ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ, কমিউনিটির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা আত্মার স্বাতন্ত্র্য ও সরলতার নন্দনতত্ত্ব প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক আবুল হাশেমকে অশ্রুসিক্ত বিদায়, শেখ হাসিনা ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের শোক ইরাকে ৬ ফরাসি নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ইউরোপে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি আইনজীবী সাইদুল আব্দুল বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার : লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনের সতকর্তা ইতালিতে ১২ দফা ভূকম্পন প্যারিসে এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত ১, আহত ৫ এবার জার্মানিতে বিক্ষোভের ডাক! বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্স—আবু সাঈদ এখন বিশ্বজুড়ে

প্যারিসে আইফেল টাওয়ারের প্রতিকৃতি বিক্রির বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান

  • আপডেট সময় ০৬:২২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  • ৭০৫ বার পড়া হয়েছে

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত আইফেল টাওয়ারের প্রতিকৃতি বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটির পুলিশ। অনুমোদনহীনভাবে প্রতিকৃতি প্রস্তুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ‘ক্রিমিনাল গ্যাং’ আখ্যা দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, চীনে তৈরি এসব প্রতিকৃতি পর্যটকদের কাছে বিক্রির জন্য অনেক ক্ষেত্রেই অবৈধ অভিবাসীদের ব্যবহার করা হতো।

এভাবেই টাওয়ার এলাকা জুড়ে আইফেল টাওয়ারের প্রতিকৃতি বিক্রি হয় দেদারসে

অভিযানে প্রচুর পরিমাণে আইফেল টাওয়ারের অনুমোদনহীন প্রতিকৃতি উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের মোট ওজন ২০ টন। গত সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ও মঙ্গলবার চালানো অভিযানে একটি গুদাম ও প্যারিসের তিনটি দোকান থেকে প্রতিকৃতিগুলো জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে গঠিত ফরাসি পুলিশের বিশেষ শাখা এই অভিযানে সহায়তা করেছে।

এগুলো চীনা উৎপাদনকারীর প্রস্তুত করা। চীনা উৎপাদনকারী অনুমোদনহীন ডিলারদের কাছে আইফেল টাওয়ারের এসব প্রতিকৃতি বিক্রি করত। পুলিশ ২০ টন ছোট ছোট প্রতিকৃতির পাশাপাশি ১৫ হাজার ইউরো, টাকার গোনার মেশিন এবং তিনটি গাড়ি জব্দ করেছে। জব্দ করা প্রতিকৃতিগুলোর আনুমানিক মূল্য ছয় লাখ ইউরো। পুলিশ ৯ জনকে এ ঘটনায় গ্রেফতার করেছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, আইফেল টাওয়ারের এসব প্রতিকৃতিগুলোর মধ্যে যেগুলো সবচেয়ে ছোট সেগুলো চাবির রিঙয়ে ব্যবহার করা হয়। এক ইউরোতে এমন প্রতিকৃতির পাঁচটি কেনা যায়। বড় প্রতিকৃতিগুলোর দাম দশ ইউরোর মতো।

ফরাসি পুলিশ দাবি করেছে, অনেক ক্ষেত্রেই অবৈধ অভিবাসীদের চাপ প্রয়োগ করে এসব প্রতিকৃতি পর্যটকদের কাছে বিক্রিতে বাধ্য করা হয়। মানব পাচারাকারীদের দেনা পরিশোধ করতে গিয়ে মূলত আফ্রিকা থেকে যাওয়া অবৈধ অভিবাসীরা রাস্তায় রাস্তায় এগুলো বিক্রি করে। আইফেল টাওয়ার, ল্যুভর জাদুঘর, নটরডেম ক্যাথিড্রালসহ পর্যটন গন্তব্যগুলোতে এসব প্রতিকৃতি বিক্রি হতে দেখা যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ, কমিউনিটির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা

প্যারিসে আইফেল টাওয়ারের প্রতিকৃতি বিক্রির বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান

আপডেট সময় ০৬:২২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত আইফেল টাওয়ারের প্রতিকৃতি বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটির পুলিশ। অনুমোদনহীনভাবে প্রতিকৃতি প্রস্তুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ‘ক্রিমিনাল গ্যাং’ আখ্যা দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, চীনে তৈরি এসব প্রতিকৃতি পর্যটকদের কাছে বিক্রির জন্য অনেক ক্ষেত্রেই অবৈধ অভিবাসীদের ব্যবহার করা হতো।

এভাবেই টাওয়ার এলাকা জুড়ে আইফেল টাওয়ারের প্রতিকৃতি বিক্রি হয় দেদারসে

অভিযানে প্রচুর পরিমাণে আইফেল টাওয়ারের অনুমোদনহীন প্রতিকৃতি উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের মোট ওজন ২০ টন। গত সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ও মঙ্গলবার চালানো অভিযানে একটি গুদাম ও প্যারিসের তিনটি দোকান থেকে প্রতিকৃতিগুলো জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে গঠিত ফরাসি পুলিশের বিশেষ শাখা এই অভিযানে সহায়তা করেছে।

এগুলো চীনা উৎপাদনকারীর প্রস্তুত করা। চীনা উৎপাদনকারী অনুমোদনহীন ডিলারদের কাছে আইফেল টাওয়ারের এসব প্রতিকৃতি বিক্রি করত। পুলিশ ২০ টন ছোট ছোট প্রতিকৃতির পাশাপাশি ১৫ হাজার ইউরো, টাকার গোনার মেশিন এবং তিনটি গাড়ি জব্দ করেছে। জব্দ করা প্রতিকৃতিগুলোর আনুমানিক মূল্য ছয় লাখ ইউরো। পুলিশ ৯ জনকে এ ঘটনায় গ্রেফতার করেছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, আইফেল টাওয়ারের এসব প্রতিকৃতিগুলোর মধ্যে যেগুলো সবচেয়ে ছোট সেগুলো চাবির রিঙয়ে ব্যবহার করা হয়। এক ইউরোতে এমন প্রতিকৃতির পাঁচটি কেনা যায়। বড় প্রতিকৃতিগুলোর দাম দশ ইউরোর মতো।

ফরাসি পুলিশ দাবি করেছে, অনেক ক্ষেত্রেই অবৈধ অভিবাসীদের চাপ প্রয়োগ করে এসব প্রতিকৃতি পর্যটকদের কাছে বিক্রিতে বাধ্য করা হয়। মানব পাচারাকারীদের দেনা পরিশোধ করতে গিয়ে মূলত আফ্রিকা থেকে যাওয়া অবৈধ অভিবাসীরা রাস্তায় রাস্তায় এগুলো বিক্রি করে। আইফেল টাওয়ার, ল্যুভর জাদুঘর, নটরডেম ক্যাথিড্রালসহ পর্যটন গন্তব্যগুলোতে এসব প্রতিকৃতি বিক্রি হতে দেখা যায়।