ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শহীদ হাদি হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে নগরীতে পদযাত্রা ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাঙ্কিত সাফল্য অর্জন সম্ভব- ব্যারিস্টার এম এ সালাম সামাজিক এসোসিয়েশন সাফ’র কমিটি পুনর্গঠন : সভাপতি এনকে নয়ন, সম্পাদক শাহিন সামাজিক এসোসিয়েশন সাফ’র কমিটি পুনর্গঠন :  সভাপতি এনকে নয়ন, সম্পাদক শাহিন নির্বাচনী ইস্তেহারে শিক্ষার সুস্পষ্ট রূপরেখা চাই সিলেট প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির সাথে ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ও ফ্রান্স দর্পণ পরিবার মত বিনিময় বিদায়ী শিক্ষকদের সংবর্ধনা ও মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান আপোষহীন নেত্রীর চির বিদায় : শোকে মুহ্যমান গোটা জাতি এনসিপি থেকে তাসনিম জারার পদত্যাগ, নির্বাচন নিয়ে নতুন ঘোষণা শহীদ ওসমান হাদীঃ বিস্ময়কর উত্থান, খনিক উজ্জ্বল আলো, ঘাতকের বুলেটে নেমে আসা অন্ধকার

ধন্যবাদ বাংলাদেশের পুলিশকে, প্রাপ্য স্বীকৃতি পাওয়া উচিৎ

  • আপডেট সময় ১১:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ নভেম্বর ২০২০
  • ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মাদ হাবিব ঃঃ রায়হান আহমেদের হত্যাকারির অন্যতম প্রধান আসামি আকবর ভূইয়াকে আটক পরবর্তি বাংলাদেশ পুলিশের সিলেট বিভাগীয় প্রধানের অন্যতম এসপি ফরিদ উদ্দিন ও রহিম উদ্দিনের কর্ম ও বক্তব্য নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।

আকবর যখন ভারতে চলে গেছে, বাংলাদেশের পুলিশের পক্ষে সম্ভব হবেনা ভারত থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা। সেটা কোন আবস্থায় সম্ভবও নহে। এখানে দুটি দেশের আইনি বাঁধা রয়েছে।

তবে জেলা পুলিশের দায়িত্ব থেকে বেসরকারি ভাবে সোর্স নিয়োগ করা হয় গ্রেফতারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে।যা পুলিশের পক্ষে সম্ভব নহে ভারতের খাসিয়া পূজিতে গিয়ে আকবরকে গ্রেফতার করা।

আমার চিন্তা থেকে বুঝেছি আইনের বাঁধা বিপত্তির কারনে পুলিশের সহযোগি হিসাবে রহিমকে পুলিশ সোর্স হিসাবে কাজে লাগাইয়াছেন। রহিম একটি কথা বলছিলেন আকবর কে যখন রশি দিয়ে বাঁধতে আকবর বাঁধা দেয়, তখন রহিম উদ্দিন বলছিল তোই আমাকে চিনস, তোমাকে বেধে ছবি দিতে হবে আমাকে। এতে প্রমানিত হয় রহিম পুলিশের নিয়োগকৃত সোর্স।

এদিকে এসপি ফরিদ উদ্দিনকে বার বার প্রশ্ন করা হয় যে আপনারা কেন গ্রেফতার করেনি ? বুঝার দরকার যে একজন দায়িত্বশীল এসপি ফরিদ উদ্দিন কোন আবস্থায় বলতে পারবেন না যে আমরা ভারত থেকে আমরা গ্রেফতার করেছি। যার কারনে বার বার তিনি বলছেন কানাইঘাট সীমান্ত থেকে আমরা তাদেরকে গ্রেফতার করেছি।

জনগনের উচিত এসপি ফরিদ উদ্দিনের বক্তব্য কে আমলে নেওয়া, উনি যে সত্য বলছেন এটা মেনে নেওয়া।

আমার চিন্তা থেকে বলছি আকবর ভূইয়া গ্রেফতারে পুলিশের চেষ্টা ও সহযোগিতা কমতি ছিলনা, আর রহিম উদ্দিন পুলিশের নিয়োগকৃত সোর্স। উভয়ই উভয়ের সাহযোগি এই ঘঠনায় ধন্যবাদ পুলিশকে এবং রহিম উদ্দিন কে।

আর যারা আবেগে আপ্লুত হয়ে অতি উৎসাহি হয়ে এসপি পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন সহ পুলিশদের কে গালাগালি করছেন এটা কোন আবস্থায় সঠিক নয় ? পুলিশের উপর অধিকাংশ মানুষ বেশীর ভাগ সময় অভিযোগ থাকে, তাই বলে ভাল কাজকে কেন আমরা মানতে পারিনা না ? একজন নাগরিক হিসাবে প্রত্যেকের উচিত মন্দ কাজের সমালোচনার পাশাপাশি ভাল কাজের মূল্যায়ন ও ধন্যবাদ জানানো উচিত ।

আকবর ভূইয়াকে গ্রেফতারে সোর্স হিসাবে যিনি নিয়োজিত ছিলেন, তিনি গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারেন নাই, এটা তার দোষ নয়, লক্ষ কোটি মানুষের মতো তিনিও আবেগ প্রবন হয়ে কিছু কথা বলে ফেলছেন, পেশাদারদের মত গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারেননি।যার জন্য পুলিশের সাথে অনেকের দুরত্ব সৃষ্টি হয়েছে যেমন, তেমনী রহিম উদ্দিনের সাথেও। একজন প্রবাসী হিসাবে এসপি ফরিদ উদ্দিন সাহেব কে অনুরোধ করছি বিষয়টা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য, বিষেশ করে রহিম উদ্দিনের বিষয়টি।

ধন্যবাদ বাংলাদেশ পুলিশের এসপি ফরিদ উদ্দিন কে। রায়হান হত্যার প্রধান আসামী আকবর ভূইয়াকে গ্রেফতারে চক তৈরী করে থাকে গ্রেফতারের জন্য।

পরিশেষে একজন প্রবাসী হিসাবে কোটি প্রবাসীদের পক্ষ থেকে আসা প্রকাশ করিতেছি এই নির্মম হত্যার সঠিক বিচারের মাধ্যমে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হয়।

লেখক ঃঃ ফ্রান্স প্রবাসী রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী

                                               মোহাম্মাদ হাবীব 
                                              ফ্রান্স প্রবাসী
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

শহীদ হাদি হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে নগরীতে পদযাত্রা

ধন্যবাদ বাংলাদেশের পুলিশকে, প্রাপ্য স্বীকৃতি পাওয়া উচিৎ

আপডেট সময় ১১:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ নভেম্বর ২০২০

মোহাম্মাদ হাবিব ঃঃ রায়হান আহমেদের হত্যাকারির অন্যতম প্রধান আসামি আকবর ভূইয়াকে আটক পরবর্তি বাংলাদেশ পুলিশের সিলেট বিভাগীয় প্রধানের অন্যতম এসপি ফরিদ উদ্দিন ও রহিম উদ্দিনের কর্ম ও বক্তব্য নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।

আকবর যখন ভারতে চলে গেছে, বাংলাদেশের পুলিশের পক্ষে সম্ভব হবেনা ভারত থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা। সেটা কোন আবস্থায় সম্ভবও নহে। এখানে দুটি দেশের আইনি বাঁধা রয়েছে।

তবে জেলা পুলিশের দায়িত্ব থেকে বেসরকারি ভাবে সোর্স নিয়োগ করা হয় গ্রেফতারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে।যা পুলিশের পক্ষে সম্ভব নহে ভারতের খাসিয়া পূজিতে গিয়ে আকবরকে গ্রেফতার করা।

আমার চিন্তা থেকে বুঝেছি আইনের বাঁধা বিপত্তির কারনে পুলিশের সহযোগি হিসাবে রহিমকে পুলিশ সোর্স হিসাবে কাজে লাগাইয়াছেন। রহিম একটি কথা বলছিলেন আকবর কে যখন রশি দিয়ে বাঁধতে আকবর বাঁধা দেয়, তখন রহিম উদ্দিন বলছিল তোই আমাকে চিনস, তোমাকে বেধে ছবি দিতে হবে আমাকে। এতে প্রমানিত হয় রহিম পুলিশের নিয়োগকৃত সোর্স।

এদিকে এসপি ফরিদ উদ্দিনকে বার বার প্রশ্ন করা হয় যে আপনারা কেন গ্রেফতার করেনি ? বুঝার দরকার যে একজন দায়িত্বশীল এসপি ফরিদ উদ্দিন কোন আবস্থায় বলতে পারবেন না যে আমরা ভারত থেকে আমরা গ্রেফতার করেছি। যার কারনে বার বার তিনি বলছেন কানাইঘাট সীমান্ত থেকে আমরা তাদেরকে গ্রেফতার করেছি।

জনগনের উচিত এসপি ফরিদ উদ্দিনের বক্তব্য কে আমলে নেওয়া, উনি যে সত্য বলছেন এটা মেনে নেওয়া।

আমার চিন্তা থেকে বলছি আকবর ভূইয়া গ্রেফতারে পুলিশের চেষ্টা ও সহযোগিতা কমতি ছিলনা, আর রহিম উদ্দিন পুলিশের নিয়োগকৃত সোর্স। উভয়ই উভয়ের সাহযোগি এই ঘঠনায় ধন্যবাদ পুলিশকে এবং রহিম উদ্দিন কে।

আর যারা আবেগে আপ্লুত হয়ে অতি উৎসাহি হয়ে এসপি পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন সহ পুলিশদের কে গালাগালি করছেন এটা কোন আবস্থায় সঠিক নয় ? পুলিশের উপর অধিকাংশ মানুষ বেশীর ভাগ সময় অভিযোগ থাকে, তাই বলে ভাল কাজকে কেন আমরা মানতে পারিনা না ? একজন নাগরিক হিসাবে প্রত্যেকের উচিত মন্দ কাজের সমালোচনার পাশাপাশি ভাল কাজের মূল্যায়ন ও ধন্যবাদ জানানো উচিত ।

আকবর ভূইয়াকে গ্রেফতারে সোর্স হিসাবে যিনি নিয়োজিত ছিলেন, তিনি গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারেন নাই, এটা তার দোষ নয়, লক্ষ কোটি মানুষের মতো তিনিও আবেগ প্রবন হয়ে কিছু কথা বলে ফেলছেন, পেশাদারদের মত গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারেননি।যার জন্য পুলিশের সাথে অনেকের দুরত্ব সৃষ্টি হয়েছে যেমন, তেমনী রহিম উদ্দিনের সাথেও। একজন প্রবাসী হিসাবে এসপি ফরিদ উদ্দিন সাহেব কে অনুরোধ করছি বিষয়টা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য, বিষেশ করে রহিম উদ্দিনের বিষয়টি।

ধন্যবাদ বাংলাদেশ পুলিশের এসপি ফরিদ উদ্দিন কে। রায়হান হত্যার প্রধান আসামী আকবর ভূইয়াকে গ্রেফতারে চক তৈরী করে থাকে গ্রেফতারের জন্য।

পরিশেষে একজন প্রবাসী হিসাবে কোটি প্রবাসীদের পক্ষ থেকে আসা প্রকাশ করিতেছি এই নির্মম হত্যার সঠিক বিচারের মাধ্যমে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হয়।

লেখক ঃঃ ফ্রান্স প্রবাসী রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী

                                               মোহাম্মাদ হাবীব 
                                              ফ্রান্স প্রবাসী