ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি নিউ স্টার ফুটবল ক্লাব রতনপুরের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম সংবর্ধিত বালাগঞ্জে শান্তিপুর্ণভাবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন : চমক দেখিয়ে আনহার মিয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে ফরাসি জাতীয়তা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত প্যারিসে Point d’Aide – এইড পয়েন্ট এর নতুন অফিসের উদ্বোধন তরুণ সাহিত্যিক সাদাত হোসাইনকে প্যারিসে সংবর্ধনা দিলো ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশীরা গাজীপুর জেলা সমিতি,ফ্রান্স’র দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত : ফারুক খান সভাপতি, জুয়েল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত কেবল উপবাসের নামই সিয়াম নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষাই সিয়াম ফ্রান্সে একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য ‘বাংলাদেশ সমিতি’র তাগিদ, একটি প্রস্তাবনা শিশু কিশোরদের নানা ইভেন্ট নিয়ে ইপিএস কমিউনিটি ফ্রান্সের স্বাধীনতা দিবস পালন

প্রবাসী বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিককে নিয়ে ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঝড়

  • আপডেট সময় ০৮:৩৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০১৯
  • ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

Warning: Attempt to read property "post_excerpt" on null in /home/u305720254/domains/francedorpan.com/public_html/wp-content/themes/newspaper-pro/template-parts/common/single_two.php on line 117

বাংলাদেশি প্রবাসী এক নির্মাণ শ্রমিককে নিয়ে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ওই শ্রমিকের একটি ছবির ওপর। তার বিস্ময়কর চাহনি, চোখের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই। ফলে তাকে নিয়ে একটি সচিত্র রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইন।
বাংলাদেশি ওই প্রবাসী শ্রমিকের নাম জানা যায়নি। তবে তাকে অনেকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে ব্যবহৃত ছবিগুলোর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার চাহনির মধ্যে রয়েছে এক দৃঢ়চেতা মনোবল। তার চোখ রূপালি।

ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছেন একদৃষ্টে।

গত বৃহস্পতিবার ২১শে মার্চ এই ছবিটি প্রথম পোস্ট করেন আবেদেন মুং। তারপর তা ভাইরাল হয়ে গেছে। তা রিটুইট হয়েছে ২৪ হাজার ৫০০ বার। লাইক করেছেন ৬৮ হাজার ৭০০ মানুষ। আবেদেন মুং এই ছবিটি জালান আইপোর কাছে এমআরটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান থেকে ধারণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন টুইটে।
এ বিষয়ে আবেদেন মুং বলেছেন, আমি একটি ব্লগে কাজ করছিলাম। ঠিক তখনই ওই ব্যক্তিকে দেখতে পাই। কিন্তু ওই সময় আমি অন্য একটি বিষয় ক্যামেরাবন্দি করছিলাম বলে তার ছবি নেয়ার সুযোগ পাই নি। তবে আজ (গত বৃহস্পতিবার) সকালে তাকে সেই একই স্থানে পেয়ে গেলাম। ফলে দ্রুততার সঙ্গে আমার আইফোন এক্সএস ম্যাক্স থাকা সত্ত্বেও দ্রুততার সঙ্গে প্রস্তুত করে নিলাম পিক্সেল ২ এক্সএল। কারণ, ওই ফোনে আমি তখন টেক্সট মেসেজ লিখছিলাম।

তিনি আরো বলেছেন, যেখান থেকে বাংলাদেশি ওই প্রবাসীর ছবি ধারণ করেছেন সেখানে আলো ছিল ছবি ধারণ করার জন্য উত্তম। আর তার পোশাকও ছিল ভালো। তার চোখ এমন দেখাচ্ছিল, যাতে তা ফটোগ্রাফে ধারণ না করে কোনো উপায়ই ছিল না। ফলে তার ছবি ধারণ করাটাই তখন আমার কাছে উত্তম ছিল।

বাংলাদেশি ওই প্রবাসী সম্পর্কে তিনি টুইটে আরো লিখেছেন, ওই বাংলাদেশি ছিলেন অত্যন্ত লাজুক। বাস্তবেই তিনি জানেন না কোনদিকে তাকাতে হবে। এটা এ জন্য হতে পারে যে, আমি ফোনে তার ছবি তুলছিলাম। আমি অনেকবার তাকে ক্যামেরার দিকে আনার চেষ্টা করলাম। ছবি তুললাম। কিন্তু সেগুলো যথেষ্ট ভালো ছিল না। এমনটা চলতেই থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি সত্যিকার অর্থে মোবাইলের ক্যামেরার দিকে না তাকিয়েছেন। তারপরই চূড়ান্ত দফায় তাকে আমি ধারণ করতে পেরেছি। এটা কি সুন্দর নয়?

আবেদেন মুং-এর এমন টুইটের জবাবে অনেকে বলেছেন বাংলাদেশি ওই যুবকের চাহনি দৃষ্টিকাড়া। তিনি দৃঢ়চেতা। চিমপেং নামে একজন টুইটের জবাবে লিখেছেন, তার চোখ বিস্ময়কর। মিসি জোর-এল নামে একজন লিখেছেন, ওর মুখটা খুবই সুন্দর। তার ‘বোন স্ট্রাকচার’ বা মুখের গাঠনিক কাঠামো বিস্ময়কর।

ড্রিউওয়েহ বলেছেন, এই ছবিটি ১৯৮৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের একটি প্রচ্ছদে ব্যবহৃত শরবত গুলা’র কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ওই ছবিটি ধারণ করেছিলেন সাংবাদিক স্টিভ ম্যাকারি। উল্লেখ্য, শরবত গুলা একজন আফগান মেয়ে। তার চোখ সবুজ। মাথায় ছিল লাল স্কার্ফ। তাকিয়ে ছিলেন ক্যামেরার দিকে।
আবেদেন মুং-এর ওই ছবি ও টুইটের জবাবে আরো টুইটার ব্যবহারকারী গুগল পিক্সেল ২ এক্সএল ছবির মান নিয়ে প্রশংসা করেছেন। নিসাই নামে একজন লিখেছেন, আমার আইফোন ৬এস ফেলে দেবো। তার পরিবর্তে হাতে তুলে নেবো গুগল পিক্সেল।

ইরা নামে একজন লিখেছেন, সে কি সুন্দর, ওয়াও!
রোজলিনা মানাফ নামে একজন টুইট করেছেন, হ্যাঁ, সে আসলেই একজন লাজুক ছেলে। ২১ বছর বয়সী।
অ্যাশ নামে একজন লিখেছেন, সে খুবই সুন্দর।
টুইট, রি-টুইটে সয়লাব ইন্টারনেট।

সূত্রঃমানব জমিন

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি

প্রবাসী বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিককে নিয়ে ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঝড়

আপডেট সময় ০৮:৩৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০১৯

বাংলাদেশি প্রবাসী এক নির্মাণ শ্রমিককে নিয়ে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ওই শ্রমিকের একটি ছবির ওপর। তার বিস্ময়কর চাহনি, চোখের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই। ফলে তাকে নিয়ে একটি সচিত্র রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইন।
বাংলাদেশি ওই প্রবাসী শ্রমিকের নাম জানা যায়নি। তবে তাকে অনেকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে ব্যবহৃত ছবিগুলোর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার চাহনির মধ্যে রয়েছে এক দৃঢ়চেতা মনোবল। তার চোখ রূপালি।

ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছেন একদৃষ্টে।

গত বৃহস্পতিবার ২১শে মার্চ এই ছবিটি প্রথম পোস্ট করেন আবেদেন মুং। তারপর তা ভাইরাল হয়ে গেছে। তা রিটুইট হয়েছে ২৪ হাজার ৫০০ বার। লাইক করেছেন ৬৮ হাজার ৭০০ মানুষ। আবেদেন মুং এই ছবিটি জালান আইপোর কাছে এমআরটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান থেকে ধারণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন টুইটে।
এ বিষয়ে আবেদেন মুং বলেছেন, আমি একটি ব্লগে কাজ করছিলাম। ঠিক তখনই ওই ব্যক্তিকে দেখতে পাই। কিন্তু ওই সময় আমি অন্য একটি বিষয় ক্যামেরাবন্দি করছিলাম বলে তার ছবি নেয়ার সুযোগ পাই নি। তবে আজ (গত বৃহস্পতিবার) সকালে তাকে সেই একই স্থানে পেয়ে গেলাম। ফলে দ্রুততার সঙ্গে আমার আইফোন এক্সএস ম্যাক্স থাকা সত্ত্বেও দ্রুততার সঙ্গে প্রস্তুত করে নিলাম পিক্সেল ২ এক্সএল। কারণ, ওই ফোনে আমি তখন টেক্সট মেসেজ লিখছিলাম।

তিনি আরো বলেছেন, যেখান থেকে বাংলাদেশি ওই প্রবাসীর ছবি ধারণ করেছেন সেখানে আলো ছিল ছবি ধারণ করার জন্য উত্তম। আর তার পোশাকও ছিল ভালো। তার চোখ এমন দেখাচ্ছিল, যাতে তা ফটোগ্রাফে ধারণ না করে কোনো উপায়ই ছিল না। ফলে তার ছবি ধারণ করাটাই তখন আমার কাছে উত্তম ছিল।

বাংলাদেশি ওই প্রবাসী সম্পর্কে তিনি টুইটে আরো লিখেছেন, ওই বাংলাদেশি ছিলেন অত্যন্ত লাজুক। বাস্তবেই তিনি জানেন না কোনদিকে তাকাতে হবে। এটা এ জন্য হতে পারে যে, আমি ফোনে তার ছবি তুলছিলাম। আমি অনেকবার তাকে ক্যামেরার দিকে আনার চেষ্টা করলাম। ছবি তুললাম। কিন্তু সেগুলো যথেষ্ট ভালো ছিল না। এমনটা চলতেই থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি সত্যিকার অর্থে মোবাইলের ক্যামেরার দিকে না তাকিয়েছেন। তারপরই চূড়ান্ত দফায় তাকে আমি ধারণ করতে পেরেছি। এটা কি সুন্দর নয়?

আবেদেন মুং-এর এমন টুইটের জবাবে অনেকে বলেছেন বাংলাদেশি ওই যুবকের চাহনি দৃষ্টিকাড়া। তিনি দৃঢ়চেতা। চিমপেং নামে একজন টুইটের জবাবে লিখেছেন, তার চোখ বিস্ময়কর। মিসি জোর-এল নামে একজন লিখেছেন, ওর মুখটা খুবই সুন্দর। তার ‘বোন স্ট্রাকচার’ বা মুখের গাঠনিক কাঠামো বিস্ময়কর।

ড্রিউওয়েহ বলেছেন, এই ছবিটি ১৯৮৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের একটি প্রচ্ছদে ব্যবহৃত শরবত গুলা’র কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ওই ছবিটি ধারণ করেছিলেন সাংবাদিক স্টিভ ম্যাকারি। উল্লেখ্য, শরবত গুলা একজন আফগান মেয়ে। তার চোখ সবুজ। মাথায় ছিল লাল স্কার্ফ। তাকিয়ে ছিলেন ক্যামেরার দিকে।
আবেদেন মুং-এর ওই ছবি ও টুইটের জবাবে আরো টুইটার ব্যবহারকারী গুগল পিক্সেল ২ এক্সএল ছবির মান নিয়ে প্রশংসা করেছেন। নিসাই নামে একজন লিখেছেন, আমার আইফোন ৬এস ফেলে দেবো। তার পরিবর্তে হাতে তুলে নেবো গুগল পিক্সেল।

ইরা নামে একজন লিখেছেন, সে কি সুন্দর, ওয়াও!
রোজলিনা মানাফ নামে একজন টুইট করেছেন, হ্যাঁ, সে আসলেই একজন লাজুক ছেলে। ২১ বছর বয়সী।
অ্যাশ নামে একজন লিখেছেন, সে খুবই সুন্দর।
টুইট, রি-টুইটে সয়লাব ইন্টারনেট।

সূত্রঃমানব জমিন