ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠলো বিশ্বকাপের বিশ্বকাপের সব খেলোয়াড়ের নাম ও জার্সি নম্বর এক নজরে দেখে নিন সর্বকালের সেরা গোলদাতার দৌড়ে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে পিক দ্যু মিদি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের দৌড়ে,এলিসি প্রাসাদে প্রার্থিতার সমর্থনে বিশেষ সংবর্ধনা ফ্রান্সে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত ফেভারিটদের মহারণ ওলিসের হেট্রিকে উত্তর আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে ফ্রান্স গাজীপুর জেলা অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্সের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আল্লামা গহর পুরী প্রশ্নে অবস্থান পরিষ্কার করলেন সাংসদ এম এ মালেক বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান

মোর ক্ষতের প্রলেপ – রকিবুল ইসলাম

  • আপডেট সময় ১০:৫১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২৯৫ বার পড়া হয়েছে
মোর ক্ষতের প্রলেপ!
রকিবুল ইসলাম
আমিত কাহারো অবহেলার স্বীকার মর্মন্তুদ এক আহত প্রাণী।
প্রগাঢ় অভিমান লইয়া কালের চোরা স্রোতে
তলাইয়া যাইতে বসা এক অসহায় যাত্রী।
নিঃসীম আঁধারবেষ্টিত রজনীতে আলোর পিদিম হস্তে অপেক্ষামাণ সতত নিষ্পলক এক চাতক পাখি।
ঝড়-ঝঁঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ নিশীথে সবকিছু হারাইয়া ফেলা সর্বহারা এক ফেরারী মাঝি।
স্বপ্ন’ই যাহার একমাত্র আলোকবর্তিকা,
আশা-আকঙ্খা-ই যাহার অবলম্বন,সবেধন নীলমণি,একমাত্র তরী।
মহারাণী যখন আসিল না ফিরিয়া,
প্রতীক্ষা ব্যতীত কি আর করি!
শত-সহস্র বেদনা লুকাইয়া অশ্রুসজল নেত্রে শুধু তাহারেই স্মরি!
তাহার স্মৃতি হাতড়াইয়া বেড়াইবার
অধিকারটুকুও যদি সে নেয় কাঁড়িয়া।
পাড়ি জমাইব,যাইব তবে এই ধরণী ছাড়িয়া ওপারে না ফিরিবার দেশে হারাইয়া।
কাঁদিওনা তখন,ঝরাইওনা তোমার নেত্র হইতে বিসর্জিত মুক্তবিন্দুর মত অশ্রু।
সযতনে রাখিও তাহা,মোর ক্ষতে প্রলেপ দিবার লাগিয়া।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফুটবল বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বাংলাদেশি কমিউনিটির সম্ভাব্য প্রভাব

মোর ক্ষতের প্রলেপ – রকিবুল ইসলাম

আপডেট সময় ১০:৫১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
মোর ক্ষতের প্রলেপ!
রকিবুল ইসলাম
আমিত কাহারো অবহেলার স্বীকার মর্মন্তুদ এক আহত প্রাণী।
প্রগাঢ় অভিমান লইয়া কালের চোরা স্রোতে
তলাইয়া যাইতে বসা এক অসহায় যাত্রী।
নিঃসীম আঁধারবেষ্টিত রজনীতে আলোর পিদিম হস্তে অপেক্ষামাণ সতত নিষ্পলক এক চাতক পাখি।
ঝড়-ঝঁঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ নিশীথে সবকিছু হারাইয়া ফেলা সর্বহারা এক ফেরারী মাঝি।
স্বপ্ন’ই যাহার একমাত্র আলোকবর্তিকা,
আশা-আকঙ্খা-ই যাহার অবলম্বন,সবেধন নীলমণি,একমাত্র তরী।
মহারাণী যখন আসিল না ফিরিয়া,
প্রতীক্ষা ব্যতীত কি আর করি!
শত-সহস্র বেদনা লুকাইয়া অশ্রুসজল নেত্রে শুধু তাহারেই স্মরি!
তাহার স্মৃতি হাতড়াইয়া বেড়াইবার
অধিকারটুকুও যদি সে নেয় কাঁড়িয়া।
পাড়ি জমাইব,যাইব তবে এই ধরণী ছাড়িয়া ওপারে না ফিরিবার দেশে হারাইয়া।
কাঁদিওনা তখন,ঝরাইওনা তোমার নেত্র হইতে বিসর্জিত মুক্তবিন্দুর মত অশ্রু।
সযতনে রাখিও তাহা,মোর ক্ষতে প্রলেপ দিবার লাগিয়া।