ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সুর নরম করলেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ চান না লেবাননে ইসরাইলি হামলা বন্ধ চায় ফ্রান্স ‘কালো বৃষ্টি’তে ছেয়ে গেছে ইরানের আকাশ প্যারিসে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করেছে সলিডারিতে আজি ফ্রান্স রিফর্ম ইউকের বহু সদস্য চান বিদেশে জন্ম নেওয়া অশ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশরা যুক্তরাজ্য ছাড়ুক হাসনাত আরিয়ান খান-এর মায়ের মৃত্যুতে ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদকের শোক আমাতে তোমার অনুভূতি- রকিবুল ইসলাম ভাষাপ্রকৌশল ও কালচারাল হেজিমনি: শব্দের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক ও এওয়ার্ড বিতরন অনুষ্ঠান সম্পন্ন পরিমিতির প্রকোষ্ঠে নির্বাসিত অরণ্য – মেশকাতুন নাহার

বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য প্রথম অন্তরায় হচ্ছে ভারত : জাফরুল্লাহ

  • আপডেট সময় ০৪:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • ৩৮৫ বার পড়া হয়েছে

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য প্রথম অন্তরায় হচ্ছে ভারত। কারণ ভারত তার নিজের স্বার্থে আমাদের দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের চর্চা হোক তা তারা চায় না।’

শনিবার ঢাকা ফোরাম আয়োজিত ‌‌‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও গণতন্ত্র’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ভারতকে বলে বাংলাদেশে যদি সরকার পরিবর্তন হয়। তাহলে ভারত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে যাবে। তাই ভারতেকে অনুনয়-বিনয় করে বলে আসেন ব্যবস্থা নেন তা না হলে সেভেন সিস্টারসেস (ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭ রাজ্য) শান্তি থাকবে না। এটা আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারির বক্তব্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি ভারতের কথা এজন্য বলছি কারণ, ভারত তার নিজের স্বার্থে আমাদের দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের চর্চা হোক তা তারা চায় না।’

এই আলোচনা সভায় আরও অংশ নেয় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং রাষ্ট্রদূতসহ বিশিষ্টজনেরা। সরকার একরোখা হয়ে দেশ চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করে কেউ কেউ।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আজকে বিরোধী দল বলে কিছু নেই। পুরোপুরি একদলীয়, একদলীয় শাসনে যা হয় সংসদেও তাই হচ্ছে। নির্বাহী বিভাগের অবস্থা আমার বলার প্রয়োজন নেই, দলীয় করণে চরম পর্যায়ে চলে গেছে এবং এখানে বিচারপতিকে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং দেশ ত্যাগ করতে হয়েছে।

সাবেক মন্ত্রী পরিষদের সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, সংবিধানের আর্টিকেল সেভেটি একটা বড় রকম প্রতিবন্ধক হিসেবে গণতন্ত্র ব্যবস্থাপনার কাজ করছে বলে আমি মনে করি এবং এটার বিরুদ্ধে কোনো বড় দল কথা বলেছে বলে আমরা শুনিনি। এটা সুশীল সমাজ থেকে তারা যখন বলে, তখন তারা এটাকে উপেক্ষা করে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, আজ দেশে অনেক অর্জনের কথা বলো হচ্ছে, এটা ধোকাবাজি। যে জাতির সরকার গঠনের অধিকার থাকে না সে জাতি গোলাম। আমাদের বড় ব্যর্থতা আমাদের দেশে সরকার আছে, কিন্তু জনগণ ভোট দিতে পারছে না। আমাদের দাবির ভিত্তি কী?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা কথা বলতে পারি না এবং কাগজে কোন আর্টিকেল কেন ছাপাতে চায় না। সমাধান যদি আমরা বলি বর্তমান প্রাইম মিনিস্টার এটা করতে পারছে না। তাহলে এটা নির্বাচনের উপর গিয়ে প্রভাব পড়বে। সুতরাং নির্বাচনের রাজনীতিতে রোহিঙ্গা ইস্যু জড়িয়েছে।

পাশাপাশি এখানে সবার অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ নির্বাচন জন্য সংসদে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর প্রতিও আহ্বান জানান আলোচকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

সুর নরম করলেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ চান না

বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য প্রথম অন্তরায় হচ্ছে ভারত : জাফরুল্লাহ

আপডেট সময় ০৪:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য প্রথম অন্তরায় হচ্ছে ভারত। কারণ ভারত তার নিজের স্বার্থে আমাদের দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের চর্চা হোক তা তারা চায় না।’

শনিবার ঢাকা ফোরাম আয়োজিত ‌‌‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও গণতন্ত্র’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ভারতকে বলে বাংলাদেশে যদি সরকার পরিবর্তন হয়। তাহলে ভারত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে যাবে। তাই ভারতেকে অনুনয়-বিনয় করে বলে আসেন ব্যবস্থা নেন তা না হলে সেভেন সিস্টারসেস (ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭ রাজ্য) শান্তি থাকবে না। এটা আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারির বক্তব্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি ভারতের কথা এজন্য বলছি কারণ, ভারত তার নিজের স্বার্থে আমাদের দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের চর্চা হোক তা তারা চায় না।’

এই আলোচনা সভায় আরও অংশ নেয় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং রাষ্ট্রদূতসহ বিশিষ্টজনেরা। সরকার একরোখা হয়ে দেশ চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করে কেউ কেউ।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আজকে বিরোধী দল বলে কিছু নেই। পুরোপুরি একদলীয়, একদলীয় শাসনে যা হয় সংসদেও তাই হচ্ছে। নির্বাহী বিভাগের অবস্থা আমার বলার প্রয়োজন নেই, দলীয় করণে চরম পর্যায়ে চলে গেছে এবং এখানে বিচারপতিকে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং দেশ ত্যাগ করতে হয়েছে।

সাবেক মন্ত্রী পরিষদের সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, সংবিধানের আর্টিকেল সেভেটি একটা বড় রকম প্রতিবন্ধক হিসেবে গণতন্ত্র ব্যবস্থাপনার কাজ করছে বলে আমি মনে করি এবং এটার বিরুদ্ধে কোনো বড় দল কথা বলেছে বলে আমরা শুনিনি। এটা সুশীল সমাজ থেকে তারা যখন বলে, তখন তারা এটাকে উপেক্ষা করে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, আজ দেশে অনেক অর্জনের কথা বলো হচ্ছে, এটা ধোকাবাজি। যে জাতির সরকার গঠনের অধিকার থাকে না সে জাতি গোলাম। আমাদের বড় ব্যর্থতা আমাদের দেশে সরকার আছে, কিন্তু জনগণ ভোট দিতে পারছে না। আমাদের দাবির ভিত্তি কী?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা কথা বলতে পারি না এবং কাগজে কোন আর্টিকেল কেন ছাপাতে চায় না। সমাধান যদি আমরা বলি বর্তমান প্রাইম মিনিস্টার এটা করতে পারছে না। তাহলে এটা নির্বাচনের উপর গিয়ে প্রভাব পড়বে। সুতরাং নির্বাচনের রাজনীতিতে রোহিঙ্গা ইস্যু জড়িয়েছে।

পাশাপাশি এখানে সবার অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ নির্বাচন জন্য সংসদে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর প্রতিও আহ্বান জানান আলোচকরা।