ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্যারিসে পকেটমারের রেকর্ড , বিব্রত ফ্রান্স সরকার

  • আপডেট সময় ০৬:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
  • ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে

প্যারিসের মেট্রোতে গত বছরের তুলনায় এ বছর চুরি দ্বিগুন বেড়েছে।

গত বছরের জানুয়ারী থেকে অক্টোবর পর্যন্ত প্যারিসের মেট্রোতে চুরির ঘটনায় ৪৭২১ টি অভিযোগ ফ্রান্সে পুলিশের কাছে করা হয়েছে।

চলতি ২০১৯ এর জানুয়ারী থেকে অক্টোবর পর্যন্ত অভিযোগ করা হয়েছে ৭৪৮৫ টি। সংখ্যাটি প্রায় দ্বিগুন

গত বছর পকেটমারের সময় প্যারিসে পকেটমারদের সাথে সহিংসতা হয় ১৮০১ টি।

চলতি বছরে পকেটমারের সাথে সহিংসতা হয়েছে এ পর্যন্ত ২৩৯২ টি। ইউরোপের শহরগুলোর মধ্যে পকেটমারিতে প্যারিস প্রথম বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এ হিসাব শুধুমাত্র যারা পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ করেন। প্রশাসনে অভিযোগের বাইরে এ হিসাব তিনগুন হবে।

ফ্রান্সের পাবলিক পরিবহনে, স্টেশনে পকেটমার এবং চুরি নিত্যনৈমত্তিক বিষয় হয়ে গেছে। পকেটমারের শিকার হচ্ছেন সবচেয়ে বেশি পর্যটক। এমন পরিস্থিতিতে বিব্রত ফ্রান্স সরকার।

পকেটমার বা চুরি বন্ধে পদক্ষেপ নিলেও কোনো ভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেনা ফ্রান্স সরকার। বরং তা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ–সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

প্যারিসে পকেটমারের রেকর্ড , বিব্রত ফ্রান্স সরকার

আপডেট সময় ০৬:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯

প্যারিসের মেট্রোতে গত বছরের তুলনায় এ বছর চুরি দ্বিগুন বেড়েছে।

গত বছরের জানুয়ারী থেকে অক্টোবর পর্যন্ত প্যারিসের মেট্রোতে চুরির ঘটনায় ৪৭২১ টি অভিযোগ ফ্রান্সে পুলিশের কাছে করা হয়েছে।

চলতি ২০১৯ এর জানুয়ারী থেকে অক্টোবর পর্যন্ত অভিযোগ করা হয়েছে ৭৪৮৫ টি। সংখ্যাটি প্রায় দ্বিগুন

গত বছর পকেটমারের সময় প্যারিসে পকেটমারদের সাথে সহিংসতা হয় ১৮০১ টি।

চলতি বছরে পকেটমারের সাথে সহিংসতা হয়েছে এ পর্যন্ত ২৩৯২ টি। ইউরোপের শহরগুলোর মধ্যে পকেটমারিতে প্যারিস প্রথম বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এ হিসাব শুধুমাত্র যারা পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ করেন। প্রশাসনে অভিযোগের বাইরে এ হিসাব তিনগুন হবে।

ফ্রান্সের পাবলিক পরিবহনে, স্টেশনে পকেটমার এবং চুরি নিত্যনৈমত্তিক বিষয় হয়ে গেছে। পকেটমারের শিকার হচ্ছেন সবচেয়ে বেশি পর্যটক। এমন পরিস্থিতিতে বিব্রত ফ্রান্স সরকার।

পকেটমার বা চুরি বন্ধে পদক্ষেপ নিলেও কোনো ভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেনা ফ্রান্স সরকার। বরং তা দিন দিন বেড়েই চলেছে।