ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্সপ্রবাসীর প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ প্যারিসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তার নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘Paris Coeur Outlet’-এর শুভ উদ্বোধন ক্রিকেট উন্মাদনায় রোম, রোম বাংলা T10 ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলবে সাকের স্পোর্টিং ক্লাব ফেঞ্চুগঞ্জে সিবিএ নির্বাচনে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানালেন বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন সাহেদ ফেঞ্চুগঞ্জে সিবিএ নির্বাচনে শ্যামল-শিপন পরিষদের পূর্ণ প্যানেল জয় ইতালিতে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল রোমে সিলেট স্পোর্টিং ক্লাব ইতালির জার্সি উন্মোচন ফ্রান্সের তুলুজে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সর্বোচ্চ সৌদি আরব, দ্বিতীয় যুক্তরাজ্য, কমেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ নিয়ে সুখবর

ফ্রান্সপ্রবাসীর প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

  • আপডেট সময় ০৯:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

গোলাপগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর ফুলবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম মদনগৌরী গ্রামে ফ্রান্সপ্রবাসীর অর্থ ও জমিতে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টা এবং ওই জমির ওপর দিয়ে ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়টির স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিদ্যালয়ের ভূমির ফরছা

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট ভূমি নথি অনুযায়ী, পশ্চিম মদনগৌরী গ্রামে দীর্ঘদিন কোনো বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের কথা বিবেচনা করে ফ্রান্সপ্রবাসী ফারুক আহমদ ২০২১ সালে নিজ অর্থ ও ভূমি দিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁর পিতার নামে ‘সফর আলী আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা করে আসছেন বলে জানা গেছে। এটি একটি সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ফারুক আহমদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের জন্য তাঁর পরিবারের ক্রয়কৃত প্রায় ১৯ ডেসিমাল জমি রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক জরিপের সময় ওই জমির প্রায় ২ ডেসিমাল অংশের সীমানা পরিবর্তন ও ভূমি-সংক্রান্ত নথিতে অনিয়মের মাধ্যমে অন্য পক্ষের নামে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের জমির চারপাশের সীমানা পরিবর্তনেরও অভিযোগ করেছেন তিনি।

আরও অভিযোগ করা হয়েছে, বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে অন্য পক্ষের নিজস্ব জমি থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের জমির ওপর দিয়ে অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছে। পূর্ব পাশে মসজিদের সীমানা দেয়াল থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের জমি ঘেঁষে রাস্তা নির্মাণ এবং সীমানা-সংক্রান্ত বিভিন্ন স্থাপনা তৈরির অভিযোগও রয়েছে।

ফারুক আহমদের দাবি, বিদ্যালয়ের জমির ওপর দিয়ে প্রায় ৮ ফুট প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছে। এ নিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর বাড়ির যাতায়াতের একটি রাস্তা ‘নন-রেকর্ডীয়’ দাবি করে অপর একটি পক্ষ ওই রাস্তার অংশ কেটে সেখানে ধান চাষ করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এতে তাঁর পরিবারের সদস্য ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবি তাঁর।

এ ছাড়া বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের একটি বাড়ির মালিক বিদ্যালয়ের জমির কিছু অংশ ভরাট করে নিজ বাড়ির সঙ্গে যুক্ত করেছেন এবং সেখানে গাছপালা লাগিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দক্ষিণ পাশেও রাস্তা প্রশস্ত করার নামে বিদ্যালয়ের জমির ভেতরে পাকা খুঁটি স্থাপন করে প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট জমি রাস্তার আওতায় নেওয়ার অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর দাবি, রাস্তা প্রশস্ত করার ক্ষেত্রে বিপরীত পাশের জমিতে একই ধরনের খুঁটি স্থাপন করা হয়নি।

ফারুক আহমদ জানান, গত ২১ মে ২০২৫ বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টা ও সম্ভাব্য সংঘর্ষের আশঙ্কায় জমির প্রকৃত সীমানা নির্ধারণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সরকারি সার্ভেয়ার পাঠানোর আবেদন করেন তিনি। আবেদনের অনুলিপি গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও দেওয়া হয়। তবে তাঁর অভিযোগ, এখন পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জমির সীমানা নির্ধারণে কোনো সার্ভেয়ার পাঠানো হয়নি।

ফারুক আহমদ বলেন, “গ্রামের শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের কথা বিবেচনা করে নিজের অর্থ ও জমি দিয়ে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছি। নিজের উপার্জন থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন ব্যয় বহন করছি। বিদ্যালয়ের জমি যদি এভাবে দখল বা সংকুচিত করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। আমি প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষভাবে জমির সীমানা নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”

তিনি আরও দাবি করেন, ভূমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁর পরিবার ও স্বজনদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন তিনি।

স্থানীয়দের কয়েকজন জানান, বিদ্যালয়টি এলাকার শিশুদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি সামাজিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। জমি নিয়ে বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি না হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যাহত হতে পারে। তাই সরকারি ভূমি রেকর্ড, খতিয়ান ও সরেজমিন জরিপের মাধ্যমে প্রকৃত সীমানা নির্ধারণের দাবি জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সরেজমিন তদন্ত, সংশ্লিষ্ট ভূমি রেকর্ড ও খতিয়ান পর্যালোচনা এবং সরকারি জরিপ প্রয়োজন। প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জমির প্রকৃত সীমানা ও মালিকানা-সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি হলে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফ্রান্সপ্রবাসীর প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

ফ্রান্সপ্রবাসীর প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোলাপগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর ফুলবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম মদনগৌরী গ্রামে ফ্রান্সপ্রবাসীর অর্থ ও জমিতে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টা এবং ওই জমির ওপর দিয়ে ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়টির স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিদ্যালয়ের ভূমির ফরছা

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট ভূমি নথি অনুযায়ী, পশ্চিম মদনগৌরী গ্রামে দীর্ঘদিন কোনো বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের কথা বিবেচনা করে ফ্রান্সপ্রবাসী ফারুক আহমদ ২০২১ সালে নিজ অর্থ ও ভূমি দিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁর পিতার নামে ‘সফর আলী আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা করে আসছেন বলে জানা গেছে। এটি একটি সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ফারুক আহমদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের জন্য তাঁর পরিবারের ক্রয়কৃত প্রায় ১৯ ডেসিমাল জমি রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক জরিপের সময় ওই জমির প্রায় ২ ডেসিমাল অংশের সীমানা পরিবর্তন ও ভূমি-সংক্রান্ত নথিতে অনিয়মের মাধ্যমে অন্য পক্ষের নামে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের জমির চারপাশের সীমানা পরিবর্তনেরও অভিযোগ করেছেন তিনি।

আরও অভিযোগ করা হয়েছে, বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে অন্য পক্ষের নিজস্ব জমি থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের জমির ওপর দিয়ে অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছে। পূর্ব পাশে মসজিদের সীমানা দেয়াল থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের জমি ঘেঁষে রাস্তা নির্মাণ এবং সীমানা-সংক্রান্ত বিভিন্ন স্থাপনা তৈরির অভিযোগও রয়েছে।

ফারুক আহমদের দাবি, বিদ্যালয়ের জমির ওপর দিয়ে প্রায় ৮ ফুট প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছে। এ নিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর বাড়ির যাতায়াতের একটি রাস্তা ‘নন-রেকর্ডীয়’ দাবি করে অপর একটি পক্ষ ওই রাস্তার অংশ কেটে সেখানে ধান চাষ করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এতে তাঁর পরিবারের সদস্য ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবি তাঁর।

এ ছাড়া বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের একটি বাড়ির মালিক বিদ্যালয়ের জমির কিছু অংশ ভরাট করে নিজ বাড়ির সঙ্গে যুক্ত করেছেন এবং সেখানে গাছপালা লাগিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দক্ষিণ পাশেও রাস্তা প্রশস্ত করার নামে বিদ্যালয়ের জমির ভেতরে পাকা খুঁটি স্থাপন করে প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট জমি রাস্তার আওতায় নেওয়ার অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর দাবি, রাস্তা প্রশস্ত করার ক্ষেত্রে বিপরীত পাশের জমিতে একই ধরনের খুঁটি স্থাপন করা হয়নি।

ফারুক আহমদ জানান, গত ২১ মে ২০২৫ বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টা ও সম্ভাব্য সংঘর্ষের আশঙ্কায় জমির প্রকৃত সীমানা নির্ধারণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সরকারি সার্ভেয়ার পাঠানোর আবেদন করেন তিনি। আবেদনের অনুলিপি গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও দেওয়া হয়। তবে তাঁর অভিযোগ, এখন পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জমির সীমানা নির্ধারণে কোনো সার্ভেয়ার পাঠানো হয়নি।

ফারুক আহমদ বলেন, “গ্রামের শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের কথা বিবেচনা করে নিজের অর্থ ও জমি দিয়ে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছি। নিজের উপার্জন থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন ব্যয় বহন করছি। বিদ্যালয়ের জমি যদি এভাবে দখল বা সংকুচিত করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। আমি প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষভাবে জমির সীমানা নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”

তিনি আরও দাবি করেন, ভূমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁর পরিবার ও স্বজনদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন তিনি।

স্থানীয়দের কয়েকজন জানান, বিদ্যালয়টি এলাকার শিশুদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি সামাজিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। জমি নিয়ে বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি না হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যাহত হতে পারে। তাই সরকারি ভূমি রেকর্ড, খতিয়ান ও সরেজমিন জরিপের মাধ্যমে প্রকৃত সীমানা নির্ধারণের দাবি জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সরেজমিন তদন্ত, সংশ্লিষ্ট ভূমি রেকর্ড ও খতিয়ান পর্যালোচনা এবং সরকারি জরিপ প্রয়োজন। প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জমির প্রকৃত সীমানা ও মালিকানা-সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি হলে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।