ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন মেসির বিদায় হবে আর্জেন্টিনায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ আল-আকসা মসজিদে ঢুকে চার সহস্রাধিক ইসরায়েলির তাণ্ডব শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলনের প্রতি সিলেটে ছাত্র সমাজের পূর্ণ সংহতি যুক্তরাজ্যে মোল্লারগাঁও ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত শেখ মখন মিয়ার পরিবারের ৩ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু ১৫ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করল ফ্রান্স প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সুযোগ বাড়লো ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য প্রথম অন্তরায় হচ্ছে ভারত : জাফরুল্লাহ

  • আপডেট সময় ০৪:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • ৪২২ বার পড়া হয়েছে

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য প্রথম অন্তরায় হচ্ছে ভারত। কারণ ভারত তার নিজের স্বার্থে আমাদের দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের চর্চা হোক তা তারা চায় না।’

শনিবার ঢাকা ফোরাম আয়োজিত ‌‌‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও গণতন্ত্র’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ভারতকে বলে বাংলাদেশে যদি সরকার পরিবর্তন হয়। তাহলে ভারত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে যাবে। তাই ভারতেকে অনুনয়-বিনয় করে বলে আসেন ব্যবস্থা নেন তা না হলে সেভেন সিস্টারসেস (ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭ রাজ্য) শান্তি থাকবে না। এটা আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারির বক্তব্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি ভারতের কথা এজন্য বলছি কারণ, ভারত তার নিজের স্বার্থে আমাদের দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের চর্চা হোক তা তারা চায় না।’

এই আলোচনা সভায় আরও অংশ নেয় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং রাষ্ট্রদূতসহ বিশিষ্টজনেরা। সরকার একরোখা হয়ে দেশ চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করে কেউ কেউ।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আজকে বিরোধী দল বলে কিছু নেই। পুরোপুরি একদলীয়, একদলীয় শাসনে যা হয় সংসদেও তাই হচ্ছে। নির্বাহী বিভাগের অবস্থা আমার বলার প্রয়োজন নেই, দলীয় করণে চরম পর্যায়ে চলে গেছে এবং এখানে বিচারপতিকে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং দেশ ত্যাগ করতে হয়েছে।

সাবেক মন্ত্রী পরিষদের সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, সংবিধানের আর্টিকেল সেভেটি একটা বড় রকম প্রতিবন্ধক হিসেবে গণতন্ত্র ব্যবস্থাপনার কাজ করছে বলে আমি মনে করি এবং এটার বিরুদ্ধে কোনো বড় দল কথা বলেছে বলে আমরা শুনিনি। এটা সুশীল সমাজ থেকে তারা যখন বলে, তখন তারা এটাকে উপেক্ষা করে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, আজ দেশে অনেক অর্জনের কথা বলো হচ্ছে, এটা ধোকাবাজি। যে জাতির সরকার গঠনের অধিকার থাকে না সে জাতি গোলাম। আমাদের বড় ব্যর্থতা আমাদের দেশে সরকার আছে, কিন্তু জনগণ ভোট দিতে পারছে না। আমাদের দাবির ভিত্তি কী?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা কথা বলতে পারি না এবং কাগজে কোন আর্টিকেল কেন ছাপাতে চায় না। সমাধান যদি আমরা বলি বর্তমান প্রাইম মিনিস্টার এটা করতে পারছে না। তাহলে এটা নির্বাচনের উপর গিয়ে প্রভাব পড়বে। সুতরাং নির্বাচনের রাজনীতিতে রোহিঙ্গা ইস্যু জড়িয়েছে।

পাশাপাশি এখানে সবার অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ নির্বাচন জন্য সংসদে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর প্রতিও আহ্বান জানান আলোচকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন

বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য প্রথম অন্তরায় হচ্ছে ভারত : জাফরুল্লাহ

আপডেট সময় ০৪:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য প্রথম অন্তরায় হচ্ছে ভারত। কারণ ভারত তার নিজের স্বার্থে আমাদের দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের চর্চা হোক তা তারা চায় না।’

শনিবার ঢাকা ফোরাম আয়োজিত ‌‌‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও গণতন্ত্র’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ভারতকে বলে বাংলাদেশে যদি সরকার পরিবর্তন হয়। তাহলে ভারত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে যাবে। তাই ভারতেকে অনুনয়-বিনয় করে বলে আসেন ব্যবস্থা নেন তা না হলে সেভেন সিস্টারসেস (ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭ রাজ্য) শান্তি থাকবে না। এটা আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারির বক্তব্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি ভারতের কথা এজন্য বলছি কারণ, ভারত তার নিজের স্বার্থে আমাদের দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের চর্চা হোক তা তারা চায় না।’

এই আলোচনা সভায় আরও অংশ নেয় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং রাষ্ট্রদূতসহ বিশিষ্টজনেরা। সরকার একরোখা হয়ে দেশ চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করে কেউ কেউ।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আজকে বিরোধী দল বলে কিছু নেই। পুরোপুরি একদলীয়, একদলীয় শাসনে যা হয় সংসদেও তাই হচ্ছে। নির্বাহী বিভাগের অবস্থা আমার বলার প্রয়োজন নেই, দলীয় করণে চরম পর্যায়ে চলে গেছে এবং এখানে বিচারপতিকে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং দেশ ত্যাগ করতে হয়েছে।

সাবেক মন্ত্রী পরিষদের সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, সংবিধানের আর্টিকেল সেভেটি একটা বড় রকম প্রতিবন্ধক হিসেবে গণতন্ত্র ব্যবস্থাপনার কাজ করছে বলে আমি মনে করি এবং এটার বিরুদ্ধে কোনো বড় দল কথা বলেছে বলে আমরা শুনিনি। এটা সুশীল সমাজ থেকে তারা যখন বলে, তখন তারা এটাকে উপেক্ষা করে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, আজ দেশে অনেক অর্জনের কথা বলো হচ্ছে, এটা ধোকাবাজি। যে জাতির সরকার গঠনের অধিকার থাকে না সে জাতি গোলাম। আমাদের বড় ব্যর্থতা আমাদের দেশে সরকার আছে, কিন্তু জনগণ ভোট দিতে পারছে না। আমাদের দাবির ভিত্তি কী?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা কথা বলতে পারি না এবং কাগজে কোন আর্টিকেল কেন ছাপাতে চায় না। সমাধান যদি আমরা বলি বর্তমান প্রাইম মিনিস্টার এটা করতে পারছে না। তাহলে এটা নির্বাচনের উপর গিয়ে প্রভাব পড়বে। সুতরাং নির্বাচনের রাজনীতিতে রোহিঙ্গা ইস্যু জড়িয়েছে।

পাশাপাশি এখানে সবার অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ নির্বাচন জন্য সংসদে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর প্রতিও আহ্বান জানান আলোচকরা।