ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি নিউ স্টার ফুটবল ক্লাব রতনপুরের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম সংবর্ধিত বালাগঞ্জে শান্তিপুর্ণভাবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন : চমক দেখিয়ে আনহার মিয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে ফরাসি জাতীয়তা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত প্যারিসে Point d’Aide – এইড পয়েন্ট এর নতুন অফিসের উদ্বোধন তরুণ সাহিত্যিক সাদাত হোসাইনকে প্যারিসে সংবর্ধনা দিলো ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশীরা গাজীপুর জেলা সমিতি,ফ্রান্স’র দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত : ফারুক খান সভাপতি, জুয়েল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত কেবল উপবাসের নামই সিয়াম নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষাই সিয়াম ফ্রান্সে একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য ‘বাংলাদেশ সমিতি’র তাগিদ, একটি প্রস্তাবনা শিশু কিশোরদের নানা ইভেন্ট নিয়ে ইপিএস কমিউনিটি ফ্রান্সের স্বাধীনতা দিবস পালন

সপ্তাহান্তে ফ্রান্সসহ ইউরোপ ফিরছে গ্রীষ্মকালীন সময়ে : এবারই শেষ বারেরমত এমন পরিবর্তন?

  • আপডেট সময় ১১:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮
  • ১৩৪৬ বার পড়া হয়েছে

আসছে শনিবার দিবাগত রাতে অর্থাৎ রোববার (২৫ মার্চ) রাত দুইটায় ফ্রান্সসহ ইউরোপের ঘড়ির কাটা একঘণ্টা এগিয়ে নিয়ে আসা হবে। অর্থাৎ এদিন রাত ২ টায় ঘড়ির কাটা একটা বাড়িয়ে ৩ টায় নিয়ে আসা হবে। আধুনিক স্মার্ট ফোন বা স্মার্ট ঘড়িতে সয়ংক্রিয়ভাবে এ পরিবর্তন পরিলক্ষিত হবে। তবে এনালগ ফোন বা ঘড়ির কাটা নিজে থেকে এগিয়ে আনতে হবে। তবে ফ্রান্সসহ ইউরোপে এবারই শেষবারের মত এ ডে লাইট সেইভিং সিস্টেম ব্যবহার হতে পারে। কারন ইউরোপীয় পার্লামেন্টে এ প্রথা বন্ধ করার একটি বিল আনা হয়েছে, যেখানে পার্লামেন্ট সদস্যরা তা বাতিলের পক্ষে মত দিচ্ছেন। অবশ্য বিলটি পাশ হতে পার্লামেন্টের নিরংকুশ সমর্থন দরকার। ইউরোপীয় জনগণের মধ্যে এ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী জনমত আছে যারা ঘড়ির কাটার এমন পরিবর্তন চান না।

মূলত সূর্যের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ফ্রান্সসহ সমগ্র ইউরোপ এ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। এ পদ্ধতিতে মার্চ মাসের শেষ রোববার মধ্য রাতে ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা সামনে নিয়ে আসা হয় যাকে গ্রীষ্মকালীন সময় বলা হয়ে থাকে। আবার অক্টোবরের শেষ রবিবার ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা পেছনে নিয়ে আসা হয় যাকে শীতকালীন সময় বলা হয়। মূলত শীতকালে দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ঘড়ির কাটার এমন পরিবর্তন আনা হয়ে থাকে।

তবে ফ্রান্সসহ ইউরোপে এবারই শেষবারের মত এ ডে লাইট সেইভিং সিস্টেম ব্যবহার হতে পারে। কারন ইউরোপীয় পার্লামেন্টে এ প্রথা বন্ধ করার একটি বিল আনা হয়েছে, যেখানে পার্লামেন্ট সদস্যরা তা বাতিলের পক্ষে মত দিচ্ছেন। অবশ্য বিলটি পাশ হতে পার্লামেন্টের নিরংকুশ সমর্থন দরকার। আর তা পাশ হলে এবারই শেষ বারের মত ঘড়ির কাটার এ পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি

সপ্তাহান্তে ফ্রান্সসহ ইউরোপ ফিরছে গ্রীষ্মকালীন সময়ে : এবারই শেষ বারেরমত এমন পরিবর্তন?

আপডেট সময় ১১:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

আসছে শনিবার দিবাগত রাতে অর্থাৎ রোববার (২৫ মার্চ) রাত দুইটায় ফ্রান্সসহ ইউরোপের ঘড়ির কাটা একঘণ্টা এগিয়ে নিয়ে আসা হবে। অর্থাৎ এদিন রাত ২ টায় ঘড়ির কাটা একটা বাড়িয়ে ৩ টায় নিয়ে আসা হবে। আধুনিক স্মার্ট ফোন বা স্মার্ট ঘড়িতে সয়ংক্রিয়ভাবে এ পরিবর্তন পরিলক্ষিত হবে। তবে এনালগ ফোন বা ঘড়ির কাটা নিজে থেকে এগিয়ে আনতে হবে। তবে ফ্রান্সসহ ইউরোপে এবারই শেষবারের মত এ ডে লাইট সেইভিং সিস্টেম ব্যবহার হতে পারে। কারন ইউরোপীয় পার্লামেন্টে এ প্রথা বন্ধ করার একটি বিল আনা হয়েছে, যেখানে পার্লামেন্ট সদস্যরা তা বাতিলের পক্ষে মত দিচ্ছেন। অবশ্য বিলটি পাশ হতে পার্লামেন্টের নিরংকুশ সমর্থন দরকার। ইউরোপীয় জনগণের মধ্যে এ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী জনমত আছে যারা ঘড়ির কাটার এমন পরিবর্তন চান না।

মূলত সূর্যের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ফ্রান্সসহ সমগ্র ইউরোপ এ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। এ পদ্ধতিতে মার্চ মাসের শেষ রোববার মধ্য রাতে ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা সামনে নিয়ে আসা হয় যাকে গ্রীষ্মকালীন সময় বলা হয়ে থাকে। আবার অক্টোবরের শেষ রবিবার ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা পেছনে নিয়ে আসা হয় যাকে শীতকালীন সময় বলা হয়। মূলত শীতকালে দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ঘড়ির কাটার এমন পরিবর্তন আনা হয়ে থাকে।

তবে ফ্রান্সসহ ইউরোপে এবারই শেষবারের মত এ ডে লাইট সেইভিং সিস্টেম ব্যবহার হতে পারে। কারন ইউরোপীয় পার্লামেন্টে এ প্রথা বন্ধ করার একটি বিল আনা হয়েছে, যেখানে পার্লামেন্ট সদস্যরা তা বাতিলের পক্ষে মত দিচ্ছেন। অবশ্য বিলটি পাশ হতে পার্লামেন্টের নিরংকুশ সমর্থন দরকার। আর তা পাশ হলে এবারই শেষ বারের মত ঘড়ির কাটার এ পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।