ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্যারিসে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করেছে সলিডারিতে আজি ফ্রান্স রিফর্ম ইউকের বহু সদস্য চান বিদেশে জন্ম নেওয়া অশ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশরা যুক্তরাজ্য ছাড়ুক হাসনাত আরিয়ান খান-এর মায়ের মৃত্যুতে ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদকের শোক আমাতে তোমার অনুভূতি- রকিবুল ইসলাম ভাষাপ্রকৌশল ও কালচারাল হেজিমনি: শব্দের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক ও এওয়ার্ড বিতরন অনুষ্ঠান সম্পন্ন পরিমিতির প্রকোষ্ঠে নির্বাসিত অরণ্য – মেশকাতুন নাহার আধিপত্যবাদের নগ্নরূপ: আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট নিদ্রিত শুদ্ধতার প্রান্তরে অশুদ্ধতার কর্ণভেদী উল্লাস শেরপুরে অসহায় পরিবারের জন্য বসতঘর নির্মাণ ও হস্তান্তর করলো ফ্রান্স ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সাফ

মোর ক্ষতের প্রলেপ – রকিবুল ইসলাম

  • আপডেট সময় ১০:৫১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২৫৭ বার পড়া হয়েছে
মোর ক্ষতের প্রলেপ!
রকিবুল ইসলাম
আমিত কাহারো অবহেলার স্বীকার মর্মন্তুদ এক আহত প্রাণী।
প্রগাঢ় অভিমান লইয়া কালের চোরা স্রোতে
তলাইয়া যাইতে বসা এক অসহায় যাত্রী।
নিঃসীম আঁধারবেষ্টিত রজনীতে আলোর পিদিম হস্তে অপেক্ষামাণ সতত নিষ্পলক এক চাতক পাখি।
ঝড়-ঝঁঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ নিশীথে সবকিছু হারাইয়া ফেলা সর্বহারা এক ফেরারী মাঝি।
স্বপ্ন’ই যাহার একমাত্র আলোকবর্তিকা,
আশা-আকঙ্খা-ই যাহার অবলম্বন,সবেধন নীলমণি,একমাত্র তরী।
মহারাণী যখন আসিল না ফিরিয়া,
প্রতীক্ষা ব্যতীত কি আর করি!
শত-সহস্র বেদনা লুকাইয়া অশ্রুসজল নেত্রে শুধু তাহারেই স্মরি!
তাহার স্মৃতি হাতড়াইয়া বেড়াইবার
অধিকারটুকুও যদি সে নেয় কাঁড়িয়া।
পাড়ি জমাইব,যাইব তবে এই ধরণী ছাড়িয়া ওপারে না ফিরিবার দেশে হারাইয়া।
কাঁদিওনা তখন,ঝরাইওনা তোমার নেত্র হইতে বিসর্জিত মুক্তবিন্দুর মত অশ্রু।
সযতনে রাখিও তাহা,মোর ক্ষতে প্রলেপ দিবার লাগিয়া।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

প্যারিসে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করেছে সলিডারিতে আজি ফ্রান্স

মোর ক্ষতের প্রলেপ – রকিবুল ইসলাম

আপডেট সময় ১০:৫১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
মোর ক্ষতের প্রলেপ!
রকিবুল ইসলাম
আমিত কাহারো অবহেলার স্বীকার মর্মন্তুদ এক আহত প্রাণী।
প্রগাঢ় অভিমান লইয়া কালের চোরা স্রোতে
তলাইয়া যাইতে বসা এক অসহায় যাত্রী।
নিঃসীম আঁধারবেষ্টিত রজনীতে আলোর পিদিম হস্তে অপেক্ষামাণ সতত নিষ্পলক এক চাতক পাখি।
ঝড়-ঝঁঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ নিশীথে সবকিছু হারাইয়া ফেলা সর্বহারা এক ফেরারী মাঝি।
স্বপ্ন’ই যাহার একমাত্র আলোকবর্তিকা,
আশা-আকঙ্খা-ই যাহার অবলম্বন,সবেধন নীলমণি,একমাত্র তরী।
মহারাণী যখন আসিল না ফিরিয়া,
প্রতীক্ষা ব্যতীত কি আর করি!
শত-সহস্র বেদনা লুকাইয়া অশ্রুসজল নেত্রে শুধু তাহারেই স্মরি!
তাহার স্মৃতি হাতড়াইয়া বেড়াইবার
অধিকারটুকুও যদি সে নেয় কাঁড়িয়া।
পাড়ি জমাইব,যাইব তবে এই ধরণী ছাড়িয়া ওপারে না ফিরিবার দেশে হারাইয়া।
কাঁদিওনা তখন,ঝরাইওনা তোমার নেত্র হইতে বিসর্জিত মুক্তবিন্দুর মত অশ্রু।
সযতনে রাখিও তাহা,মোর ক্ষতে প্রলেপ দিবার লাগিয়া।