ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সরকারবিরোধী চক্রান্ত : সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে বাংলাদেশিদের ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ইইউর বিভিন্ন দেশে প্রায় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি বৈধভাবে বসবাস করছেন প্যারিস বিমানবন্দরে ইসরায়েলি কোম্পানির সামরিক চালান আটকে দিলেন কর্মীরা ‎সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ ফ্রান্স শাখার কমিটি গঠন ফ্রান্সে নবাগত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে BSNF-এর ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান দুর্নীতি প্রতিরোধে সাধারণের আইনগত প্রতিকার : প্রাসঙ্গিক আলোচনা ফ্রান্সের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ ছাত্র আন্দোলনে স্টান গ্রেনেড ব্যবহার স্থগিত করল ফ্রান্স লন্ডনে বাংলাদেশি পুরুষদের সমকামী সাজিয়ে আশ্রয় আবেদনে সহায়তা, গ্রেপ্তার ৩

হাসনাত আরিয়ান খান-এর মায়ের মৃত্যুতে ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদকের শোক

  • আপডেট সময় ১২:২০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ রিপোর্ট : লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব–এর সিনিয়র সদস্য ও বিলেতের অন্যতম প্রাচীন সংবাদপত্র সাপ্তাহিক সুরমার নির্বাহী সম্পাদক হাসনাত আরিয়ান খানের মা জাহানারা খানমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম।

এক শোক বার্তায় জনাব ইসলাম জাহানারা খানমকে একজন রত্নগর্ভা মা হিসাবে অভিহিত করেন। পাশাপাশি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার–পরিজন, আত্মীয়–স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শামসুল ইসলাম বলেন, গুণী সন্তানদের জননী হিসেবে তিনি সমাজে সম্মানিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যু পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। মহানআল্লাহ তায়ালা যেন মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন।

প্রসঙ্গত, পহেলা মার্চ রোববার, বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় জাহানারা খানমঢাকার ডেমরাস্থ নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মরহুমার জানাজার নামাজরোববার বাদ এশা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে শেরপুর সদর থানার চর ভাবনা গ্রামেপারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

মৃত্যুকালে জাহানারা খানমের বয়স হয়েছিল প্রায় ৮৫ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরেবার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ৫ ছেলে, ৫ মেয়ে ওনাতি–নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়–স্বজন রেখে গেছেন।

তাঁর স্বামী, মরহুম মো. নওয়াব আলী খান, শেরপুর সদরস্থ কামারের চর পাবলিকহাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। জাহানারা খানমের ৫ ছেলের মধ্যে অখণ্ডবাংলাদেশ আন্দোলনের নেতা ও সাংবাদিক হাসনাত আরিয়ান খান তৃতীয়। বড় ছেলেমো. জাহাঙ্গীর আলম খান দৈনিক তথ্যধারার সম্পাদক ও প্রকাশক। এছাড়া বাকি তিনছেলেও সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা ও ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

সরকারবিরোধী চক্রান্ত : সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে

হাসনাত আরিয়ান খান-এর মায়ের মৃত্যুতে ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদকের শোক

আপডেট সময় ১২:২০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দর্পণ রিপোর্ট : লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব–এর সিনিয়র সদস্য ও বিলেতের অন্যতম প্রাচীন সংবাদপত্র সাপ্তাহিক সুরমার নির্বাহী সম্পাদক হাসনাত আরিয়ান খানের মা জাহানারা খানমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ফ্রান্স দর্পণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম।

এক শোক বার্তায় জনাব ইসলাম জাহানারা খানমকে একজন রত্নগর্ভা মা হিসাবে অভিহিত করেন। পাশাপাশি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার–পরিজন, আত্মীয়–স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শামসুল ইসলাম বলেন, গুণী সন্তানদের জননী হিসেবে তিনি সমাজে সম্মানিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যু পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। মহানআল্লাহ তায়ালা যেন মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন।

প্রসঙ্গত, পহেলা মার্চ রোববার, বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় জাহানারা খানমঢাকার ডেমরাস্থ নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মরহুমার জানাজার নামাজরোববার বাদ এশা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে শেরপুর সদর থানার চর ভাবনা গ্রামেপারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

মৃত্যুকালে জাহানারা খানমের বয়স হয়েছিল প্রায় ৮৫ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরেবার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ৫ ছেলে, ৫ মেয়ে ওনাতি–নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়–স্বজন রেখে গেছেন।

তাঁর স্বামী, মরহুম মো. নওয়াব আলী খান, শেরপুর সদরস্থ কামারের চর পাবলিকহাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। জাহানারা খানমের ৫ ছেলের মধ্যে অখণ্ডবাংলাদেশ আন্দোলনের নেতা ও সাংবাদিক হাসনাত আরিয়ান খান তৃতীয়। বড় ছেলেমো. জাহাঙ্গীর আলম খান দৈনিক তথ্যধারার সম্পাদক ও প্রকাশক। এছাড়া বাকি তিনছেলেও সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা ও ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।