ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্স-ভারতে দাঙ্গা-বিক্ষোভ একই সূত্রে গাঁথা! সৌদি সফরে গেলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট কমে আসছে ইইউর গ্যাস মজুত প্যারিসের দাঙ্গায় মেসির স্মারক জার্সি লুট প্যারিসে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে কমিউনিটির প্রতিনিধি দল প্যারিসে শেষ হলো আন্তর্জাতিক খাদ্য মেলা ‘সিয়াল প্যারিস ২০২৬’ ফ্রান্সে লুট হওয়া পণ্য বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে! ফ্রান্সে লুটের পণ্য বিক্রি ঠেকাতে ভিন্টেডের পদক্ষেপ ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ: ক্ষতিগ্রস্ত দেড় হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সহায়তার উদ্যোগ সরকারের রোমে ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরাম ২০২৬-এ বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ

প্রবাসী বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিককে নিয়ে ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঝড়

  • আপডেট সময় ০৮:৩৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০১৯
  • ৩৫০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশি প্রবাসী এক নির্মাণ শ্রমিককে নিয়ে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ওই শ্রমিকের একটি ছবির ওপর। তার বিস্ময়কর চাহনি, চোখের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই। ফলে তাকে নিয়ে একটি সচিত্র রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইন।
বাংলাদেশি ওই প্রবাসী শ্রমিকের নাম জানা যায়নি। তবে তাকে অনেকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে ব্যবহৃত ছবিগুলোর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার চাহনির মধ্যে রয়েছে এক দৃঢ়চেতা মনোবল। তার চোখ রূপালি।

ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছেন একদৃষ্টে।

গত বৃহস্পতিবার ২১শে মার্চ এই ছবিটি প্রথম পোস্ট করেন আবেদেন মুং। তারপর তা ভাইরাল হয়ে গেছে। তা রিটুইট হয়েছে ২৪ হাজার ৫০০ বার। লাইক করেছেন ৬৮ হাজার ৭০০ মানুষ। আবেদেন মুং এই ছবিটি জালান আইপোর কাছে এমআরটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান থেকে ধারণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন টুইটে।
এ বিষয়ে আবেদেন মুং বলেছেন, আমি একটি ব্লগে কাজ করছিলাম। ঠিক তখনই ওই ব্যক্তিকে দেখতে পাই। কিন্তু ওই সময় আমি অন্য একটি বিষয় ক্যামেরাবন্দি করছিলাম বলে তার ছবি নেয়ার সুযোগ পাই নি। তবে আজ (গত বৃহস্পতিবার) সকালে তাকে সেই একই স্থানে পেয়ে গেলাম। ফলে দ্রুততার সঙ্গে আমার আইফোন এক্সএস ম্যাক্স থাকা সত্ত্বেও দ্রুততার সঙ্গে প্রস্তুত করে নিলাম পিক্সেল ২ এক্সএল। কারণ, ওই ফোনে আমি তখন টেক্সট মেসেজ লিখছিলাম।

তিনি আরো বলেছেন, যেখান থেকে বাংলাদেশি ওই প্রবাসীর ছবি ধারণ করেছেন সেখানে আলো ছিল ছবি ধারণ করার জন্য উত্তম। আর তার পোশাকও ছিল ভালো। তার চোখ এমন দেখাচ্ছিল, যাতে তা ফটোগ্রাফে ধারণ না করে কোনো উপায়ই ছিল না। ফলে তার ছবি ধারণ করাটাই তখন আমার কাছে উত্তম ছিল।

বাংলাদেশি ওই প্রবাসী সম্পর্কে তিনি টুইটে আরো লিখেছেন, ওই বাংলাদেশি ছিলেন অত্যন্ত লাজুক। বাস্তবেই তিনি জানেন না কোনদিকে তাকাতে হবে। এটা এ জন্য হতে পারে যে, আমি ফোনে তার ছবি তুলছিলাম। আমি অনেকবার তাকে ক্যামেরার দিকে আনার চেষ্টা করলাম। ছবি তুললাম। কিন্তু সেগুলো যথেষ্ট ভালো ছিল না। এমনটা চলতেই থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি সত্যিকার অর্থে মোবাইলের ক্যামেরার দিকে না তাকিয়েছেন। তারপরই চূড়ান্ত দফায় তাকে আমি ধারণ করতে পেরেছি। এটা কি সুন্দর নয়?

আবেদেন মুং-এর এমন টুইটের জবাবে অনেকে বলেছেন বাংলাদেশি ওই যুবকের চাহনি দৃষ্টিকাড়া। তিনি দৃঢ়চেতা। চিমপেং নামে একজন টুইটের জবাবে লিখেছেন, তার চোখ বিস্ময়কর। মিসি জোর-এল নামে একজন লিখেছেন, ওর মুখটা খুবই সুন্দর। তার ‘বোন স্ট্রাকচার’ বা মুখের গাঠনিক কাঠামো বিস্ময়কর।

ড্রিউওয়েহ বলেছেন, এই ছবিটি ১৯৮৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের একটি প্রচ্ছদে ব্যবহৃত শরবত গুলা’র কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ওই ছবিটি ধারণ করেছিলেন সাংবাদিক স্টিভ ম্যাকারি। উল্লেখ্য, শরবত গুলা একজন আফগান মেয়ে। তার চোখ সবুজ। মাথায় ছিল লাল স্কার্ফ। তাকিয়ে ছিলেন ক্যামেরার দিকে।
আবেদেন মুং-এর ওই ছবি ও টুইটের জবাবে আরো টুইটার ব্যবহারকারী গুগল পিক্সেল ২ এক্সএল ছবির মান নিয়ে প্রশংসা করেছেন। নিসাই নামে একজন লিখেছেন, আমার আইফোন ৬এস ফেলে দেবো। তার পরিবর্তে হাতে তুলে নেবো গুগল পিক্সেল।

ইরা নামে একজন লিখেছেন, সে কি সুন্দর, ওয়াও!
রোজলিনা মানাফ নামে একজন টুইট করেছেন, হ্যাঁ, সে আসলেই একজন লাজুক ছেলে। ২১ বছর বয়সী।
অ্যাশ নামে একজন লিখেছেন, সে খুবই সুন্দর।
টুইট, রি-টুইটে সয়লাব ইন্টারনেট।

সূত্রঃমানব জমিন

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফ্রান্স-ভারতে দাঙ্গা-বিক্ষোভ একই সূত্রে গাঁথা!

প্রবাসী বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিককে নিয়ে ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঝড়

আপডেট সময় ০৮:৩৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০১৯

বাংলাদেশি প্রবাসী এক নির্মাণ শ্রমিককে নিয়ে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ওই শ্রমিকের একটি ছবির ওপর। তার বিস্ময়কর চাহনি, চোখের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই। ফলে তাকে নিয়ে একটি সচিত্র রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইন।
বাংলাদেশি ওই প্রবাসী শ্রমিকের নাম জানা যায়নি। তবে তাকে অনেকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে ব্যবহৃত ছবিগুলোর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার চাহনির মধ্যে রয়েছে এক দৃঢ়চেতা মনোবল। তার চোখ রূপালি।

ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছেন একদৃষ্টে।

গত বৃহস্পতিবার ২১শে মার্চ এই ছবিটি প্রথম পোস্ট করেন আবেদেন মুং। তারপর তা ভাইরাল হয়ে গেছে। তা রিটুইট হয়েছে ২৪ হাজার ৫০০ বার। লাইক করেছেন ৬৮ হাজার ৭০০ মানুষ। আবেদেন মুং এই ছবিটি জালান আইপোর কাছে এমআরটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান থেকে ধারণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন টুইটে।
এ বিষয়ে আবেদেন মুং বলেছেন, আমি একটি ব্লগে কাজ করছিলাম। ঠিক তখনই ওই ব্যক্তিকে দেখতে পাই। কিন্তু ওই সময় আমি অন্য একটি বিষয় ক্যামেরাবন্দি করছিলাম বলে তার ছবি নেয়ার সুযোগ পাই নি। তবে আজ (গত বৃহস্পতিবার) সকালে তাকে সেই একই স্থানে পেয়ে গেলাম। ফলে দ্রুততার সঙ্গে আমার আইফোন এক্সএস ম্যাক্স থাকা সত্ত্বেও দ্রুততার সঙ্গে প্রস্তুত করে নিলাম পিক্সেল ২ এক্সএল। কারণ, ওই ফোনে আমি তখন টেক্সট মেসেজ লিখছিলাম।

তিনি আরো বলেছেন, যেখান থেকে বাংলাদেশি ওই প্রবাসীর ছবি ধারণ করেছেন সেখানে আলো ছিল ছবি ধারণ করার জন্য উত্তম। আর তার পোশাকও ছিল ভালো। তার চোখ এমন দেখাচ্ছিল, যাতে তা ফটোগ্রাফে ধারণ না করে কোনো উপায়ই ছিল না। ফলে তার ছবি ধারণ করাটাই তখন আমার কাছে উত্তম ছিল।

বাংলাদেশি ওই প্রবাসী সম্পর্কে তিনি টুইটে আরো লিখেছেন, ওই বাংলাদেশি ছিলেন অত্যন্ত লাজুক। বাস্তবেই তিনি জানেন না কোনদিকে তাকাতে হবে। এটা এ জন্য হতে পারে যে, আমি ফোনে তার ছবি তুলছিলাম। আমি অনেকবার তাকে ক্যামেরার দিকে আনার চেষ্টা করলাম। ছবি তুললাম। কিন্তু সেগুলো যথেষ্ট ভালো ছিল না। এমনটা চলতেই থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি সত্যিকার অর্থে মোবাইলের ক্যামেরার দিকে না তাকিয়েছেন। তারপরই চূড়ান্ত দফায় তাকে আমি ধারণ করতে পেরেছি। এটা কি সুন্দর নয়?

আবেদেন মুং-এর এমন টুইটের জবাবে অনেকে বলেছেন বাংলাদেশি ওই যুবকের চাহনি দৃষ্টিকাড়া। তিনি দৃঢ়চেতা। চিমপেং নামে একজন টুইটের জবাবে লিখেছেন, তার চোখ বিস্ময়কর। মিসি জোর-এল নামে একজন লিখেছেন, ওর মুখটা খুবই সুন্দর। তার ‘বোন স্ট্রাকচার’ বা মুখের গাঠনিক কাঠামো বিস্ময়কর।

ড্রিউওয়েহ বলেছেন, এই ছবিটি ১৯৮৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের একটি প্রচ্ছদে ব্যবহৃত শরবত গুলা’র কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ওই ছবিটি ধারণ করেছিলেন সাংবাদিক স্টিভ ম্যাকারি। উল্লেখ্য, শরবত গুলা একজন আফগান মেয়ে। তার চোখ সবুজ। মাথায় ছিল লাল স্কার্ফ। তাকিয়ে ছিলেন ক্যামেরার দিকে।
আবেদেন মুং-এর ওই ছবি ও টুইটের জবাবে আরো টুইটার ব্যবহারকারী গুগল পিক্সেল ২ এক্সএল ছবির মান নিয়ে প্রশংসা করেছেন। নিসাই নামে একজন লিখেছেন, আমার আইফোন ৬এস ফেলে দেবো। তার পরিবর্তে হাতে তুলে নেবো গুগল পিক্সেল।

ইরা নামে একজন লিখেছেন, সে কি সুন্দর, ওয়াও!
রোজলিনা মানাফ নামে একজন টুইট করেছেন, হ্যাঁ, সে আসলেই একজন লাজুক ছেলে। ২১ বছর বয়সী।
অ্যাশ নামে একজন লিখেছেন, সে খুবই সুন্দর।
টুইট, রি-টুইটে সয়লাব ইন্টারনেট।

সূত্রঃমানব জমিন