ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আমাতে তোমার অনুভূতি- রকিবুল ইসলাম ভাষাপ্রকৌশল ও কালচারাল হেজিমনি: শব্দের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক ও এওয়ার্ড বিতরন অনুষ্ঠান সম্পন্ন পরিমিতির প্রকোষ্ঠে নির্বাসিত অরণ্য – মেশকাতুন নাহার আধিপত্যবাদের নগ্নরূপ: আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট নিদ্রিত শুদ্ধতার প্রান্তরে অশুদ্ধতার কর্ণভেদী উল্লাস শেরপুরে অসহায় পরিবারের জন্য বসতঘর নির্মাণ ও হস্তান্তর করলো ফ্রান্স ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সাফ এক বছরে রেকর্ড সংখ্যক আমেরিকান ব্রিটিশ নাগরিকত্ব আবেদন করেছেন সাংবাদিকদের সম্মানে ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে জোর তৎপরতা, মার্চে উদ্বোধন

প্যারিসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবস পালিত

  • আপডেট সময় ০১:২৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০১৯
  • ৪৬০ বার পড়া হয়েছে

বিজ্ঞপ্তি- উতসব মুখর পরিবেশে ও শ্রদ্ধা – ভালবাসার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস, প্যারিস আজ ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান -এর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস ২০১৯ উদযাপন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে মান্যবর রাষ্ট্রদূত শিশু-কিশোরদের নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপর, মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পবিত্র কুরআন ও অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয় এবং বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যের রূহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত ও বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া, দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

অনুষ্টানে অংশ নেয়া শিশুরা

অনুষ্ঠানে প্যারিসে বসবাসরত সর্বস্তরের প্রায় দেড় শতাধিক বাংলাদেশিরা উপস্থিত হন। দিবসটি উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন ও বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ৬ থেকে ১০ বছরের শিশু কিশোররা চিত্রাঙ্কন ও এবং ১১ থেকে ১৪ বছরের শিশু-কিশোররা কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এছাড়া শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মান্যবর রাষ্ট্রদূত উপস্থিত শিশু কিশোর এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে জন্মদিনের কেক কাটেন। অনুষ্ঠানের শেষে প্রতিযোগীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য, পুরষ্কার হিসেবে বঙ্গবন্ধুর জীবন অবলম্বনে রচিত গ্রাফিক নভেল- মুজিব অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীর হাতে তুলে দেন রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন।
অনুষ্টানে অংশ নেয়া আমন্ত্রিতদের একাংশ

অনুষ্ঠানে আগত বক্তারা বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সমাপনী বক্তব্যে, বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা, ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শ ও তাঁর কর্মময় সংগ্রামী জীবনের উপর আলোচনা করেন এবং শিশু কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জীবন গড়ার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূত বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মকে জানাতে প্রতিটি বাংলাদেশি পিতামাতার প্রতি আহবান জানান, যেন তারা বঙ্গবন্ধুর জীবন থেকে সততা, দেশপ্রেম, মানবতা, সহনশীলতা ও আত্মত্যাগের শিক্ষা অর্জন করতে পারে। পরিশেষে, তিনি জাতির পিতা সম্পর্কে আরো জানতে শিশু-কিশোরদের আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায়, জাতির পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গঠনে দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, আজকের শিশু-কিশোররা ভবিষ্যতে দেশের নেতত্ব দেবে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করার জন্য তাদেরও ভবিষ্যতে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে সকলকে বাংলাদেশি খাবারে আপ্যায়িত করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

আমাতে তোমার অনুভূতি- রকিবুল ইসলাম

প্যারিসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবস পালিত

আপডেট সময় ০১:২৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০১৯

বিজ্ঞপ্তি- উতসব মুখর পরিবেশে ও শ্রদ্ধা – ভালবাসার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস, প্যারিস আজ ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান -এর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস ২০১৯ উদযাপন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে মান্যবর রাষ্ট্রদূত শিশু-কিশোরদের নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপর, মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পবিত্র কুরআন ও অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয় এবং বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যের রূহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত ও বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া, দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

অনুষ্টানে অংশ নেয়া শিশুরা

অনুষ্ঠানে প্যারিসে বসবাসরত সর্বস্তরের প্রায় দেড় শতাধিক বাংলাদেশিরা উপস্থিত হন। দিবসটি উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন ও বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ৬ থেকে ১০ বছরের শিশু কিশোররা চিত্রাঙ্কন ও এবং ১১ থেকে ১৪ বছরের শিশু-কিশোররা কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এছাড়া শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মান্যবর রাষ্ট্রদূত উপস্থিত শিশু কিশোর এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে জন্মদিনের কেক কাটেন। অনুষ্ঠানের শেষে প্রতিযোগীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য, পুরষ্কার হিসেবে বঙ্গবন্ধুর জীবন অবলম্বনে রচিত গ্রাফিক নভেল- মুজিব অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীর হাতে তুলে দেন রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন।
অনুষ্টানে অংশ নেয়া আমন্ত্রিতদের একাংশ

অনুষ্ঠানে আগত বক্তারা বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সমাপনী বক্তব্যে, বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা, ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শ ও তাঁর কর্মময় সংগ্রামী জীবনের উপর আলোচনা করেন এবং শিশু কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জীবন গড়ার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূত বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মকে জানাতে প্রতিটি বাংলাদেশি পিতামাতার প্রতি আহবান জানান, যেন তারা বঙ্গবন্ধুর জীবন থেকে সততা, দেশপ্রেম, মানবতা, সহনশীলতা ও আত্মত্যাগের শিক্ষা অর্জন করতে পারে। পরিশেষে, তিনি জাতির পিতা সম্পর্কে আরো জানতে শিশু-কিশোরদের আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায়, জাতির পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গঠনে দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, আজকের শিশু-কিশোররা ভবিষ্যতে দেশের নেতত্ব দেবে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করার জন্য তাদেরও ভবিষ্যতে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে সকলকে বাংলাদেশি খাবারে আপ্যায়িত করা হয়।