ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রিফর্ম ইউকের বহু সদস্য চান বিদেশে জন্ম নেওয়া অশ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশরা যুক্তরাজ্য ছাড়ুক হাসনাত আরিয়ান খান-এর মায়ের মৃত্যুতে ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদকের শোক আমাতে তোমার অনুভূতি- রকিবুল ইসলাম ভাষাপ্রকৌশল ও কালচারাল হেজিমনি: শব্দের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক ও এওয়ার্ড বিতরন অনুষ্ঠান সম্পন্ন পরিমিতির প্রকোষ্ঠে নির্বাসিত অরণ্য – মেশকাতুন নাহার আধিপত্যবাদের নগ্নরূপ: আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট নিদ্রিত শুদ্ধতার প্রান্তরে অশুদ্ধতার কর্ণভেদী উল্লাস শেরপুরে অসহায় পরিবারের জন্য বসতঘর নির্মাণ ও হস্তান্তর করলো ফ্রান্স ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সাফ এক বছরে রেকর্ড সংখ্যক আমেরিকান ব্রিটিশ নাগরিকত্ব আবেদন করেছেন

হাসনাত আরিয়ান খান-এর মায়ের মৃত্যুতে ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদকের শোক

  • আপডেট সময় ১২:২০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ রিপোর্ট : লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবএর সিনিয়র সদস্য বিলেতের অন্যতম প্রাচীন সংবাদপত্র সাপ্তাহিক সুরমার নির্বাহী সম্পাদক হাসনাত আরিয়ান খানের মা জাহানারা খানমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম।

এক শোক বার্তায় জনাব ইসলাম জাহানারা খানমকে একজন রত্নগর্ভা মা হিসাবে অভিহিত করেন। পাশাপাশি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারপরিজন, আত্মীয়স্বজন শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শামসুল ইসলাম বলেন, গুণী সন্তানদের জননী হিসেবে তিনি সমাজে সম্মানিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যু পরিবার শুভানুধ্যায়ীদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। মহানআল্লাহ তায়ালা যেন মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন।

প্রসঙ্গত, পহেলা মার্চ রোববার, বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় জাহানারা খানমঢাকার ডেমরাস্থ নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মরহুমার জানাজার নামাজরোববার বাদ এশা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে শেরপুর সদর থানার চর ভাবনা গ্রামেপারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

মৃত্যুকালে জাহানারা খানমের বয়স হয়েছিল প্রায় ৮৫ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরেবার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ছেলে, মেয়ে নাতিনাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।

তাঁর স্বামী, মরহুম মো. নওয়াব আলী খান, শেরপুর সদরস্থ কামারের চর পাবলিকহাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। জাহানারা খানমের ছেলের মধ্যে অখণ্ডবাংলাদেশ আন্দোলনের নেতা সাংবাদিক হাসনাত আরিয়ান খান তৃতীয়। বড় ছেলেমো. জাহাঙ্গীর আলম খান দৈনিক তথ্যধারার সম্পাদক প্রকাশক। এছাড়া বাকি তিনছেলেও সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

রিফর্ম ইউকের বহু সদস্য চান বিদেশে জন্ম নেওয়া অশ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশরা যুক্তরাজ্য ছাড়ুক

হাসনাত আরিয়ান খান-এর মায়ের মৃত্যুতে ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদকের শোক

আপডেট সময় ১২:২০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দর্পণ রিপোর্ট : লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবএর সিনিয়র সদস্য বিলেতের অন্যতম প্রাচীন সংবাদপত্র সাপ্তাহিক সুরমার নির্বাহী সম্পাদক হাসনাত আরিয়ান খানের মা জাহানারা খানমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম।

এক শোক বার্তায় জনাব ইসলাম জাহানারা খানমকে একজন রত্নগর্ভা মা হিসাবে অভিহিত করেন। পাশাপাশি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারপরিজন, আত্মীয়স্বজন শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শামসুল ইসলাম বলেন, গুণী সন্তানদের জননী হিসেবে তিনি সমাজে সম্মানিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যু পরিবার শুভানুধ্যায়ীদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। মহানআল্লাহ তায়ালা যেন মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন।

প্রসঙ্গত, পহেলা মার্চ রোববার, বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় জাহানারা খানমঢাকার ডেমরাস্থ নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মরহুমার জানাজার নামাজরোববার বাদ এশা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে শেরপুর সদর থানার চর ভাবনা গ্রামেপারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

মৃত্যুকালে জাহানারা খানমের বয়স হয়েছিল প্রায় ৮৫ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরেবার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ছেলে, মেয়ে নাতিনাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।

তাঁর স্বামী, মরহুম মো. নওয়াব আলী খান, শেরপুর সদরস্থ কামারের চর পাবলিকহাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। জাহানারা খানমের ছেলের মধ্যে অখণ্ডবাংলাদেশ আন্দোলনের নেতা সাংবাদিক হাসনাত আরিয়ান খান তৃতীয়। বড় ছেলেমো. জাহাঙ্গীর আলম খান দৈনিক তথ্যধারার সম্পাদক প্রকাশক। এছাড়া বাকি তিনছেলেও সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।