ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় যুক্তরাজ্যে নতুন সংগঠন PHAAUK ফেঞ্চুগঞ্জে দুই দিনে তিন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফ্রান্সে দারুল ক্বেরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্টের গ্রীষ্মকালীন কোরআন শিক্ষা প্রশিক্ষণের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ ফ্রান্সে রাষ্ট্রদূত তালহাকে ঘিরে নতুন গুঞ্জন ২০২৭ সালের হজে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সুযোগ, ধর্ম মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ

সেই মেয়েটির গল্প

  • আপডেট সময় ১০:১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২
  • ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে


সেই মেয়েটির গল্প বলবো এসো শুনবে যদি,

শ্যামল গাঁয়ে থাকতো যেথায় বয়ে চলতো নদী।

মেঠো পথে আলতা পায়ে হাঁটতো সবুজ ঘাসে,

কিশোরী মন বাদলা দিনে ভিজতো শ্রাবণ মাসে।


এলো চুলে গাছের ডালে কদম ফুল সে তুলে, 

কৃষ্ণচূড়ায় মালা গেঁথে সময় যেতো ভুলে।

অবুঝ বয়স জানেনা সে জীবন কাকে বলে? 

খেলাধূলা লেখাপড়ায় আপন মনে চলে।


হাসিখুশি রঙিন স্বপ্নে বিভোর থাকে মেয়ে, 

বাবা মায়ের আদর যত্ন ভালোবাসা পেয়ে। 

বিছানায় সে শুয়ে ভাবছে কেন হলাম বড়ো?

দুঃখ গুলো চারপাশ থেকে করছে আমায় জড়ো।


আগের মতো স্বাধীনতা পায় কি আর সে খুঁজে?

চোখরাঙানি গর্হিত বাক্য হাসি দিয়ে গুঁজে।

মানুষ তাঁকে খেতাব দিলো মহীয়সী কন্যা,

অন্তরালে ভিন্ন পন্থায় তাঁর বক্ষে যে বন্যা।


জরাগ্রস্ত হয়ে মেয়ে নিরবে যায় ক্ষয়ে,

নির্যাতনের শিকার হয়ে মুখ খুলে না ভয়ে।

বুঝেনি তো সে তো হায় জীবন পাতা ভিন্ন, 

যেমন করে ঘূর্ণিবায়ু করে দেয় সব ছিন্ন।


বিচারপতি কোথায় তুমি? বলে চিৎকার করে, 

আর কতকাল ভেদাভেদ  যে থাকবে ঘরে ঘরে?

নারীর প্রতি অবিচার কী চলবে জনম ধরে?

বাবা মায়ের সেই মেয়েটির নয়নে জল ঝরে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ

সেই মেয়েটির গল্প

আপডেট সময় ১০:১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২


সেই মেয়েটির গল্প বলবো এসো শুনবে যদি,

শ্যামল গাঁয়ে থাকতো যেথায় বয়ে চলতো নদী।

মেঠো পথে আলতা পায়ে হাঁটতো সবুজ ঘাসে,

কিশোরী মন বাদলা দিনে ভিজতো শ্রাবণ মাসে।


এলো চুলে গাছের ডালে কদম ফুল সে তুলে, 

কৃষ্ণচূড়ায় মালা গেঁথে সময় যেতো ভুলে।

অবুঝ বয়স জানেনা সে জীবন কাকে বলে? 

খেলাধূলা লেখাপড়ায় আপন মনে চলে।


হাসিখুশি রঙিন স্বপ্নে বিভোর থাকে মেয়ে, 

বাবা মায়ের আদর যত্ন ভালোবাসা পেয়ে। 

বিছানায় সে শুয়ে ভাবছে কেন হলাম বড়ো?

দুঃখ গুলো চারপাশ থেকে করছে আমায় জড়ো।


আগের মতো স্বাধীনতা পায় কি আর সে খুঁজে?

চোখরাঙানি গর্হিত বাক্য হাসি দিয়ে গুঁজে।

মানুষ তাঁকে খেতাব দিলো মহীয়সী কন্যা,

অন্তরালে ভিন্ন পন্থায় তাঁর বক্ষে যে বন্যা।


জরাগ্রস্ত হয়ে মেয়ে নিরবে যায় ক্ষয়ে,

নির্যাতনের শিকার হয়ে মুখ খুলে না ভয়ে।

বুঝেনি তো সে তো হায় জীবন পাতা ভিন্ন, 

যেমন করে ঘূর্ণিবায়ু করে দেয় সব ছিন্ন।


বিচারপতি কোথায় তুমি? বলে চিৎকার করে, 

আর কতকাল ভেদাভেদ  যে থাকবে ঘরে ঘরে?

নারীর প্রতি অবিচার কী চলবে জনম ধরে?

বাবা মায়ের সেই মেয়েটির নয়নে জল ঝরে।