ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বালাগঞ্জের হাফিজ মাওলানা সামসুল ইসলাম লন্ডনের university of central Lancashire থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করলেন বালাগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী রফিক আহমদ এর মতবিনিময় দেওয়ানবাজার ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল আলমের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে খাবার বিতরণ জনকল্যাণ ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন ইউকের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী বিতরণ প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলো, ‘রৌদ্র ছায়ায় কবি কন্ঠে কাব্য কথা’ শীর্ষক কবিতায় আড্ডা ফ্রান্স দর্পণ – কমিউনিটি-সংবেদনশীল মুখপত্র এম সি ইন্সটিটিউট ফ্রান্সের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএনপি চেয়ারপারসনের “স্পেশাল এসিস্ট্যান্ট টু দ্য ফরেন এফেয়ার্স” উপদেষ্টা হলেন হাজি হাবিব ইপিএস কমিউনিটি ফ্রান্সের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘ফেত দ্যো লা মিউজিক ২০২৪ তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি

সেপ্টেম্বর থেকে স্কুলে ‘আবায়া’ নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে ফ্রান্স

  • আপডেট সময় ১০:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩
  • ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে

ফ্রান্সের স্কুলগুলোতে আবায়া পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই রাষ্ট্র পরিচালিত স্কুলে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন ফরাসি শিক্ষামন্ত্রী। খবর এএফপির।

দেশটির শিক্ষামন্ত্রী গাব্রিয়েল আত্তাল এর পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, শিক্ষায় কঠোরভাবে ধর্মনিরপেক্ষ আইন ব্যবহার করে ফ্রান্স। কিন্তু এই পোশাকটি সেই আইনকে লঙ্ঘন করে।

টিএফ১ টেলিভিশনকে তিনি বলেন, স্কুলে আর আবায়া পরা সম্ভব হবে না। এ জন্য তিনি দেশজুড়ে স্কুলগুলোর প্রধানদের কাছে এ বিষয়টি পরিষ্কার করবেন। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর সেখানে ছুটি শেষ হয়ে স্কুল শুরু হচ্ছে। তার আগেই প্রধান শিক্ষকদের এই বার্তা দিলেন গাব্রিয়েল আত্তাল।

ফ্রান্সের সরকারি স্কুলে বড় ক্রস, ইহুদিদের কিপ্পাস অথবা মুসলিমদের স্কার্ফ পরায় অনুমতি দেয় না। সরকারি স্কুলগুলোতে ১৯ শতক থেকে ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যা বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ প্রশাসনের সময় আরও কঠোর।

২০০৪ সালে দেশটির স্কুলে মাথায় স্কার্ফ পরায় নিষিদ্ধ হয়েছিল এবং ২০১০ সালে প্রকাশ্যে বোরকা পরে মুখ ঢেকে চলায় একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফলে দেশটির ৫০ লাখ মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল।

তবে বামপন্থী বিরোধী ফ্রান্স আববোউড পার্টির ক্লিমেন্টাইন অটেইন সরকারের এ উদ্যোগকে পোশাক পরার স্বাধীনতায় কড়াকড়ি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মিস অটেইন বলেন, সরকারের এই ঘোষণা অসাংবিধানিক। ফ্রান্স যে ধর্মনিরপেক্ষ বলে তার প্রতিষ্ঠাকালীন মূলনীতি আছে, এটা তার বিরোধী। মুসলিমদের অস্বীকার করার জন্য সরকার যে উদগ্রীব হয়ে আছে তার একটি প্রতীকী বিষয় এটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বালাগঞ্জের হাফিজ মাওলানা সামসুল ইসলাম লন্ডনের university of central Lancashire থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করলেন

সেপ্টেম্বর থেকে স্কুলে ‘আবায়া’ নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে ফ্রান্স

আপডেট সময় ১০:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩

ফ্রান্সের স্কুলগুলোতে আবায়া পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই রাষ্ট্র পরিচালিত স্কুলে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন ফরাসি শিক্ষামন্ত্রী। খবর এএফপির।

দেশটির শিক্ষামন্ত্রী গাব্রিয়েল আত্তাল এর পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, শিক্ষায় কঠোরভাবে ধর্মনিরপেক্ষ আইন ব্যবহার করে ফ্রান্স। কিন্তু এই পোশাকটি সেই আইনকে লঙ্ঘন করে।

টিএফ১ টেলিভিশনকে তিনি বলেন, স্কুলে আর আবায়া পরা সম্ভব হবে না। এ জন্য তিনি দেশজুড়ে স্কুলগুলোর প্রধানদের কাছে এ বিষয়টি পরিষ্কার করবেন। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর সেখানে ছুটি শেষ হয়ে স্কুল শুরু হচ্ছে। তার আগেই প্রধান শিক্ষকদের এই বার্তা দিলেন গাব্রিয়েল আত্তাল।

ফ্রান্সের সরকারি স্কুলে বড় ক্রস, ইহুদিদের কিপ্পাস অথবা মুসলিমদের স্কার্ফ পরায় অনুমতি দেয় না। সরকারি স্কুলগুলোতে ১৯ শতক থেকে ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যা বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ প্রশাসনের সময় আরও কঠোর।

২০০৪ সালে দেশটির স্কুলে মাথায় স্কার্ফ পরায় নিষিদ্ধ হয়েছিল এবং ২০১০ সালে প্রকাশ্যে বোরকা পরে মুখ ঢেকে চলায় একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফলে দেশটির ৫০ লাখ মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল।

তবে বামপন্থী বিরোধী ফ্রান্স আববোউড পার্টির ক্লিমেন্টাইন অটেইন সরকারের এ উদ্যোগকে পোশাক পরার স্বাধীনতায় কড়াকড়ি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মিস অটেইন বলেন, সরকারের এই ঘোষণা অসাংবিধানিক। ফ্রান্স যে ধর্মনিরপেক্ষ বলে তার প্রতিষ্ঠাকালীন মূলনীতি আছে, এটা তার বিরোধী। মুসলিমদের অস্বীকার করার জন্য সরকার যে উদগ্রীব হয়ে আছে তার একটি প্রতীকী বিষয় এটি।