ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় সম্মেলন সম্পন্ন ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন জোরালো, সমর্থনে রাজপথে হাজারো মানুষ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ইউরোপে নির্মিত হচ্ছে প্রামাণ্যচিত্র, শুটিং শুরু ১৯ অক্টোবর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তায় যেসব আ. লীগ নেতার নাম আলোচনায় আট মাসে বিদেশে গেছেন সাড়ে ৪ লাখ কর্মী সরকারবিরোধী চক্রান্ত : সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে বাংলাদেশিদের ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ইইউর বিভিন্ন দেশে প্রায় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি বৈধভাবে বসবাস করছেন প্যারিস বিমানবন্দরে ইসরায়েলি কোম্পানির সামরিক চালান আটকে দিলেন কর্মীরা

কমিউনিটি থেকে পার্লামেন্ট: ফয়ছল চৌধুরীর অনুপ্রেরণাময় রাজনৈতিক পথচলা

  • আপডেট সময় ০২:০৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে

স্কটল্যান্ড থেকে বিশেষ প্রতিনিধি : স্কটল্যান্ডের প্রথম ব্রিটিশ বাংলাদেশি এমএসপি হিসেবে ইতিহাস গড়া ফয়ছল হোসেন চৌধুরী এমবিই-এর সংসদীয় মেয়াদ শেষের পথে। তাঁর এই যাত্রা শুধু রাজনৈতিক সাফল্যের গল্প নয়; এটি প্রতিনিধিত্ব, কমিউনিটি নেতৃত্ব এবং জনসেবার এক অনুপ্রেরণাময় অধ্যায়।

স্কটিশ পার্লামেন্টে নির্বাচিত প্রথম ব্রিটিশ বাংলাদেশি এবং সমগ্র যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম ও একমাত্র পুরুষ পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে ফয়ছল হোসেন চৌধুরীর নির্বাচন স্কটিশ রাজনীতিতে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। তাঁর এই অর্জন বিশেষভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে সেইসব কমিউনিটিকে, যারা দীর্ঘদিন নিজেদের জাতীয় রাজনীতিতে প্রতিফলিত হতে দেখেনি।

২০২১ সালে লোথিয়ান অঞ্চলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি সংস্কৃতি, সমতা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও কমিউনিটি ক্ষমতায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সক্রিয় ও প্রভাবশালী কণ্ঠ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মানুষের অংশগ্রহণ, প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি এবং কমিউনিটির সঙ্গে নিবিড় সংযোগ গড়ে তোলা।

বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বদরদী গ্রামে জন্ম নেওয়া এবং স্কটল্যান্ডে বেড়ে ওঠা ফয়ছল চৌধুরীর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় তৃণমূল পর্যায়ের কমিউনিটি কাজ, স্বেচ্ছাসেবা এবং নাগরিক নেতৃত্বের মাধ্যমে। সংসদীয় রাজনীতিতে আসার আগে তিনি বহু বছর ধরে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি এবং কমিউনিটি উন্নয়নে কাজ করেছেন।

সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি ব্রিটিশ রাণীর কাছ থেকে এমবিই (Member of the Order of the British Empire) সম্মাননায় ভূষিত হন। এটি ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের জনসেবার এক গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।

স্কটিশ পার্লামেন্টে তিনি স্কটিশ লেবারের সংস্কৃতি, ইউরোপ এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক ছায়া মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিতে কাজ করে আইন পর্যালোচনা, জননীতি মূল্যায়ন এবং জনগণের মতামতকে নীতিনির্ধারণে যুক্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

সংসদীয় কার্যক্রমের বাইরে তিনি বিভিন্ন ক্রস পার্টি গ্রুপের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশ বিষয়ক, বর্ণ ও ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রতিরোধ এবং সংস্কৃতি ও কমিউনিটিজ বিষয়ক গ্রুপের কনভেনার হিসেবে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। এছাড়া স্বাস্থ্য উন্নয়ন, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম, অভিবাসন ও ফিলিস্তিন বিষয়ক গ্রুপগুলোতেও তিনি সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন।

ফয়ছল চৌধুরী নিয়মিতভাবে দাতব্য সংস্থা, কমিউনিটি নেতা এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কাজ করেছেন, যাতে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর সরাসরি স্কটিশ পার্লামেন্টে পৌঁছায়। স্কটল্যান্ড ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীসহ মানবিক বিভিন্ন উদ্যোগে তাঁর সম্পৃক্ততা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুধু প্রতিনিধিত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তিনি রাজনীতিকে আরও সহজলভ্য এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং অনুপ্রতিনিধিত্বশীল পটভূমির মানুষদের জনসেবা ও নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করার জন্য তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত।

নিজের রাজনৈতিক যাত্রা সম্পর্কে প্রতিফলন করতে গিয়ে ফয়ছল চৌধুরী বলেন:

“আমার জীবনের অন্যতম বড় সম্মান ছিল স্কটিশ পার্লামেন্টে এডিনবারা এবং লোথিয়ানের জনগণের সেবা করার সুযোগ পাওয়া। প্রথম ব্রিটিশ বাংলাদেশি এমএসপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার দায়িত্ব আমি সবসময় গভীরভাবে অনুভব করেছি। আমি জানতাম, আমার এই যাত্রা বহু মানুষের জন্য আশা ও অনুপ্রেরণার প্রতীক।

“আমি শুধু একজন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করিনি; আমি চেয়েছি আরও বেশি তরুণ, বিশেষ করে অনুপ্রতিনিধিত্বশীল পটভূমির মানুষ, রাজনীতি ও জনসেবায় যুক্ত হোক। আমি আশা করি, ভবিষ্যতে আরও অনেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি স্কটিশ পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করবেন।

“সংসদীয় দায়িত্বের মেয়াদ থাকতে পারে, কিন্তু কমিউনিটির জন্য কাজ করার কোনো শেষ নেই। মানুষের জীবন পরিবর্তনের কাজ আজীবনের।”

ফয়ছল চৌধুরীর দীর্ঘ জনসেবা, সমতা প্রতিষ্ঠা এবং কমিউনিটি উন্নয়নে অবদান জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়েছে। তিনি Channel S Community Award, Keighley Award for Humanitarian Work, Pride of British Bangladeshi People Award-সহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

তাঁর জীবন ও কাজ আজও স্কটল্যান্ডজুড়ে বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘু কমিউনিটির তরুণদের জন্য তিনি এক উজ্জ্বল উদাহরণ—যে নিষ্ঠা, কমিউনিটি সেবা এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে বাধা ভেঙে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

আরও তথ্য, আপডেট ও তাঁর কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন:
foysolchoudhury.co.uk

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স

কমিউনিটি থেকে পার্লামেন্ট: ফয়ছল চৌধুরীর অনুপ্রেরণাময় রাজনৈতিক পথচলা

আপডেট সময় ০২:০৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

স্কটল্যান্ড থেকে বিশেষ প্রতিনিধি : স্কটল্যান্ডের প্রথম ব্রিটিশ বাংলাদেশি এমএসপি হিসেবে ইতিহাস গড়া ফয়ছল হোসেন চৌধুরী এমবিই-এর সংসদীয় মেয়াদ শেষের পথে। তাঁর এই যাত্রা শুধু রাজনৈতিক সাফল্যের গল্প নয়; এটি প্রতিনিধিত্ব, কমিউনিটি নেতৃত্ব এবং জনসেবার এক অনুপ্রেরণাময় অধ্যায়।

স্কটিশ পার্লামেন্টে নির্বাচিত প্রথম ব্রিটিশ বাংলাদেশি এবং সমগ্র যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম ও একমাত্র পুরুষ পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে ফয়ছল হোসেন চৌধুরীর নির্বাচন স্কটিশ রাজনীতিতে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। তাঁর এই অর্জন বিশেষভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে সেইসব কমিউনিটিকে, যারা দীর্ঘদিন নিজেদের জাতীয় রাজনীতিতে প্রতিফলিত হতে দেখেনি।

২০২১ সালে লোথিয়ান অঞ্চলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি সংস্কৃতি, সমতা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও কমিউনিটি ক্ষমতায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সক্রিয় ও প্রভাবশালী কণ্ঠ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মানুষের অংশগ্রহণ, প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি এবং কমিউনিটির সঙ্গে নিবিড় সংযোগ গড়ে তোলা।

বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বদরদী গ্রামে জন্ম নেওয়া এবং স্কটল্যান্ডে বেড়ে ওঠা ফয়ছল চৌধুরীর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় তৃণমূল পর্যায়ের কমিউনিটি কাজ, স্বেচ্ছাসেবা এবং নাগরিক নেতৃত্বের মাধ্যমে। সংসদীয় রাজনীতিতে আসার আগে তিনি বহু বছর ধরে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি এবং কমিউনিটি উন্নয়নে কাজ করেছেন।

সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি ব্রিটিশ রাণীর কাছ থেকে এমবিই (Member of the Order of the British Empire) সম্মাননায় ভূষিত হন। এটি ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের জনসেবার এক গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।

স্কটিশ পার্লামেন্টে তিনি স্কটিশ লেবারের সংস্কৃতি, ইউরোপ এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক ছায়া মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিতে কাজ করে আইন পর্যালোচনা, জননীতি মূল্যায়ন এবং জনগণের মতামতকে নীতিনির্ধারণে যুক্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

সংসদীয় কার্যক্রমের বাইরে তিনি বিভিন্ন ক্রস পার্টি গ্রুপের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশ বিষয়ক, বর্ণ ও ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রতিরোধ এবং সংস্কৃতি ও কমিউনিটিজ বিষয়ক গ্রুপের কনভেনার হিসেবে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। এছাড়া স্বাস্থ্য উন্নয়ন, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম, অভিবাসন ও ফিলিস্তিন বিষয়ক গ্রুপগুলোতেও তিনি সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন।

ফয়ছল চৌধুরী নিয়মিতভাবে দাতব্য সংস্থা, কমিউনিটি নেতা এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কাজ করেছেন, যাতে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর সরাসরি স্কটিশ পার্লামেন্টে পৌঁছায়। স্কটল্যান্ড ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীসহ মানবিক বিভিন্ন উদ্যোগে তাঁর সম্পৃক্ততা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুধু প্রতিনিধিত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তিনি রাজনীতিকে আরও সহজলভ্য এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং অনুপ্রতিনিধিত্বশীল পটভূমির মানুষদের জনসেবা ও নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করার জন্য তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত।

নিজের রাজনৈতিক যাত্রা সম্পর্কে প্রতিফলন করতে গিয়ে ফয়ছল চৌধুরী বলেন:

“আমার জীবনের অন্যতম বড় সম্মান ছিল স্কটিশ পার্লামেন্টে এডিনবারা এবং লোথিয়ানের জনগণের সেবা করার সুযোগ পাওয়া। প্রথম ব্রিটিশ বাংলাদেশি এমএসপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার দায়িত্ব আমি সবসময় গভীরভাবে অনুভব করেছি। আমি জানতাম, আমার এই যাত্রা বহু মানুষের জন্য আশা ও অনুপ্রেরণার প্রতীক।

“আমি শুধু একজন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করিনি; আমি চেয়েছি আরও বেশি তরুণ, বিশেষ করে অনুপ্রতিনিধিত্বশীল পটভূমির মানুষ, রাজনীতি ও জনসেবায় যুক্ত হোক। আমি আশা করি, ভবিষ্যতে আরও অনেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি স্কটিশ পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করবেন।

“সংসদীয় দায়িত্বের মেয়াদ থাকতে পারে, কিন্তু কমিউনিটির জন্য কাজ করার কোনো শেষ নেই। মানুষের জীবন পরিবর্তনের কাজ আজীবনের।”

ফয়ছল চৌধুরীর দীর্ঘ জনসেবা, সমতা প্রতিষ্ঠা এবং কমিউনিটি উন্নয়নে অবদান জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়েছে। তিনি Channel S Community Award, Keighley Award for Humanitarian Work, Pride of British Bangladeshi People Award-সহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

তাঁর জীবন ও কাজ আজও স্কটল্যান্ডজুড়ে বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘু কমিউনিটির তরুণদের জন্য তিনি এক উজ্জ্বল উদাহরণ—যে নিষ্ঠা, কমিউনিটি সেবা এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে বাধা ভেঙে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

আরও তথ্য, আপডেট ও তাঁর কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন:
foysolchoudhury.co.uk