ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শরীফ ওসমান হাদী: নৈতিক সাহস ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা শহীদ হাদি হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে নগরীতে পদযাত্রা ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাঙ্কিত সাফল্য অর্জন সম্ভব- ব্যারিস্টার এম এ সালাম সামাজিক এসোসিয়েশন সাফ’র কমিটি পুনর্গঠন : সভাপতি এনকে নয়ন, সম্পাদক শাহিন সামাজিক এসোসিয়েশন সাফ’র কমিটি পুনর্গঠন :  সভাপতি এনকে নয়ন, সম্পাদক শাহিন নির্বাচনী ইস্তেহারে শিক্ষার সুস্পষ্ট রূপরেখা চাই সিলেট প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির সাথে ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ও ফ্রান্স দর্পণ পরিবার মত বিনিময় বিদায়ী শিক্ষকদের সংবর্ধনা ও মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান আপোষহীন নেত্রীর চির বিদায় : শোকে মুহ্যমান গোটা জাতি এনসিপি থেকে তাসনিম জারার পদত্যাগ, নির্বাচন নিয়ে নতুন ঘোষণা

ইসরাইলি আক্রমণে ৭৫ ভাগ মসজিদ ধ্বংস!

  • আপডেট সময় ১১:৫৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯
  • ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে একটি খবর ভেসে বেড়াচ্ছে যে, ফিলিস্তিনে অবস্থিত হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম মসজিদটি বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল। কিন্তু তার চেয়ে মারাত্মক ও দুর্ভাগ্যজনক সত্য হলো ফিলিস্তিনের গাজা’র প্রায় ৭৫ ভাগ মসজিদই ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরাইল। খবর মিডল ইস্ট মিরর।

সংবাদ মাধ্যমটির তথ্য মতে জানা যায় যে, গত ৫১ দিনে ৭৩টি মসজিদ ধ্বংসের পাশাপাশি ২০৫টি মসজিদ আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ইসরাইল।

পিইসিডিসি (ফিলিস্তিন ইকোনোমিক কাউন্সিল ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কন্সট্রাকশন) কর্তৃক গঠিত কমিটির তথ্য মতে ফিলিস্তিনের গাজায় ধ্বংসপ্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদ, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ও দাতব্য কার্যালয়সহ প্রায় ৪০.৪ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইসরাইলি হামলায় শুধু মসজিদই ধ্বংস হয়নি, দুটি গির্জাসহ ১০টি সমাধিস্থল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

পিইসিডিসি কমিটির তথ্য মতে শুধু গাজাতেই ইসরাইলি আক্রমণে ৭৫ ভাগ মসজিদ ধ্বংস হয়েছে।

এসব ধ্বংস প্রাপ্ত মসজিদের মধ্যে ফিলিস্তিনের বিখ্যাত মসজিদ আল-ওমরিও ধ্বংস করা হয়েছে। ২০০৮ ও ২০০৯ সালে দুই দফা আক্রমণে মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আর ২০১৯ সালে সেটি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়া হয়।

হজরত আমর ইবনুল আসের সময়কার একটি প্রাচীন মসজিদ; যেটি ১৩৬৫ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল। সে মসজিদটিও ধ্বংস করা হয়েছে। যার নাম ছিল মসজিদ মানারাত আল-জাহের।

মসজিদটি ৩ হাজার বর্গমিটার বিস্তৃত ছিল আর এতে এক সঙ্গে প্রায় ২০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারতো।

উল্লেখ্য যে, ২০১৯ সালে ইসরাইলি আক্রমণ ছিল অনেক বেশি। যা ২০০৮ ও ২০০৯ সালের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ বেশি।

ইসরাইলি আক্রমণে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদগুলো পুনঃর্নিমাণে সহায়তাকারী বিভিন্ন মুসলিম দেশ ও মানুষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের মসজদি কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

Priority Seats: But Where Is Humanity?

ইসরাইলি আক্রমণে ৭৫ ভাগ মসজিদ ধ্বংস!

আপডেট সময় ১১:৫৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে একটি খবর ভেসে বেড়াচ্ছে যে, ফিলিস্তিনে অবস্থিত হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম মসজিদটি বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল। কিন্তু তার চেয়ে মারাত্মক ও দুর্ভাগ্যজনক সত্য হলো ফিলিস্তিনের গাজা’র প্রায় ৭৫ ভাগ মসজিদই ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরাইল। খবর মিডল ইস্ট মিরর।

সংবাদ মাধ্যমটির তথ্য মতে জানা যায় যে, গত ৫১ দিনে ৭৩টি মসজিদ ধ্বংসের পাশাপাশি ২০৫টি মসজিদ আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ইসরাইল।

পিইসিডিসি (ফিলিস্তিন ইকোনোমিক কাউন্সিল ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কন্সট্রাকশন) কর্তৃক গঠিত কমিটির তথ্য মতে ফিলিস্তিনের গাজায় ধ্বংসপ্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদ, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ও দাতব্য কার্যালয়সহ প্রায় ৪০.৪ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইসরাইলি হামলায় শুধু মসজিদই ধ্বংস হয়নি, দুটি গির্জাসহ ১০টি সমাধিস্থল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

পিইসিডিসি কমিটির তথ্য মতে শুধু গাজাতেই ইসরাইলি আক্রমণে ৭৫ ভাগ মসজিদ ধ্বংস হয়েছে।

এসব ধ্বংস প্রাপ্ত মসজিদের মধ্যে ফিলিস্তিনের বিখ্যাত মসজিদ আল-ওমরিও ধ্বংস করা হয়েছে। ২০০৮ ও ২০০৯ সালে দুই দফা আক্রমণে মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আর ২০১৯ সালে সেটি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়া হয়।

হজরত আমর ইবনুল আসের সময়কার একটি প্রাচীন মসজিদ; যেটি ১৩৬৫ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল। সে মসজিদটিও ধ্বংস করা হয়েছে। যার নাম ছিল মসজিদ মানারাত আল-জাহের।

মসজিদটি ৩ হাজার বর্গমিটার বিস্তৃত ছিল আর এতে এক সঙ্গে প্রায় ২০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারতো।

উল্লেখ্য যে, ২০১৯ সালে ইসরাইলি আক্রমণ ছিল অনেক বেশি। যা ২০০৮ ও ২০০৯ সালের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ বেশি।

ইসরাইলি আক্রমণে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদগুলো পুনঃর্নিমাণে সহায়তাকারী বিভিন্ন মুসলিম দেশ ও মানুষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের মসজদি কর্তৃপক্ষ।