ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শরীফ ওসমান হাদী: নৈতিক সাহস ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা শহীদ হাদি হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে নগরীতে পদযাত্রা ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাঙ্কিত সাফল্য অর্জন সম্ভব- ব্যারিস্টার এম এ সালাম সামাজিক এসোসিয়েশন সাফ’র কমিটি পুনর্গঠন : সভাপতি এনকে নয়ন, সম্পাদক শাহিন সামাজিক এসোসিয়েশন সাফ’র কমিটি পুনর্গঠন :  সভাপতি এনকে নয়ন, সম্পাদক শাহিন নির্বাচনী ইস্তেহারে শিক্ষার সুস্পষ্ট রূপরেখা চাই সিলেট প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির সাথে ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ও ফ্রান্স দর্পণ পরিবার মত বিনিময় বিদায়ী শিক্ষকদের সংবর্ধনা ও মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান আপোষহীন নেত্রীর চির বিদায় : শোকে মুহ্যমান গোটা জাতি এনসিপি থেকে তাসনিম জারার পদত্যাগ, নির্বাচন নিয়ে নতুন ঘোষণা

ইতালিতে ইউরোভর্তি মানিব্যাগটি ফেরত দিলেন বাংলাদেশি তরুণ

  • আপডেট সময় ০৮:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

ইতালির রোমে রাস্তায় পড়ে থাকা একটি মানিব্যাগ কুড়িয়ে নিয়ে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশি এক তরুণ। মানিব্যাগটিতে দুই হাজার ইউরো (১ লাখ ৮৬ হাজার টাকার বেশি), কয়েকটি ক্রেডিট কার্ড, চালকের সনদ ও ব্যক্তিগত কিছু কাগজপত্র ছিল। তবে মানিব্যাগটি ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কোনো পুরস্কার নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ওই তরুণ। তাঁর সোজা কথা, এই মানিব্যাগ তো তাঁর না, মানিব্যাগ ফিরিয়ে দিয়ে তিনি তো ব্যতিক্রম কিছু করেননি!

ওই বাংলাদেশি তরুণকে নিয়ে ইতালির স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। তরুণকে নিয়ে গতকাল সোমবার বিবিসি অনলাইনও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে তরুণের নাম মোসান রাসেল (২৩) বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার ইতালির রাজধানী রোমের রাস্তায় মানিব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখে রাসেল তা তুলে নিয়ে সোজা চলে যান পুলিশের কাছে। পরে রাসেলের হাত থেকে প্রকৃত মালিকের কাছে মানিব্যাগটি হস্তান্তরের আয়োজন করে পুলিশ। মানিব্যাগটির মালিক ইতালিয় এক ব্যবসায়ী।

সততার জন্য রাসেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। তবে গত রোববার ইতালির দৈনিক ‘লা রিপাবলিকা’য় দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাসেল বলেন, ‘আমি ব্যতিক্রম কিছু করিনি। কারণ মানিব্যাগটি তো আমার না।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানিব্যাগে কত অর্থ ছিল, সেটাও আমি জানতাম না, কারণ আমি তা গুনে দেখিনি। আমি শুধু সেটি তুলে নিয়ে পুলিশের কাছে গেছি। এটা সৎ হওয়ার বিষয়, যা হতে আমার পরিবার আমাকে শিখিয়েছে।’

রাসেল রোম শহরের কেন্দ্রে একটি ছোট্ট দোকান চালান। সাত বছর ধরে তিনি শহরটিতে বসবাস করছেন। তিনি মানিব্যাগ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো পুরস্কার নিতে চাননি। বরং মানিব্যাগের মালিক এখন থেকে তাঁর দোকানের নিয়মিত খরিদ্দার হলে তিনি খুশি হবেন বলে জানিয়েছেন।

সূত্রঃঃ প্রথম আলো

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

Priority Seats: But Where Is Humanity?

ইতালিতে ইউরোভর্তি মানিব্যাগটি ফেরত দিলেন বাংলাদেশি তরুণ

আপডেট সময় ০৮:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ইতালির রোমে রাস্তায় পড়ে থাকা একটি মানিব্যাগ কুড়িয়ে নিয়ে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশি এক তরুণ। মানিব্যাগটিতে দুই হাজার ইউরো (১ লাখ ৮৬ হাজার টাকার বেশি), কয়েকটি ক্রেডিট কার্ড, চালকের সনদ ও ব্যক্তিগত কিছু কাগজপত্র ছিল। তবে মানিব্যাগটি ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কোনো পুরস্কার নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ওই তরুণ। তাঁর সোজা কথা, এই মানিব্যাগ তো তাঁর না, মানিব্যাগ ফিরিয়ে দিয়ে তিনি তো ব্যতিক্রম কিছু করেননি!

ওই বাংলাদেশি তরুণকে নিয়ে ইতালির স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। তরুণকে নিয়ে গতকাল সোমবার বিবিসি অনলাইনও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে তরুণের নাম মোসান রাসেল (২৩) বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার ইতালির রাজধানী রোমের রাস্তায় মানিব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখে রাসেল তা তুলে নিয়ে সোজা চলে যান পুলিশের কাছে। পরে রাসেলের হাত থেকে প্রকৃত মালিকের কাছে মানিব্যাগটি হস্তান্তরের আয়োজন করে পুলিশ। মানিব্যাগটির মালিক ইতালিয় এক ব্যবসায়ী।

সততার জন্য রাসেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। তবে গত রোববার ইতালির দৈনিক ‘লা রিপাবলিকা’য় দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাসেল বলেন, ‘আমি ব্যতিক্রম কিছু করিনি। কারণ মানিব্যাগটি তো আমার না।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানিব্যাগে কত অর্থ ছিল, সেটাও আমি জানতাম না, কারণ আমি তা গুনে দেখিনি। আমি শুধু সেটি তুলে নিয়ে পুলিশের কাছে গেছি। এটা সৎ হওয়ার বিষয়, যা হতে আমার পরিবার আমাকে শিখিয়েছে।’

রাসেল রোম শহরের কেন্দ্রে একটি ছোট্ট দোকান চালান। সাত বছর ধরে তিনি শহরটিতে বসবাস করছেন। তিনি মানিব্যাগ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো পুরস্কার নিতে চাননি। বরং মানিব্যাগের মালিক এখন থেকে তাঁর দোকানের নিয়মিত খরিদ্দার হলে তিনি খুশি হবেন বলে জানিয়েছেন।

সূত্রঃঃ প্রথম আলো