ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্যারিসে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করেছে সলিডারিতে আজি ফ্রান্স রিফর্ম ইউকের বহু সদস্য চান বিদেশে জন্ম নেওয়া অশ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশরা যুক্তরাজ্য ছাড়ুক হাসনাত আরিয়ান খান-এর মায়ের মৃত্যুতে ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদকের শোক আমাতে তোমার অনুভূতি- রকিবুল ইসলাম ভাষাপ্রকৌশল ও কালচারাল হেজিমনি: শব্দের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক ও এওয়ার্ড বিতরন অনুষ্ঠান সম্পন্ন পরিমিতির প্রকোষ্ঠে নির্বাসিত অরণ্য – মেশকাতুন নাহার আধিপত্যবাদের নগ্নরূপ: আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট নিদ্রিত শুদ্ধতার প্রান্তরে অশুদ্ধতার কর্ণভেদী উল্লাস শেরপুরে অসহায় পরিবারের জন্য বসতঘর নির্মাণ ও হস্তান্তর করলো ফ্রান্স ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সাফ

যে কোন দেশের সমৃদ্ধির জন্য সরকারের ধারাবাহিকতা দরকার: ফরাসী সংসদ সদস্য

  • আপডেট সময় ০৯:০৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮
  • ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক :বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অভ্যন্তরীন সমস্যা মোকাবেলার জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পুনরায় নির্বাচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ফরাসী সংসদ সদস্য জ্য ফ্রাসোয়া এমবায়ে।
গত ২ অক্টোবর মঙ্গলবার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একটি অভিজাত সেমিনার কক্ষে ‘রোহিঙ্গা শরনার্থী এবং শেখ হাসিনার মানবতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে এ কথা বলেন তিনি।
ফ্রান্স ভিত্তিক গবেষনা প্রতিষ্ঠান ফ্রান্স-বাংলা সেন্টার ফর কম্যুনিকেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট (এফবিসিসিডি) আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিখি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরাসী জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য জ্য ফ্রাসোয়া এমবায়ে। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদুত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন। সেমিনারে মুল প্রবন্ধ পাঠ করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ফারুক নওয়াজ খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জ্য ফ্রাসোয়া বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান হওয়া দরকার। তাদের জন্য স্থায়ী পরিচয়পত্র দেয়া হলেই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফর হবে বলে মনে করেন তিনি। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের সে দেশে প্রত্যাবাসনের পর যেন আবার তাদের ফেরত পাঠানো না হয় সেদিকটি নিশ্চিত করার দরকার।

ফ্রান্স সরকার ইতিমধ্যে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে উল্লেখ করে এ সংসদ সদস্য বলেন, আমরা এ সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান চাই। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সে দেশের উপকুল অঞ্চলে দশ লাখের বেশী রোহিঙ্গা শরনার্থীকে আশ্রয় দিয়ে বিশ্ব মানবতার অঙ্গনে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ফ্রান্স সরকার সেটা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরন করে। এ সমস্যা সমাধানে ফ্রান্স সরকার সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে প্রধান অতিথি বলেন, দেশটির রাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীন স্থিতিশীলতার জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার পুননির্বাচিত হলে ভাল হয়। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফল বলে মনে করেন তিনি।
সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদুত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, বাংলা্দেশের সরকার রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য কুটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে এ বিষয়ে যে সব প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন সেগুলোর ভিত্তিতেই সমাধান হওয়া দরকার বলে তিনি জানান।
রাষ্ট্রদুত বলেন, শরনার্থীদের জন্য তিনটি রাস্তা খোলা থাকে। তাদের ফিরিয়ে দেয়া, তৃতীয় কোন দেশে পাঠিয়ে দেয়া অথবা সংশ্লিষ্ট দেশের মুল স্রোতে মিলিয়ে দেয়া। রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে এ তিনটির একটিও প্রয়োগ করা যাচ্ছে না। মিয়ানমারের সৃষ্ট এ সমস্যা তাদেরই সমাধান করতে হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদুত বলেন, আমাদের সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে যথেষ্ট মানবিক তবে এ সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান কৃটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সম্ভব।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশিত পথেই এগোচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদুত বলেন, আমরা সকলের বন্ধু, কারো সঙ্গে কোন বৈরীতা নেই। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান এ পথেই আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মুল প্রবন্ধে প্রবাসী সাংবাদিক ও রাজনীতিক ফারুক নওয়াজ খান বলেন, বাংলাদেশের সরকার এবং জনগন যদি মিয়ানমারের মতো অমানবিক হতো তাহলে এ বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর প্রান হারাতে হতো। তারা পেতো না কোন আশ্রয়। প্রতিটি মানুষের রয়েছে বেচে থাকার অধিকার। কিন্তু মিয়ানমানর সরকার রোহিঙ্গাদের এ অধিকার হরন করছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গোষ্ঠীর অনুরোধ স্বত্বেও।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমার থেকে আসা বিশাল জনস্রোতকে অবহেলা করেননি। তিনি মাতৃস্নেহে তাদের আলিঙ্গন করেছেন। মানবতার আদর্শে উদ্দীপ্ত হয়ে তিনি তাদের আশ্রয় দিয়েছেন। নিজ দেশের সীমিত সামর্থ্যের পর ও তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন। তাদের বাসস্থান, খাদ্য, চিকিৎসা সব নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন্ পাশাপাশি আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে এ বিষয়টিকে তুলে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেবার চেষ্টা করছেন।
২০১৭ সালে ১০ লাখেরও বেশী রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দান করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন প্রকৃত নেতৃত্ব যে কোন সমস্যায় কখনো বিচলিত হন না।
একদিকে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের চাপ অন্যদিকে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি আনয়নের যে অঙ্গীকার শেখ হাসিনা করেছিলেন তাতে তিনি সফল হয়েছেন।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের মাধ্যমে যে মানবতার দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন সেটা বিশ্ব নেতৃত্বের জন্য অনুকরনীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করে ফারুক নওয়াজ খান বলেন, সে আশ্রয় দান একটি সাময়িক সময়ের জন্য বিবেচনা করে বিশ্ব নেতৃত্ব রোহিঙ্গা শরনার্থীদের তাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের উপর অধিক কুটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে বলে আমরা আশাকরি।
সেমিনারের সফলতা এবং প্রধানমন্ত্রীর মানবতা নিয়ে টেলিফোনে বক্তব্য রাখেন সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ সেলিম, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রানা চৌধুরী, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহীন আরমান চৌধুরী, ফ্রান্স প্রবাসী সাংবাদিক অধ্যাপক শামসুল ইসলাম প্রমুখ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

প্যারিসে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করেছে সলিডারিতে আজি ফ্রান্স

যে কোন দেশের সমৃদ্ধির জন্য সরকারের ধারাবাহিকতা দরকার: ফরাসী সংসদ সদস্য

আপডেট সময় ০৯:০৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮

ডেস্ক :বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অভ্যন্তরীন সমস্যা মোকাবেলার জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পুনরায় নির্বাচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ফরাসী সংসদ সদস্য জ্য ফ্রাসোয়া এমবায়ে।
গত ২ অক্টোবর মঙ্গলবার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একটি অভিজাত সেমিনার কক্ষে ‘রোহিঙ্গা শরনার্থী এবং শেখ হাসিনার মানবতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে এ কথা বলেন তিনি।
ফ্রান্স ভিত্তিক গবেষনা প্রতিষ্ঠান ফ্রান্স-বাংলা সেন্টার ফর কম্যুনিকেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট (এফবিসিসিডি) আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিখি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরাসী জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য জ্য ফ্রাসোয়া এমবায়ে। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদুত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন। সেমিনারে মুল প্রবন্ধ পাঠ করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ফারুক নওয়াজ খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জ্য ফ্রাসোয়া বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান হওয়া দরকার। তাদের জন্য স্থায়ী পরিচয়পত্র দেয়া হলেই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফর হবে বলে মনে করেন তিনি। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের সে দেশে প্রত্যাবাসনের পর যেন আবার তাদের ফেরত পাঠানো না হয় সেদিকটি নিশ্চিত করার দরকার।

ফ্রান্স সরকার ইতিমধ্যে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে উল্লেখ করে এ সংসদ সদস্য বলেন, আমরা এ সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান চাই। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সে দেশের উপকুল অঞ্চলে দশ লাখের বেশী রোহিঙ্গা শরনার্থীকে আশ্রয় দিয়ে বিশ্ব মানবতার অঙ্গনে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ফ্রান্স সরকার সেটা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরন করে। এ সমস্যা সমাধানে ফ্রান্স সরকার সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে প্রধান অতিথি বলেন, দেশটির রাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীন স্থিতিশীলতার জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার পুননির্বাচিত হলে ভাল হয়। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফল বলে মনে করেন তিনি।
সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদুত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, বাংলা্দেশের সরকার রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য কুটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে এ বিষয়ে যে সব প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন সেগুলোর ভিত্তিতেই সমাধান হওয়া দরকার বলে তিনি জানান।
রাষ্ট্রদুত বলেন, শরনার্থীদের জন্য তিনটি রাস্তা খোলা থাকে। তাদের ফিরিয়ে দেয়া, তৃতীয় কোন দেশে পাঠিয়ে দেয়া অথবা সংশ্লিষ্ট দেশের মুল স্রোতে মিলিয়ে দেয়া। রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে এ তিনটির একটিও প্রয়োগ করা যাচ্ছে না। মিয়ানমারের সৃষ্ট এ সমস্যা তাদেরই সমাধান করতে হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদুত বলেন, আমাদের সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে যথেষ্ট মানবিক তবে এ সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান কৃটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সম্ভব।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশিত পথেই এগোচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদুত বলেন, আমরা সকলের বন্ধু, কারো সঙ্গে কোন বৈরীতা নেই। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান এ পথেই আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মুল প্রবন্ধে প্রবাসী সাংবাদিক ও রাজনীতিক ফারুক নওয়াজ খান বলেন, বাংলাদেশের সরকার এবং জনগন যদি মিয়ানমারের মতো অমানবিক হতো তাহলে এ বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর প্রান হারাতে হতো। তারা পেতো না কোন আশ্রয়। প্রতিটি মানুষের রয়েছে বেচে থাকার অধিকার। কিন্তু মিয়ানমানর সরকার রোহিঙ্গাদের এ অধিকার হরন করছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গোষ্ঠীর অনুরোধ স্বত্বেও।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমার থেকে আসা বিশাল জনস্রোতকে অবহেলা করেননি। তিনি মাতৃস্নেহে তাদের আলিঙ্গন করেছেন। মানবতার আদর্শে উদ্দীপ্ত হয়ে তিনি তাদের আশ্রয় দিয়েছেন। নিজ দেশের সীমিত সামর্থ্যের পর ও তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন। তাদের বাসস্থান, খাদ্য, চিকিৎসা সব নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন্ পাশাপাশি আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে এ বিষয়টিকে তুলে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেবার চেষ্টা করছেন।
২০১৭ সালে ১০ লাখেরও বেশী রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দান করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন প্রকৃত নেতৃত্ব যে কোন সমস্যায় কখনো বিচলিত হন না।
একদিকে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের চাপ অন্যদিকে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি আনয়নের যে অঙ্গীকার শেখ হাসিনা করেছিলেন তাতে তিনি সফল হয়েছেন।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের মাধ্যমে যে মানবতার দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন সেটা বিশ্ব নেতৃত্বের জন্য অনুকরনীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করে ফারুক নওয়াজ খান বলেন, সে আশ্রয় দান একটি সাময়িক সময়ের জন্য বিবেচনা করে বিশ্ব নেতৃত্ব রোহিঙ্গা শরনার্থীদের তাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের উপর অধিক কুটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে বলে আমরা আশাকরি।
সেমিনারের সফলতা এবং প্রধানমন্ত্রীর মানবতা নিয়ে টেলিফোনে বক্তব্য রাখেন সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ সেলিম, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রানা চৌধুরী, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহীন আরমান চৌধুরী, ফ্রান্স প্রবাসী সাংবাদিক অধ্যাপক শামসুল ইসলাম প্রমুখ।