ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও কূটনৈতিকব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে অখণ্ড বাংলাদেশ আন্দোলনের বিবৃতি ফ্রান্সে বাংলাদেশ ইয়ুথ ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ব্রুতাইন এর নির্বাচন এবং পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্সের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্যারিসে গোলাপগঞ্জ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা,ফ্রান্সের নতুন কমিটির অভিষেক ও পরিচিতি সভা অনুষ্টিত ফ্রান্সে নভেম্বর মাসে যেসব পরিবর্তন আসছে ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভোট বর্জনের হুমকি শেখ হাসিনার ঝালকাঠির দুটি আসনে বিএনপির দুর্গে আঘাত হানতে প্রস্তুতি নিচ্ছে ‘ইসলামী জোট’ ফরাসি বাজেট নিয়ে সংসদে টানাপোড়েন: সরকার টিকে থাকবে কি? আওয়ামীলীগের নির্বাচনে অংশ গ্রহণের সুযোগ চান হাসিনা বালাগঞ্জ-গহরপুরে রুকন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্বপ্নের মেগাপ্রকল্প

সিলেটে আরিফুলকে ফুল দেওয়ার পর প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১, দুজন আহত

  • আপডেট সময় ০৫:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অগাস্ট ২০১৮
  • ৩৪০ বার পড়া হয়েছে

সিলেটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একপক্ষের হামলায় আরেক পক্ষের এক নেতা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্য দুজন। আজ শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বাসার সামনের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালের উপপরিচালক দেবব্রত রায় প্রথম আলোকে বলেন, ফয়জুর রহমান রাজু নামের একজন মারা গেছেন। বাকি দুজন ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।

ছাত্রদল সূত্র জানায়, ফয়জুর রহমান রাজু (২৮) মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, রাত সাড়ে নয়টার সময় আরিফুল হককে ফুল দিয়ে ছাত্রদলের একটি পক্ষ বাসা থেকে বের হয়ে কুমারপাড়ার মোড়ে দাঁড়ায়। এ সময় অতর্কিতে আরেক পক্ষ তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তিনজনকে ধাওয়া দিয়ে ধরে কোপায়। পরে গুলি ছুড়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আহত অবস্থায় তিনজন প্রায় ১০ মিনিট রাস্তায় পড়েছিলেন। খবর পেয়ে তাঁদের সঙ্গে থাকা কর্মী ও পুলিশ আহত তিনজনকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে ফয়জুর রহমানের অবস্থা ছিল গুরুতর। আহত অন্য দুজন হলেন উজ্জ্বল (২৮) ও সালাহ লিটন (২৮)। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফয়জুরের মৃত্যু হয়।

মহানগর পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার সাদিক কাউসার দস্তগীর প্রথম আলোকে বলেন, ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ববিরোধ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে ঘটনাস্থলে আছে। আহত তিনজনের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।

ছাত্রদল সূত্র জানায়, গত ১৩ জুন রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আকরামুল হাসান স্বাক্ষরিত কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষণা করা হয়। এতে ২৮ সদস্যবিশিষ্ট জেলা কমিটির আলতাফ হোসেন সুমন সভাপতি ও দেলোয়ার হোসেন দিনার সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন। ২৯ সদস্যবিশিষ্ট নগর ছাত্রদলের কমিটিতে সুদীপ জ্যোতি এষ সভাপতি ও ফজলে রাব্বী আহসান সাধারণ সম্পাদক।
এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে জেলা ও নগর ছাত্রদলের একটি পক্ষ মিছিল ও সভা করে। কমিটি প্রত্যাখ্যানকারীদের অভিযোগ ছিল, ঘোষিত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া কেউ-ই ছাত্র নন। এ নিয়ে দুই পক্ষকে সিটি নির্বাচন পর্যন্ত শান্ত থাকতে বলেছিল কেন্দ্র।
হামলার শিকার হওয়া পক্ষের সঙ্গে থাকা নগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আজিজুল হোসেন বলেন, ছাত্রদলের পদবঞ্চিত পক্ষটি নির্বাচনে আরিফুল হকের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করছিল। এ ক্ষোভ থেকে হামলা হয়।
সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী জানান, হামলায় আহত তিনজনই ছাত্রদলের বিদ্রোহী পক্ষের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হামলাকারীরা নতুন কমিটির পক্ষের।
মুঠোফোনে যোগযোগ করা হলে আরিফুল হক চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাকে বিজয়ী ঘোষণার পর বিজয় মিছিল হয়। সেই মিছিল বাসায় গিয়ে শেষ হয়। সেখান থেকে আমি কেন্দ্রীয় নেতাদের বিদায় করতে একটি হোটেলে যাই। কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যানকে নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে মিটিংয়ে ছিলাম। এ সময় ঘটনাটি ঘটেছে।’

প্রথম আলো থেকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও কূটনৈতিকব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে অখণ্ড বাংলাদেশ আন্দোলনের বিবৃতি

সিলেটে আরিফুলকে ফুল দেওয়ার পর প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১, দুজন আহত

আপডেট সময় ০৫:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অগাস্ট ২০১৮

সিলেটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একপক্ষের হামলায় আরেক পক্ষের এক নেতা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্য দুজন। আজ শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বাসার সামনের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালের উপপরিচালক দেবব্রত রায় প্রথম আলোকে বলেন, ফয়জুর রহমান রাজু নামের একজন মারা গেছেন। বাকি দুজন ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।

ছাত্রদল সূত্র জানায়, ফয়জুর রহমান রাজু (২৮) মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, রাত সাড়ে নয়টার সময় আরিফুল হককে ফুল দিয়ে ছাত্রদলের একটি পক্ষ বাসা থেকে বের হয়ে কুমারপাড়ার মোড়ে দাঁড়ায়। এ সময় অতর্কিতে আরেক পক্ষ তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তিনজনকে ধাওয়া দিয়ে ধরে কোপায়। পরে গুলি ছুড়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আহত অবস্থায় তিনজন প্রায় ১০ মিনিট রাস্তায় পড়েছিলেন। খবর পেয়ে তাঁদের সঙ্গে থাকা কর্মী ও পুলিশ আহত তিনজনকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে ফয়জুর রহমানের অবস্থা ছিল গুরুতর। আহত অন্য দুজন হলেন উজ্জ্বল (২৮) ও সালাহ লিটন (২৮)। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফয়জুরের মৃত্যু হয়।

মহানগর পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার সাদিক কাউসার দস্তগীর প্রথম আলোকে বলেন, ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ববিরোধ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে ঘটনাস্থলে আছে। আহত তিনজনের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।

ছাত্রদল সূত্র জানায়, গত ১৩ জুন রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আকরামুল হাসান স্বাক্ষরিত কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষণা করা হয়। এতে ২৮ সদস্যবিশিষ্ট জেলা কমিটির আলতাফ হোসেন সুমন সভাপতি ও দেলোয়ার হোসেন দিনার সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন। ২৯ সদস্যবিশিষ্ট নগর ছাত্রদলের কমিটিতে সুদীপ জ্যোতি এষ সভাপতি ও ফজলে রাব্বী আহসান সাধারণ সম্পাদক।
এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে জেলা ও নগর ছাত্রদলের একটি পক্ষ মিছিল ও সভা করে। কমিটি প্রত্যাখ্যানকারীদের অভিযোগ ছিল, ঘোষিত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া কেউ-ই ছাত্র নন। এ নিয়ে দুই পক্ষকে সিটি নির্বাচন পর্যন্ত শান্ত থাকতে বলেছিল কেন্দ্র।
হামলার শিকার হওয়া পক্ষের সঙ্গে থাকা নগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আজিজুল হোসেন বলেন, ছাত্রদলের পদবঞ্চিত পক্ষটি নির্বাচনে আরিফুল হকের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করছিল। এ ক্ষোভ থেকে হামলা হয়।
সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী জানান, হামলায় আহত তিনজনই ছাত্রদলের বিদ্রোহী পক্ষের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হামলাকারীরা নতুন কমিটির পক্ষের।
মুঠোফোনে যোগযোগ করা হলে আরিফুল হক চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাকে বিজয়ী ঘোষণার পর বিজয় মিছিল হয়। সেই মিছিল বাসায় গিয়ে শেষ হয়। সেখান থেকে আমি কেন্দ্রীয় নেতাদের বিদায় করতে একটি হোটেলে যাই। কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যানকে নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে মিটিংয়ে ছিলাম। এ সময় ঘটনাটি ঘটেছে।’

প্রথম আলো থেকে।