ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বালাগঞ্জে ‘আত-তাকওয়া’ প্রকল্প পরিদর্শনে প্রবীণ কমিউনিটি নেতা শাহনূর চৌধুরী

  • আপডেট সময় ০৯:২০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

এসএম হেলাল: বালাগঞ্জ উপজেলার দেওয়ানবাজার ইউনিয়নের মুক্তারপুর (রুকনপুর) এলাকায় রুকন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ইউকের উদ্যোগে নির্মিতব্য ‘আত-তাকওয়া’ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ কমিউনিটি নেতা, স্কটল্যান্ড প্রবাসী এডভোকেট শাহনূর চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে শাহনূর চৌধুরী বলেন, “যারা মানবকল্যাণে কাজ করেন, তাঁদের সুকর্ম চিরকাল সমাজে বেঁচে থাকে। যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলী আহমদ নেছাওর এবং তাঁর পরিবারের এই মহৎ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। তাদের এই মানবসেবামূলক কাজ সমাজের জন্য এক উজ্জ্বল উদাহরণ। অনেকের সম্পদ থাকলেও ত্যাগের মানসিকতা থাকে না। আমি সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করবো এবং সবাইকে এই মহতী উদ্যোগে সহায়তার আহ্বান জানাই।”

পরিদর্শনকালে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দয়ামীর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও লেখক আব্দুল হাই মোশাহিদ, দেওয়ান আব্দুর রহিম হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান, প্রবীণ মুরব্বী আনছার আলী, বালাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমান জিলু, বর্তমান সহসভাপতি শাহ মো. হেলাল, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ কাদির প্রমুখ।

অতিথিরা প্রকল্পের অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, ‘আত-তাকওয়া’ প্রকল্প শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি সমাজের জন্য এক আলোকবর্তিকা, যা এতিম, অসহায় এবং প্রবীণদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে। এই মহৎ উদ্যোগ নি.সন্দেহে সমাজের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

উল্লেখ্য, ‘আত-তাকওয়া’ প্রকল্পটি রুকন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ইউকের চেয়ারম্যান আলী আহমদ নেছাওর এবং তাঁর পরিবারের প্রচেষ্টায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। ১২০ শতক জমিতে নির্মিতব্য এই প্রকল্পে থাকবে এতিমখানা, হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসা, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বৃদ্ধাশ্রম।

ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকার রাস্তা, মাটি ভরাট, বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন, বৃক্ষরোপণ এবং বাউন্ডারি নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুধু স্থানীয় অঞ্চলে নয়, জাতীয় পর্যায়েও কল্যাণ বয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফুরিয়ে আসছে ফ্রান্সের ক্ষেপণাস্ত্র ‘মিকা’

বালাগঞ্জে ‘আত-তাকওয়া’ প্রকল্প পরিদর্শনে প্রবীণ কমিউনিটি নেতা শাহনূর চৌধুরী

আপডেট সময় ০৯:২০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪

এসএম হেলাল: বালাগঞ্জ উপজেলার দেওয়ানবাজার ইউনিয়নের মুক্তারপুর (রুকনপুর) এলাকায় রুকন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ইউকের উদ্যোগে নির্মিতব্য ‘আত-তাকওয়া’ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ কমিউনিটি নেতা, স্কটল্যান্ড প্রবাসী এডভোকেট শাহনূর চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে শাহনূর চৌধুরী বলেন, “যারা মানবকল্যাণে কাজ করেন, তাঁদের সুকর্ম চিরকাল সমাজে বেঁচে থাকে। যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলী আহমদ নেছাওর এবং তাঁর পরিবারের এই মহৎ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। তাদের এই মানবসেবামূলক কাজ সমাজের জন্য এক উজ্জ্বল উদাহরণ। অনেকের সম্পদ থাকলেও ত্যাগের মানসিকতা থাকে না। আমি সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করবো এবং সবাইকে এই মহতী উদ্যোগে সহায়তার আহ্বান জানাই।”

পরিদর্শনকালে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দয়ামীর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও লেখক আব্দুল হাই মোশাহিদ, দেওয়ান আব্দুর রহিম হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান, প্রবীণ মুরব্বী আনছার আলী, বালাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমান জিলু, বর্তমান সহসভাপতি শাহ মো. হেলাল, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ কাদির প্রমুখ।

অতিথিরা প্রকল্পের অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, ‘আত-তাকওয়া’ প্রকল্প শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি সমাজের জন্য এক আলোকবর্তিকা, যা এতিম, অসহায় এবং প্রবীণদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে। এই মহৎ উদ্যোগ নি.সন্দেহে সমাজের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

উল্লেখ্য, ‘আত-তাকওয়া’ প্রকল্পটি রুকন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ইউকের চেয়ারম্যান আলী আহমদ নেছাওর এবং তাঁর পরিবারের প্রচেষ্টায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। ১২০ শতক জমিতে নির্মিতব্য এই প্রকল্পে থাকবে এতিমখানা, হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসা, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বৃদ্ধাশ্রম।

ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকার রাস্তা, মাটি ভরাট, বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন, বৃক্ষরোপণ এবং বাউন্ডারি নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুধু স্থানীয় অঞ্চলে নয়, জাতীয় পর্যায়েও কল্যাণ বয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।