ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্যারিসে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করেছে সলিডারিতে আজি ফ্রান্স রিফর্ম ইউকের বহু সদস্য চান বিদেশে জন্ম নেওয়া অশ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশরা যুক্তরাজ্য ছাড়ুক হাসনাত আরিয়ান খান-এর মায়ের মৃত্যুতে ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদকের শোক আমাতে তোমার অনুভূতি- রকিবুল ইসলাম ভাষাপ্রকৌশল ও কালচারাল হেজিমনি: শব্দের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক ও এওয়ার্ড বিতরন অনুষ্ঠান সম্পন্ন পরিমিতির প্রকোষ্ঠে নির্বাসিত অরণ্য – মেশকাতুন নাহার আধিপত্যবাদের নগ্নরূপ: আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট নিদ্রিত শুদ্ধতার প্রান্তরে অশুদ্ধতার কর্ণভেদী উল্লাস শেরপুরে অসহায় পরিবারের জন্য বসতঘর নির্মাণ ও হস্তান্তর করলো ফ্রান্স ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সাফ

বহুমাত্রিক চাপে ফরাসী প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ

  • আপডেট সময় ০৩:৩০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৮
  • ৯০২ বার পড়া হয়েছে

গত নির্বাচনে নজির বিহীন চমক দেখিয়ে ক্ষমতায় আসা ফ্রান্সের তরুণ প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দুই বছরের মাথায় প্রচন্ড চাপের মুখে পড়েছেন। একদিকে নানামুখী সংস্কার নিয়ে বিরুধী রাজনৈতিক দল ও শ্রমিক সংগঠনের আন্দোলন, বেকারত্ব বাড়ছে, ধারাবাহিকভাবে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন অন্যদিকে নানামুখী বিতর্ক। বেনালা বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক maréchal Pétain। 
আগামী রবিবার প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বীর সেনাদের স্মরণ অনুষ্টানে maréchal Pétain কে সম্মানিত করাকে কেন্দ্র করে ফ্রান্স জূড়ে চলছে তুমুল বিতর্ক ।
maréchal Pétain প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের হয়ে অসাধারণ বীরত্ব দেখিয়েছিলেন। ফরাসীরা তখন তাকে জাতীয় বীরের মর্যাদা দেয়। তবে সেই maréchal Pétain দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে নাৎসীদের সহায়তা করেন বলে অভিযোগ।  এজন্যই তাকে সম্মান জানাতে এই বিতর্ক। বিশেষত ফ্রান্সের ইহুদীরা কোনভাবেই ম্যাক্রোঁর এ পদক্ষেপকে মেনে নিতে পারছে না।
অবশ্য ম্যক্রোঁ একে একটি নয় নিম্ন মানের বিতর্ক বলে অভিহিত করেছেন।
এছাড়া গ্যাস,বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ জনগণও মারাত্মক অসন্তু। ক্ষমতায় আসার সময় দেয়া বিভিন্ন চটকদার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নেও রয়েছে গড়িমসি।
এসব বিতর্কের বাইরেও আছে সামনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচন।  সেখানেও সর্বশেষ জরীপে ম্যাক্রোঁর দলের জনপ্রিয়তা কমার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বরং কট্টরপন্থী মারিন ল্য পেনের নতুন দলের ভাল করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
উপরন্তু রয়েছে আন্তর্জাতিক ইস্যু। ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের মিত্র ব্রিটেনের সাথে একধরনের তিক্ততার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিশেল বার্নার্ড একে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে খারাপ সম্পর্ক বলে মত দিয়েছেন। এছাড়া রয়েছে ট্রাম্পের নীতি যা ন্যাটোসহ ইউরোপীয় মিত্রদের অস্বস্তির মাঝে ফেলে দিয়েছে।
এসব বিবেচনায় দুই বছর যেতে না যেতে তরুন এ প্রেসিডেন্টের কপালে ভাঁজ কেবল লম্বা হচ্ছে। দেখা যাক এ নানামুখী চাপ কিচাবে সামাল দেন ম্যাক্রোঁ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

প্যারিসে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করেছে সলিডারিতে আজি ফ্রান্স

বহুমাত্রিক চাপে ফরাসী প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ

আপডেট সময় ০৩:৩০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৮

গত নির্বাচনে নজির বিহীন চমক দেখিয়ে ক্ষমতায় আসা ফ্রান্সের তরুণ প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দুই বছরের মাথায় প্রচন্ড চাপের মুখে পড়েছেন। একদিকে নানামুখী সংস্কার নিয়ে বিরুধী রাজনৈতিক দল ও শ্রমিক সংগঠনের আন্দোলন, বেকারত্ব বাড়ছে, ধারাবাহিকভাবে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন অন্যদিকে নানামুখী বিতর্ক। বেনালা বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক maréchal Pétain। 
আগামী রবিবার প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বীর সেনাদের স্মরণ অনুষ্টানে maréchal Pétain কে সম্মানিত করাকে কেন্দ্র করে ফ্রান্স জূড়ে চলছে তুমুল বিতর্ক ।
maréchal Pétain প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের হয়ে অসাধারণ বীরত্ব দেখিয়েছিলেন। ফরাসীরা তখন তাকে জাতীয় বীরের মর্যাদা দেয়। তবে সেই maréchal Pétain দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে নাৎসীদের সহায়তা করেন বলে অভিযোগ।  এজন্যই তাকে সম্মান জানাতে এই বিতর্ক। বিশেষত ফ্রান্সের ইহুদীরা কোনভাবেই ম্যাক্রোঁর এ পদক্ষেপকে মেনে নিতে পারছে না।
অবশ্য ম্যক্রোঁ একে একটি নয় নিম্ন মানের বিতর্ক বলে অভিহিত করেছেন।
এছাড়া গ্যাস,বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ জনগণও মারাত্মক অসন্তু। ক্ষমতায় আসার সময় দেয়া বিভিন্ন চটকদার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নেও রয়েছে গড়িমসি।
এসব বিতর্কের বাইরেও আছে সামনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচন।  সেখানেও সর্বশেষ জরীপে ম্যাক্রোঁর দলের জনপ্রিয়তা কমার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বরং কট্টরপন্থী মারিন ল্য পেনের নতুন দলের ভাল করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
উপরন্তু রয়েছে আন্তর্জাতিক ইস্যু। ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের মিত্র ব্রিটেনের সাথে একধরনের তিক্ততার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিশেল বার্নার্ড একে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে খারাপ সম্পর্ক বলে মত দিয়েছেন। এছাড়া রয়েছে ট্রাম্পের নীতি যা ন্যাটোসহ ইউরোপীয় মিত্রদের অস্বস্তির মাঝে ফেলে দিয়েছে।
এসব বিবেচনায় দুই বছর যেতে না যেতে তরুন এ প্রেসিডেন্টের কপালে ভাঁজ কেবল লম্বা হচ্ছে। দেখা যাক এ নানামুখী চাপ কিচাবে সামাল দেন ম্যাক্রোঁ।