ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশের স্বাদ, প্রবাসের আভিজাত্য—রোমে বর্ণিল আলোকসজ্জা, নান্দনিক ডেকোরেশন শখের হাঁড়ি’ রেস্টুরেন্টের যাত্রা প্যারিসের ১৮তম অ্যারোন্দিসমঁতে বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবসে ৩৫০ স্বেচ্ছাসেবীর পরিচ্ছন্নতা অভিযান টানা তৃতীয়বার Emirates Italy Awards-এর স্বীকৃতি পেল ইতালির বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান Popular Travels & Tours আজির উদ্দিনের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে জালালাবাদ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের সংবর্ধনা ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্যারিসের লাখুর্নভে বিস্ফোরণে নিহত নাহিল এর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন পর্তুগালে বদলে গেল রেসিডেন্সের নিয়ম ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা ব্যালন ডি’অর নিয়ে এমবাপ্পের বিতর্কিত মন্তব্য

যুক্তরাষ্ট্রে দারিদ্র্যে দ্বিতীয় বাংলাদেশিরা

  • আপডেট সময় ১২:৩৩:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০১৯
  • ৩৮৮ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে বেশিরভাগের চেয়েই বেশি দরিদ্র বাংলাদেশিরা। অলাভজনক সংগঠন সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লিডিং টুগেদারের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালের পর থেকে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও দারিদ্রতার দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন তারা।
বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার প্রায় ৫০ লাখ অভিবাসীর বসবাস যুক্তরাষ্ট্রে। ২০১০ সালের আদমশুমারি এবং ২০১৭ সালের আমেরিকান কমিউনিটি সার্ভের ওপর নির্ভর করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৬৫ সালের মধ্যে এশিয়ান আমেরিকানরাই হবে সর্ববৃহৎ অভিবাসী জনগোষ্ঠী। দেশটিতে বিগত বছরগুলোতে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে নেপালি অভিবাসী। তাদের বৃদ্ধির হার ২০৬ শতাংশ। আর ভারতীয়দের সংখ্যা বেড়েছে ৩৮ শতাংশ।

তবে সেখানে বসবাসরতদের মধ্যে আর্থিক বৈষম্য প্রকট। ৫০ লাখ দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে ১০ শতাংশই দারিদ্রতায় দিন কাটাচ্ছে। সবচেয়ে করুণ পরিস্থিতি বাংলাদেশি ও নেপালিদের। বাংলাদেশিদের আয় ৪৯ হাজার ৮০০ ডলার। আর নেপালিদের ৪৩ হাজার ৫০০ ডলার।
নাগরিকত্ব না পাওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রায় ৬১ শতাংশই চারটি সরকারি সুবিধার মধ্যে অন্তত একটি পেয়ে থাকে। পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে এই হার ৪৮ শতাংশ আর ভারতের ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ। তবে অনথিভুক্ত ভারতীয়দের সংখ্যা ৬ লাখ ৩০ হাজার। ২০১০ সাল থেকে যা ৭২ শতাংশ বেশি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও থাকছেন ভারতীয়রা। ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ছিলো আড়াই লাখ। তাই তাদের অনথিভুক্ত বিবেচনা করা হচ্ছে।
সংস্থাটির অন্তর্বতীকালীন সহ-নির্বাহী পরিচালক লক্ষ্মী শ্রীদারন বলেন, ‘আমরা আমাদের কমিউনিটিকে বাড়তে দেখেছি। যেকোনও সময়ের চেয়ে এখনই তাদের প্রয়োজন বোঝা সবচেয়ে জরুরি। ২০২০ সালের আদমশুমারিতে আমাদের এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত প্রয়োজন।
আগামী আদম শুমারিতে নাগরিকত্ব প্রদান প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প প্রশাসন। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই গণনা থেকে অনেকে বাদ পরবেন। বিশেষ করে ৬ লাখ দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীকে গণনাই করা হয় না। বঞ্চিত হবেন আরও হাজার হাজার মানুষ। লক্ষ্মী বলেন, এতে করে যাদের সহায়তা বেশি প্রয়েৃাজন তারাই বাদ পড়ে যেতে পারেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

দেশের স্বাদ, প্রবাসের আভিজাত্য—রোমে বর্ণিল আলোকসজ্জা, নান্দনিক ডেকোরেশন শখের হাঁড়ি’ রেস্টুরেন্টের যাত্রা

যুক্তরাষ্ট্রে দারিদ্র্যে দ্বিতীয় বাংলাদেশিরা

আপডেট সময় ১২:৩৩:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০১৯

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে বেশিরভাগের চেয়েই বেশি দরিদ্র বাংলাদেশিরা। অলাভজনক সংগঠন সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লিডিং টুগেদারের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালের পর থেকে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও দারিদ্রতার দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন তারা।
বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার প্রায় ৫০ লাখ অভিবাসীর বসবাস যুক্তরাষ্ট্রে। ২০১০ সালের আদমশুমারি এবং ২০১৭ সালের আমেরিকান কমিউনিটি সার্ভের ওপর নির্ভর করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৬৫ সালের মধ্যে এশিয়ান আমেরিকানরাই হবে সর্ববৃহৎ অভিবাসী জনগোষ্ঠী। দেশটিতে বিগত বছরগুলোতে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে নেপালি অভিবাসী। তাদের বৃদ্ধির হার ২০৬ শতাংশ। আর ভারতীয়দের সংখ্যা বেড়েছে ৩৮ শতাংশ।

তবে সেখানে বসবাসরতদের মধ্যে আর্থিক বৈষম্য প্রকট। ৫০ লাখ দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে ১০ শতাংশই দারিদ্রতায় দিন কাটাচ্ছে। সবচেয়ে করুণ পরিস্থিতি বাংলাদেশি ও নেপালিদের। বাংলাদেশিদের আয় ৪৯ হাজার ৮০০ ডলার। আর নেপালিদের ৪৩ হাজার ৫০০ ডলার।
নাগরিকত্ব না পাওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রায় ৬১ শতাংশই চারটি সরকারি সুবিধার মধ্যে অন্তত একটি পেয়ে থাকে। পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে এই হার ৪৮ শতাংশ আর ভারতের ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ। তবে অনথিভুক্ত ভারতীয়দের সংখ্যা ৬ লাখ ৩০ হাজার। ২০১০ সাল থেকে যা ৭২ শতাংশ বেশি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও থাকছেন ভারতীয়রা। ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ছিলো আড়াই লাখ। তাই তাদের অনথিভুক্ত বিবেচনা করা হচ্ছে।
সংস্থাটির অন্তর্বতীকালীন সহ-নির্বাহী পরিচালক লক্ষ্মী শ্রীদারন বলেন, ‘আমরা আমাদের কমিউনিটিকে বাড়তে দেখেছি। যেকোনও সময়ের চেয়ে এখনই তাদের প্রয়োজন বোঝা সবচেয়ে জরুরি। ২০২০ সালের আদমশুমারিতে আমাদের এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত প্রয়োজন।
আগামী আদম শুমারিতে নাগরিকত্ব প্রদান প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প প্রশাসন। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই গণনা থেকে অনেকে বাদ পরবেন। বিশেষ করে ৬ লাখ দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীকে গণনাই করা হয় না। বঞ্চিত হবেন আরও হাজার হাজার মানুষ। লক্ষ্মী বলেন, এতে করে যাদের সহায়তা বেশি প্রয়েৃাজন তারাই বাদ পড়ে যেতে পারেন।