ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওসমানীনগরের ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবীদের পক্ষ থেকে উপজেলা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগপত্র

  • আপডেট সময় ১২:৫০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮
  • ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ওসমানীনগরের বড় বাঘা নদীতে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৪ অক্টোবর (বুধবার) এ ব্যাপারে মাছ নিধনের প্রতিবাদে মৎস্যজীবীদের পক্ষ থেকে উপজেলার নির্বাহী অফিসারের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওসমানীনগরের উছমানপুর ইউনিয়নের মুমিনপুর গ্রামের মৎস্যজীবীরা। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার মাদার বাজারের উত্তর-পূর্বে সমিলের পাশে খাটি বসিয়ে উভয় পাড় বেড়া দিয়ে, খালের মুখ বাজারের পূর্বে চাতল বিলের সংযোগস্থলে বস্তা জালের ফাঁদ তৈরি করে এবং খালেরমুখবাজার হতে ময়নাবাজার পর্যন্ত নদীপথে অসংখ্য জায়গায় কাটা দ্বারা ঘের দিয়ে মাছ নিধনের কারণে মাছের প্রজনন দিন দিন হ্রাস হচ্ছে।

এতে এলাকার সাধারণ লোকজন মাছ শিকার করতে পারছেনা। বিনষ্ট হচ্ছে দেশীয় জাতের মাছের বংশ বিস্তার। আর লাভবান হচ্ছে প্রভাবশালী একটি চক্র। নদী থেকে এসব অবৈধ মাছ নিধনের প্রতিবাদে স্থানীয় বেশ কিছু মৎস্যজীবীর স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে আবেদন জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বার্লিনে রেজা পাহলভীর ওপর লাল তরল নিক্ষেপ

ওসমানীনগরের ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবীদের পক্ষ থেকে উপজেলা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগপত্র

আপডেট সময় ১২:৫০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : ওসমানীনগরের বড় বাঘা নদীতে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৪ অক্টোবর (বুধবার) এ ব্যাপারে মাছ নিধনের প্রতিবাদে মৎস্যজীবীদের পক্ষ থেকে উপজেলার নির্বাহী অফিসারের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওসমানীনগরের উছমানপুর ইউনিয়নের মুমিনপুর গ্রামের মৎস্যজীবীরা। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার মাদার বাজারের উত্তর-পূর্বে সমিলের পাশে খাটি বসিয়ে উভয় পাড় বেড়া দিয়ে, খালের মুখ বাজারের পূর্বে চাতল বিলের সংযোগস্থলে বস্তা জালের ফাঁদ তৈরি করে এবং খালেরমুখবাজার হতে ময়নাবাজার পর্যন্ত নদীপথে অসংখ্য জায়গায় কাটা দ্বারা ঘের দিয়ে মাছ নিধনের কারণে মাছের প্রজনন দিন দিন হ্রাস হচ্ছে।

এতে এলাকার সাধারণ লোকজন মাছ শিকার করতে পারছেনা। বিনষ্ট হচ্ছে দেশীয় জাতের মাছের বংশ বিস্তার। আর লাভবান হচ্ছে প্রভাবশালী একটি চক্র। নদী থেকে এসব অবৈধ মাছ নিধনের প্রতিবাদে স্থানীয় বেশ কিছু মৎস্যজীবীর স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে আবেদন জানান।