ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ পাথরের শহরে কবিতার খোঁজে ইনসাফই সমাজের মেরুদণ্ড: ইসলামে সামাজিক সুবিচারের শিক্ষা “নৈঃশব্দ্যের ঋণপত্র”- মেশকাতুন নাহার গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস রিজিওনাল কমিটি গঠন প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় যুক্তরাজ্যে নতুন সংগঠন PHAAUK ফেঞ্চুগঞ্জে দুই দিনে তিন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফ্রান্সে দারুল ক্বেরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্টের গ্রীষ্মকালীন কোরআন শিক্ষা প্রশিক্ষণের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ ফ্রান্সে রাষ্ট্রদূত তালহাকে ঘিরে নতুন গুঞ্জন ২০২৭ সালের হজে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সুযোগ, ধর্ম মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ

বিশ্বকাপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল যে দেশগুলো

  • আপডেট সময় ১১:২৬:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুন ২০১৮
  • ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

ফুটবলে সবচেয়ে বড় ও জমজমাট আসর ফিফা বিশ্বকাপ। ১৮ ক্যারেট সোনায় তৈরি ৬১৭৫ গ্রাম ওজনের ৩৬ সেন্টিমিটার উচ্চতাবিশিষ্ট বিশ্বকাপ ট্রফিটি জেতা প্রতিটি দেশের কাছেই স্বপ্ন।

আর তা যদি হয় কোনো দলের কাছেই না হেরে, তবে সে জয় যে কতটা দাপুটে, কতটা দুর্দান্ত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমন দাপুটে বিশ্বকাপজয়ী দেশের সংখ্যা মাত্র তিনটি।

চলতি রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে ফুটবলের এ বড় প্ল্যাটফর্মটি ২০ বার পৃথিবীতে তার জৌলস দেখিয়ে গেছে। ২০ বারের ফাইনালে বিশ্বকাপটিকে নিজের করে নিতে পেরেছে কেবল আট দেশ। এর মধ্যে কোনো ম্যাচ না হেরে বিশ্বকাপ জেতার রেকর্ড হয়েছে মাত্র চারবার।

উরুগুয়ে : ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপেই এ নজির গড়ে উরুগুয়ে। স্বাগতিক হয়ে এ রেকর্ড গড়েন তারা। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ে।

ইতালি : ১৯৩৮ সালে ফ্রান্সের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি। ফাইনালে হাঙ্গেরিকে হারায় তারা। আট বছর পর উরুগুয়ের রেকর্ডটি স্পর্শ করেন তারা। ওই আসরে ইতালিকে কোনো দল হারাতে পারেনি।

ব্রাজিল : ৫৮ ও ৬২-তে বিশ্বকাপ জেতার স্বাদ পেলেও অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদটি পায় ব্রাজিল ১৯৭০ সালে। ফুলবল বিশারদদের মতে, ১৯৭০ সালের ব্রাজিলের দলটি বিশ্বের সর্বকালের সেরা দল। পেলে, জর্জিনহো, টোস্টাওদের সেই দল সহজেই তাদের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। ফাইনালে তারা ইতালিকে ৪-১ গোলে হারিয়ে দেয়।

ব্রাজিল : একই রেকর্ড আবার স্পর্শ করে ব্রাজিল। অর্থাৎ ২০০২ সালে রোনালদো, রোনালদিনহো ও কার্লোসের মতো তারকায় ভরা সে দলটি পর পর ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। ফাইনালে জার্মানিকে হারায় তারা। সে বিশ্বকাপে রোনালদোর পায়ে বল আসা মানেই যেন প্রতিপক্ষের জালে গোল নিয়মে পরিণত হয়ে গিয়েছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি ৫৪ শতাংশ আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ৬৬ শতাংশ

বিশ্বকাপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল যে দেশগুলো

আপডেট সময় ১১:২৬:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুন ২০১৮

ফুটবলে সবচেয়ে বড় ও জমজমাট আসর ফিফা বিশ্বকাপ। ১৮ ক্যারেট সোনায় তৈরি ৬১৭৫ গ্রাম ওজনের ৩৬ সেন্টিমিটার উচ্চতাবিশিষ্ট বিশ্বকাপ ট্রফিটি জেতা প্রতিটি দেশের কাছেই স্বপ্ন।

আর তা যদি হয় কোনো দলের কাছেই না হেরে, তবে সে জয় যে কতটা দাপুটে, কতটা দুর্দান্ত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমন দাপুটে বিশ্বকাপজয়ী দেশের সংখ্যা মাত্র তিনটি।

চলতি রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে ফুটবলের এ বড় প্ল্যাটফর্মটি ২০ বার পৃথিবীতে তার জৌলস দেখিয়ে গেছে। ২০ বারের ফাইনালে বিশ্বকাপটিকে নিজের করে নিতে পেরেছে কেবল আট দেশ। এর মধ্যে কোনো ম্যাচ না হেরে বিশ্বকাপ জেতার রেকর্ড হয়েছে মাত্র চারবার।

উরুগুয়ে : ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপেই এ নজির গড়ে উরুগুয়ে। স্বাগতিক হয়ে এ রেকর্ড গড়েন তারা। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ে।

ইতালি : ১৯৩৮ সালে ফ্রান্সের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি। ফাইনালে হাঙ্গেরিকে হারায় তারা। আট বছর পর উরুগুয়ের রেকর্ডটি স্পর্শ করেন তারা। ওই আসরে ইতালিকে কোনো দল হারাতে পারেনি।

ব্রাজিল : ৫৮ ও ৬২-তে বিশ্বকাপ জেতার স্বাদ পেলেও অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদটি পায় ব্রাজিল ১৯৭০ সালে। ফুলবল বিশারদদের মতে, ১৯৭০ সালের ব্রাজিলের দলটি বিশ্বের সর্বকালের সেরা দল। পেলে, জর্জিনহো, টোস্টাওদের সেই দল সহজেই তাদের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। ফাইনালে তারা ইতালিকে ৪-১ গোলে হারিয়ে দেয়।

ব্রাজিল : একই রেকর্ড আবার স্পর্শ করে ব্রাজিল। অর্থাৎ ২০০২ সালে রোনালদো, রোনালদিনহো ও কার্লোসের মতো তারকায় ভরা সে দলটি পর পর ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। ফাইনালে জার্মানিকে হারায় তারা। সে বিশ্বকাপে রোনালদোর পায়ে বল আসা মানেই যেন প্রতিপক্ষের জালে গোল নিয়মে পরিণত হয়ে গিয়েছিল।