ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অনুপস্থিতির অদৃশ্য মহাকর্ষ- মেশকাতুন নাহার প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই আমাদের লক্ষ্য : সংসদে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে বিরোধী দলের প্রতিবাদ, ওয়াক আউট মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন নাসীরুদ্দীন হাদি হত্যার আসামিদের ফেরত পাঠানোর প্রশ্নে জবাব দেয়নি ভারত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ফ্রান্সে কুলাউড়া উপজেলা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ শুরু ফেঞ্চুগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

সন্তান ধারণে সমস্যার নেপথ্যে যেসব কারণ

  • আপডেট সময় ০৬:২৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮
  • ৩২২ বার পড়া হয়েছে

সব দম্পতিই বাবা-মা হতে চান। কিন্তু অনেক সময়ই সন্তান ধারণে সমস্যা দেখা দেয়।
গবেষণা বলছে, গত কয়েক বছরে ভারতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন দম্পতি সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েছেন। একরকম নয়, নানাধরনের বিষয়ই বাধা হয়ে দাঁড়ায় এক্ষেত্রে।
সন্তান ধারণে যে নারীরাই সমস্যায় পড়েন, তেমনটা নয়। ৩১ বছর বয়সের উর্ধ্বে প্রায় ৪০ শতাংশ পুরুষও বন্ধ্যাত্বের শিকার। কিন্তু কেন দিনের পর দিন এই সংখ্যাটা বেড়ে চলেছে? বিশেষ পাঁচটি কারণ তুলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা।
গবেষকদের মতে, বর্তমান লাইফস্টাইলই এর জন্য দায়ী। খাওয়া-দাওয়ার অনিয়ম, সুস্থ পরিবেশে থাকার অভাব, অবাধ যৌনজীবনই বন্ধ্যাত্বের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই চিকিৎসকদের সর্বপ্রথম পরামর্শ, সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে সুস্থ জীবনযাপন করা অত্যন্ত জরুরি। নাহলে সংসারে নতুন সদস্য আনার প্ল্যান মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলাই শ্রেয়।
ভাল বাবা-মা হতে হলে আপনাকেও তো পরিশ্রম করতে হবে। তাই এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন।
বয়স:
সন্তান ধারণে বয়স একটা বড় ফ্যাক্টর। ২০ বছর বয়সে আপনি কীরকম জীবনযাপন করছেন, তা এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে। ৩৫ বছরের মধ্যে মহিলারা গর্ভধারণ করতে পারলেই তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। ছেলেদের ক্ষেত্রে সেই বয়সটা ৪০-এর মধ্যে।

ওজন:
অতিরিক্ত বেশি কিংবা অতিরিক্ত কম ওজন বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণ হতে পারে। কম ওজন হলে নারীদের হরমোনের ব্যালেন্স সঠিক থাকে না। ফলে গর্ভধারণে সমস্যায় পড়তে হয়। একই অসুবিধা হয়ে থাকে পুরুষদের ক্ষেত্রেও।

ধূমপান:
শ্বাসকষ্ট, তো বটেই, ধূমপান ক্যানসারের মতো মারণরোগও ডেকে আনে। কিন্তু জানেন কি, ধূমপান মহিলাদের সন্তান ধারণের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়? সিগারেট শরীরের ফ্যালোপাইন টিউবকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। যা ডিম্বানু গর্ভে মসৃণভাবে পৌঁছাতে পারে না।

মানসিক চাপ:
মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা নানাভাবেই শরীরে খারাপ প্রভাব ফেলে। এ থেকে হার্টের অসুখ, অ্যাজমা-সহ মানসিক রোগও হতে পারে। শুধু তাই নয়, বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণও দুশ্চিন্তা। মানসিক চাপ পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট ও স্পার্মের গুণাগুণ নষ্ট করে। এক্ষেত্রে নারীদের ডিম্বস্ফোটনে সমস্যা হয়।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

অনুপস্থিতির অদৃশ্য মহাকর্ষ- মেশকাতুন নাহার

সন্তান ধারণে সমস্যার নেপথ্যে যেসব কারণ

আপডেট সময় ০৬:২৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮

সব দম্পতিই বাবা-মা হতে চান। কিন্তু অনেক সময়ই সন্তান ধারণে সমস্যা দেখা দেয়।
গবেষণা বলছে, গত কয়েক বছরে ভারতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন দম্পতি সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েছেন। একরকম নয়, নানাধরনের বিষয়ই বাধা হয়ে দাঁড়ায় এক্ষেত্রে।
সন্তান ধারণে যে নারীরাই সমস্যায় পড়েন, তেমনটা নয়। ৩১ বছর বয়সের উর্ধ্বে প্রায় ৪০ শতাংশ পুরুষও বন্ধ্যাত্বের শিকার। কিন্তু কেন দিনের পর দিন এই সংখ্যাটা বেড়ে চলেছে? বিশেষ পাঁচটি কারণ তুলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা।
গবেষকদের মতে, বর্তমান লাইফস্টাইলই এর জন্য দায়ী। খাওয়া-দাওয়ার অনিয়ম, সুস্থ পরিবেশে থাকার অভাব, অবাধ যৌনজীবনই বন্ধ্যাত্বের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই চিকিৎসকদের সর্বপ্রথম পরামর্শ, সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে সুস্থ জীবনযাপন করা অত্যন্ত জরুরি। নাহলে সংসারে নতুন সদস্য আনার প্ল্যান মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলাই শ্রেয়।
ভাল বাবা-মা হতে হলে আপনাকেও তো পরিশ্রম করতে হবে। তাই এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন।
বয়স:
সন্তান ধারণে বয়স একটা বড় ফ্যাক্টর। ২০ বছর বয়সে আপনি কীরকম জীবনযাপন করছেন, তা এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে। ৩৫ বছরের মধ্যে মহিলারা গর্ভধারণ করতে পারলেই তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। ছেলেদের ক্ষেত্রে সেই বয়সটা ৪০-এর মধ্যে।

ওজন:
অতিরিক্ত বেশি কিংবা অতিরিক্ত কম ওজন বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণ হতে পারে। কম ওজন হলে নারীদের হরমোনের ব্যালেন্স সঠিক থাকে না। ফলে গর্ভধারণে সমস্যায় পড়তে হয়। একই অসুবিধা হয়ে থাকে পুরুষদের ক্ষেত্রেও।

ধূমপান:
শ্বাসকষ্ট, তো বটেই, ধূমপান ক্যানসারের মতো মারণরোগও ডেকে আনে। কিন্তু জানেন কি, ধূমপান মহিলাদের সন্তান ধারণের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়? সিগারেট শরীরের ফ্যালোপাইন টিউবকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। যা ডিম্বানু গর্ভে মসৃণভাবে পৌঁছাতে পারে না।

মানসিক চাপ:
মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা নানাভাবেই শরীরে খারাপ প্রভাব ফেলে। এ থেকে হার্টের অসুখ, অ্যাজমা-সহ মানসিক রোগও হতে পারে। শুধু তাই নয়, বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণও দুশ্চিন্তা। মানসিক চাপ পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট ও স্পার্মের গুণাগুণ নষ্ট করে। এক্ষেত্রে নারীদের ডিম্বস্ফোটনে সমস্যা হয়।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন