ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
গণভোটে “হ্যাঁ” বলুন শরীফ ওসমান হাদী: নৈতিক সাহস ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা শহীদ হাদি হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে নগরীতে পদযাত্রা ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাঙ্কিত সাফল্য অর্জন সম্ভব- ব্যারিস্টার এম এ সালাম সামাজিক এসোসিয়েশন সাফ’র কমিটি পুনর্গঠন : সভাপতি এনকে নয়ন, সম্পাদক শাহিন সামাজিক এসোসিয়েশন সাফ’র কমিটি পুনর্গঠন :  সভাপতি এনকে নয়ন, সম্পাদক শাহিন নির্বাচনী ইস্তেহারে শিক্ষার সুস্পষ্ট রূপরেখা চাই সিলেট প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির সাথে ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ও ফ্রান্স দর্পণ পরিবার মত বিনিময় বিদায়ী শিক্ষকদের সংবর্ধনা ও মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান আপোষহীন নেত্রীর চির বিদায় : শোকে মুহ্যমান গোটা জাতি

ফরাসি প্রধানমন্ত্রীর হুশিয়ারি : আরও ভয়ঙ্কর দিন আসছে

  • আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২০
  • ৪৪৯ বার পড়া হয়েছে

ফ্রান্সের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ববাসীকে হুশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী এদোয়ার্ড ফিলিপ। তিনি বলেছেন, সামনে আরও ভয়ঙ্কর দিন আসছে। দেশজুড়ে করোনার সুনামি বয়ে যেতে পারে। আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে বলেও কড়া সতর্কতা জারি করেছেন তিনি।

করোনা নিয়ে রাজধানী প্যারিসে শুক্রবার মন্ত্রিসভার এক জরুরি বৈঠক করেন ফিলিপ। এরপর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা এক মহা সংকটের মধ্যে আছি। যা বহুদিন স্থায়ী হতে পারে। দেশের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি শিগগিরই স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’

লন্ডন, মাদ্রিদ ও নিউইয়র্কের মতো স্রোতের মতো করোনার রোগী আসছে প্যারিসের হাসপাতালগুলোতে। প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। এদিকে করোনা রোগীর চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোর মতোই ফ্রান্সে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা। এক প্রতিবেদনে জানা যায়, দেশটিতে প্রতি তিন দিনে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে।

পরিস্থিতিকে ইতিমধ্যে ‘অত্যন্ত ভয়ংকর’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান জেরোম সলোমন। দেশটির ২৫ হাজারের বেশি ব্যক্তি করোনায় কবলে পড়েছেন। মারা গেছেন ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি। মৃত্যুর হার ২১ শতাংশে। তবে মৃত্যুর এই সংখ্যাটি কেবল হাসপাতাল নির্ভর। স্পেনের মতো বাড়িতে বাড়িতে বহু বুদ্ধ মানুষ মারা গেছেন বলে মনে করছেন অনেকে। এটা যুক্ত হলে মৃত্যুর মিছিল আরও বড় হবে।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে ফরাসি সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই সর্বোচ্চ জননিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সারাদেশে লকডাউন তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। দুই সপ্তাহ ধরে থমকে আছে ফ্রান্সের স্বাভাবিক জীবনযাপন।

গত ১৪ মার্চ থেকে দেশটিতে ফার্মেসি, গ্রোসারি শপ, টোব্যাকো শপ, পোস্ট অফিস, ব্যাংক ও সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেন।

সূত্রঃযুগান্তর

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

গণভোটে “হ্যাঁ” বলুন

ফরাসি প্রধানমন্ত্রীর হুশিয়ারি : আরও ভয়ঙ্কর দিন আসছে

আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২০

ফ্রান্সের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ববাসীকে হুশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী এদোয়ার্ড ফিলিপ। তিনি বলেছেন, সামনে আরও ভয়ঙ্কর দিন আসছে। দেশজুড়ে করোনার সুনামি বয়ে যেতে পারে। আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে বলেও কড়া সতর্কতা জারি করেছেন তিনি।

করোনা নিয়ে রাজধানী প্যারিসে শুক্রবার মন্ত্রিসভার এক জরুরি বৈঠক করেন ফিলিপ। এরপর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা এক মহা সংকটের মধ্যে আছি। যা বহুদিন স্থায়ী হতে পারে। দেশের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি শিগগিরই স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’

লন্ডন, মাদ্রিদ ও নিউইয়র্কের মতো স্রোতের মতো করোনার রোগী আসছে প্যারিসের হাসপাতালগুলোতে। প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। এদিকে করোনা রোগীর চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোর মতোই ফ্রান্সে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা। এক প্রতিবেদনে জানা যায়, দেশটিতে প্রতি তিন দিনে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে।

পরিস্থিতিকে ইতিমধ্যে ‘অত্যন্ত ভয়ংকর’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান জেরোম সলোমন। দেশটির ২৫ হাজারের বেশি ব্যক্তি করোনায় কবলে পড়েছেন। মারা গেছেন ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি। মৃত্যুর হার ২১ শতাংশে। তবে মৃত্যুর এই সংখ্যাটি কেবল হাসপাতাল নির্ভর। স্পেনের মতো বাড়িতে বাড়িতে বহু বুদ্ধ মানুষ মারা গেছেন বলে মনে করছেন অনেকে। এটা যুক্ত হলে মৃত্যুর মিছিল আরও বড় হবে।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে ফরাসি সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই সর্বোচ্চ জননিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সারাদেশে লকডাউন তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। দুই সপ্তাহ ধরে থমকে আছে ফ্রান্সের স্বাভাবিক জীবনযাপন।

গত ১৪ মার্চ থেকে দেশটিতে ফার্মেসি, গ্রোসারি শপ, টোব্যাকো শপ, পোস্ট অফিস, ব্যাংক ও সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেন।

সূত্রঃযুগান্তর