২০২৫ সালে ব্রিটিশ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা আমেরিকান নাগরিকদের সংখ্যারেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সময়ে, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরসম্পন্ন করেন।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হোম অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মোট ৮,৭৯০ জনআমেরিকান যুক্তরাজ্যে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। তারা নিবন্ধন বান্যাচারালাইজেশনের মাধ্যমে এই আবেদন করেছেন।
এটি ২০২৪ সালের তুলনায় ৪২% বেশি। এছাড়া গত বছরের শেষ প্রান্তিকে (চতুর্থত্রৈমাসিকে) রেকর্ড ২,৪৯০টি আবেদন জমা পড়ে।
আইন প্রতিষ্ঠান কিংসলে নাপলের ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রধান নিক রোলাসন ব্লুমবার্গ পত্রিকাকে বলেন, “বিশ্বব্যাপী চলাচলের সুযোগ খুঁজছেন এমন মার্কিন নাগরিকদেরআগ্রহ বাড়তেই আছে, এবং নাগরিকত্ব সেই সুযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”
তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালে একটি নিয়ম পরিবর্তন করা হয়, যার ফলে যেসবআমেরিকানের ব্রিটিশ দাদি বা নানি আছেন তারা ব্রিটিশ নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকরতে পারেন। এই পরিবর্তন আবেদনকারীর সংখ্যা বাড়াতে সহায়তা করেছে।
তবে অনেকের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিকপরিবেশও যুক্তরাজ্যে যেতে আগ্রহী আমেরিকানদের সংখ্যা বাড়ার বড় কারণ।
ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির সময় যুক্তরাষ্ট্র এবং তার ঐতিহ্যগত ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যেদূরত্ব বাড়তে দেখা গেছে। সাম্প্রতিক গ্রিনল্যান্ড–সংক্রান্ত বিতর্ক সেই বিষয়টি আরওস্পষ্ট করেছে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ট্রাম্প প্রশাসনের ইমিগ্রেশন নীতি এবং U.S. Immigration and Customs Enforcement (ICE) এর ব্যবহার, এবং কঠোরঅভিবাসন নীতির কারণে দেশটির রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়েউঠেছে। এসব কারনে অনেক আমেরিকান বিকল্প খুজছেন বলে মনে করা হচ্ছে।








