ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ধাতব দ্বৈততার মূল্য-ভ্রান্তি মেশকাতুন নাহার গণিত ও বিজ্ঞান শিক্ষায় নারীর পিছিয়ে থাকা: একঅদৃশ্য সংকট অহংকারের অদৃশ্য ভুঁড়ি ও নিঃসঙ্গতার নীরব জ্যামিতি ব্রেক্সিট-পরবর্তী নিয়মে কিছু ক্ষেত্রে ইইউ নাগরিকদের আবাসিক অধিকার বাতিল শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউকে ওয়েলস আওয়ামী লীগ নবকন্ঠ ক্ষুদে ফুটবল টুর্নামেন্টে ফ্রান্স টাইগারকে হারিয়ে ফ্রান্স লায়ন বিজয়ী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফার আলোচনা ‘ইতিবাচক’ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ  নিয়ে এরদোয়ানের সঙ্গে ম্যাক্রোঁর আলোচনা বাংলাদেশিদের ভিসা নিয়ে ভিসা নিয়ে ইউরোপের ১৩ দেশের যৌথ নির্দেশনা ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাবকে ‌‘বাস্তবায়নযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

যে লেখার কোনো শিরোনাম হয় না মাহবুব শাহজালাল

  • আপডেট সময় ০৪:৫১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০২২
  • ৪৭২ বার পড়া হয়েছে

একদিন এক পোষা পাখিকে গান শেখাতে চেয়েছিলাম,
অনেক চেষ্টা করেও আমি তাকে গান শেখাতে পারিনি,
এ ছিল আমারই দুর্বলতা।
আমি কোনোকালেই গান গাইতে পারিনি।

কীসের জন্য গান গো তোমার? 
কোন পিয়াসীর সুর?
গানের কলি গাঁথছো কোথায়
কোন সে অচিনপুর?

তাই গান ছেড়ে এবার এলাম গল্পের আসরে।
অবোধ এক শিশু বায়না ধরলো
তাকে গল্প শোনাতেই হবে।
অর্ধেক গল্প বলার আগেই শিশুটি ঘুমিয়ে পড়লো।
হয়তো আমার গল্পে তার মন ভরেনি।

গল্পে আমায় দাও ভুলিয়ে
বুকের হাহাকার,
কল্পলোকের গল্প বানাও
ব্যর্থ রূপকার।

গল্পের আসর বাদ দিয়ে এবার রম্যলেখায় হাত দিলাম,
আমার মতো আনকোরা গুটিকয়েক পাঠকবন্ধু
হা হা রিয়েক্ট করে বুঝিয়ে দিল
আর যাই হোক আমার দ্বারা এসব হবে টবে না।

গেদু চাচা লিখে যায় 
লেখা নাকি রম্য,
ভাবনার লিখা যা তা 
নয় বোধগম্য। 

সব ছেড়ে এবার মন দিলাম কবিতার পাতায়,
এবার ভাবলাম অন্ততঃ পাঠক হৃদয়ে ঠাঁই পাবো
তাদের সকল ভাবনার ভুবন জুড়ে।

এক বাচিক শিল্পী বললেন,
না না, প্লিজ আমাকে পড়তে বলবেন না,
এসব লিখা পড়ে নিজের ইমেজ নষ্ট করতে পারব না।

একজন শিল্পীকে বললাম
কবিতাটা একবার পড়ে দেখবেন? প্লিজ,
উনি বললেন, ওহে লেখক, তুমি হয়ত জানো না,
একটা কবিতা পড়তে আমি হাজার টাকা নিই।

এক সিন্ধু হাহাকার নিয়ে
কবিতা ও কাব্যের গল্পটার ইতি টেনে
আনমনে এবার নিজেই শুদ্ধস্বরে উচ্চারণ করলাম,

রিক্ত হৃদের ভাবনা তোমার
সিক্ত করিবে কারে?
খ্যাতির আশা ত্যাজ্য করিয়া 
গড়ি লও আপনারে।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ধাতব দ্বৈততার মূল্য-ভ্রান্তি মেশকাতুন নাহার

যে লেখার কোনো শিরোনাম হয় না মাহবুব শাহজালাল

আপডেট সময় ০৪:৫১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০২২

একদিন এক পোষা পাখিকে গান শেখাতে চেয়েছিলাম,
অনেক চেষ্টা করেও আমি তাকে গান শেখাতে পারিনি,
এ ছিল আমারই দুর্বলতা।
আমি কোনোকালেই গান গাইতে পারিনি।

কীসের জন্য গান গো তোমার? 
কোন পিয়াসীর সুর?
গানের কলি গাঁথছো কোথায়
কোন সে অচিনপুর?

তাই গান ছেড়ে এবার এলাম গল্পের আসরে।
অবোধ এক শিশু বায়না ধরলো
তাকে গল্প শোনাতেই হবে।
অর্ধেক গল্প বলার আগেই শিশুটি ঘুমিয়ে পড়লো।
হয়তো আমার গল্পে তার মন ভরেনি।

গল্পে আমায় দাও ভুলিয়ে
বুকের হাহাকার,
কল্পলোকের গল্প বানাও
ব্যর্থ রূপকার।

গল্পের আসর বাদ দিয়ে এবার রম্যলেখায় হাত দিলাম,
আমার মতো আনকোরা গুটিকয়েক পাঠকবন্ধু
হা হা রিয়েক্ট করে বুঝিয়ে দিল
আর যাই হোক আমার দ্বারা এসব হবে টবে না।

গেদু চাচা লিখে যায় 
লেখা নাকি রম্য,
ভাবনার লিখা যা তা 
নয় বোধগম্য। 

সব ছেড়ে এবার মন দিলাম কবিতার পাতায়,
এবার ভাবলাম অন্ততঃ পাঠক হৃদয়ে ঠাঁই পাবো
তাদের সকল ভাবনার ভুবন জুড়ে।

এক বাচিক শিল্পী বললেন,
না না, প্লিজ আমাকে পড়তে বলবেন না,
এসব লিখা পড়ে নিজের ইমেজ নষ্ট করতে পারব না।

একজন শিল্পীকে বললাম
কবিতাটা একবার পড়ে দেখবেন? প্লিজ,
উনি বললেন, ওহে লেখক, তুমি হয়ত জানো না,
একটা কবিতা পড়তে আমি হাজার টাকা নিই।

এক সিন্ধু হাহাকার নিয়ে
কবিতা ও কাব্যের গল্পটার ইতি টেনে
আনমনে এবার নিজেই শুদ্ধস্বরে উচ্চারণ করলাম,

রিক্ত হৃদের ভাবনা তোমার
সিক্ত করিবে কারে?
খ্যাতির আশা ত্যাজ্য করিয়া 
গড়ি লও আপনারে।