ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি নিউ স্টার ফুটবল ক্লাব রতনপুরের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম সংবর্ধিত বালাগঞ্জে শান্তিপুর্ণভাবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন : চমক দেখিয়ে আনহার মিয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে ফরাসি জাতীয়তা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত প্যারিসে Point d’Aide – এইড পয়েন্ট এর নতুন অফিসের উদ্বোধন তরুণ সাহিত্যিক সাদাত হোসাইনকে প্যারিসে সংবর্ধনা দিলো ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশীরা গাজীপুর জেলা সমিতি,ফ্রান্স’র দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত : ফারুক খান সভাপতি, জুয়েল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত কেবল উপবাসের নামই সিয়াম নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষাই সিয়াম ফ্রান্সে একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য ‘বাংলাদেশ সমিতি’র তাগিদ, একটি প্রস্তাবনা শিশু কিশোরদের নানা ইভেন্ট নিয়ে ইপিএস কমিউনিটি ফ্রান্সের স্বাধীনতা দিবস পালন

ফ্রান্সের তুলুজে বৈশাখী উৎসব

  • আপডেট সময় ১০:১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ মে ২০১৮
  • ২০৬ বার পড়া হয়েছে
দেলওয়ার হোসেন সেলিম (প্যারিস, ফ্রান্স ) থেকেঃ ফ্রান্সের পিন্ক সিটি খ্যাত তুলুজ শহরে সাড়ম্ববে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ। বাংলাদেশী প্রবাসী খ্রিস্টান এসোসিয়েশন তুলুজ, ফ্রান্স – এর উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এবারও উদযাপিত হলো ” বৈশাখী উৎসব – ১৪২৫ “।  রবিবার (৬ মে, ২০১৮) তুলুজের রাজস্হান ভিলায় বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয়।
আনন্দঘন ও প্রাণবন্ত পরিবেশে উক্ত অনুষ্ঠানমালায় উচ্ছল মহিলারা স্বেচ্ছায় তৈরী করেন বাংলাদেশী আইটেমের খাবার সামগ্রী। এরমধ্যে ছিলো বাংগালীদের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য পান্তা ভাত, ইলিশ ভাজা, সাত পদের ভর্তা, নিমকি, মুরলি, মোয়া, গজা ইত্যাদি। উৎসবে অংশ গ্রহণকারীগন ও আমন্ত্রিত অতিথিরা এসব খাবার খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন।
সমবেত কন্ঠে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বাক্য “শুভ নববর্ষ ” উচ্চারণ করার পরপরই উৎসবের বিভিন্ন কার্যক্রম আরো উপভোগ্য হয়ে ওঠে। মহিলাদের হরেক রংয়ের শাড়ী এবং পুরুষদের বাঙ্গালী পোশাক লুন্গি পরা, মংগল শোভাযাত্রা, নাচ, গান, বাচ্চাদের খেলাধুলা , বাংলা ভাষার কোলাহল সহ বিভিন্ন কর্মকান্ড বহু ফরাসি ও ভীন দেশী মানুষের নজর কাড়ে।
অনুষ্ঠান শেষে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশী প্রবাসী খ্রিস্টান এসোসিয়েশন তুলুজ, ফ্রান্স – এর সভাপতি ডমিনিক যোষেফ কস্তা, সাধারন সম্পাদক মার্ক রায় , উপদেষ্টা জেরম্ বুলবুল গমেজ, কেশিয়ার শিতল ক্রূশ, ক্যান্টন কস্তা, পংকজ গমেজ, প্রনতি ক্রূশ ​​প্রমুখ। বক্তারা বলেন, পহেলা বৈশাখ সকল বাংগালীর প্রাণের উৎসব। এই উৎসব বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সাংস্কৃতিক মেলবন্দন তৈরী করে। প্রবাসে অবস্থানরত সকল বাঙ্গালীকে নিজস্ব ঐতিহ্য, সংস্কৃতি তোলে ধরতে এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আরো বেশী করা উচিত।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ মিয়া-আয়ুব হাসানের যৌথ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠান পিংক সিটি

ফ্রান্সের তুলুজে বৈশাখী উৎসব

আপডেট সময় ১০:১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ মে ২০১৮
দেলওয়ার হোসেন সেলিম (প্যারিস, ফ্রান্স ) থেকেঃ ফ্রান্সের পিন্ক সিটি খ্যাত তুলুজ শহরে সাড়ম্ববে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ। বাংলাদেশী প্রবাসী খ্রিস্টান এসোসিয়েশন তুলুজ, ফ্রান্স – এর উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এবারও উদযাপিত হলো ” বৈশাখী উৎসব – ১৪২৫ “।  রবিবার (৬ মে, ২০১৮) তুলুজের রাজস্হান ভিলায় বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয়।
আনন্দঘন ও প্রাণবন্ত পরিবেশে উক্ত অনুষ্ঠানমালায় উচ্ছল মহিলারা স্বেচ্ছায় তৈরী করেন বাংলাদেশী আইটেমের খাবার সামগ্রী। এরমধ্যে ছিলো বাংগালীদের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য পান্তা ভাত, ইলিশ ভাজা, সাত পদের ভর্তা, নিমকি, মুরলি, মোয়া, গজা ইত্যাদি। উৎসবে অংশ গ্রহণকারীগন ও আমন্ত্রিত অতিথিরা এসব খাবার খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন।
সমবেত কন্ঠে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বাক্য “শুভ নববর্ষ ” উচ্চারণ করার পরপরই উৎসবের বিভিন্ন কার্যক্রম আরো উপভোগ্য হয়ে ওঠে। মহিলাদের হরেক রংয়ের শাড়ী এবং পুরুষদের বাঙ্গালী পোশাক লুন্গি পরা, মংগল শোভাযাত্রা, নাচ, গান, বাচ্চাদের খেলাধুলা , বাংলা ভাষার কোলাহল সহ বিভিন্ন কর্মকান্ড বহু ফরাসি ও ভীন দেশী মানুষের নজর কাড়ে।
অনুষ্ঠান শেষে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশী প্রবাসী খ্রিস্টান এসোসিয়েশন তুলুজ, ফ্রান্স – এর সভাপতি ডমিনিক যোষেফ কস্তা, সাধারন সম্পাদক মার্ক রায় , উপদেষ্টা জেরম্ বুলবুল গমেজ, কেশিয়ার শিতল ক্রূশ, ক্যান্টন কস্তা, পংকজ গমেজ, প্রনতি ক্রূশ ​​প্রমুখ। বক্তারা বলেন, পহেলা বৈশাখ সকল বাংগালীর প্রাণের উৎসব। এই উৎসব বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সাংস্কৃতিক মেলবন্দন তৈরী করে। প্রবাসে অবস্থানরত সকল বাঙ্গালীকে নিজস্ব ঐতিহ্য, সংস্কৃতি তোলে ধরতে এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আরো বেশী করা উচিত।