে। ঢাকায় অবস্থানরত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিভিন্ন সাংবাদিক, কুটনৈতিক গন মনে করেন বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা বাড়ালে আরিদ অল্প সময়ের মাঝে ই বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম।