আনসার আহমেদ উল্লাহ, যুক্তরাজ্য থেকে : ইউকে বাংলারিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসেযুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্কের শহীদ মিনারবেদীতে ৭১”র শহীদদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ফুলেরশ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করা হয়।
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধান্জলি ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদেরসম্মান জানিয়ে পরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আলোচনা ও আবৃত্তিপর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুহাম্মদ শাহেদরাহমান এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানটিপরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুলবাছির।
কবিতা আবৃত্তি করেন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটিরএসিসটেন্ট সেক্রেটারী কবি আসমা মতিন, অর্গানাইজিং এন্ডট্রেনিং সেক্রেটারী, জান্নাতুল ফেরদৌস ডলি ও সংগঠনেরসদস্য দীপা হক ।
আলোচনায় অংশ নেন কমিউনিটি এক্টিভিস্ট আহবাবহোসেইন, জগন্নাথপুর টাইমস এর সম্পাদক অধ্যাপক সাজিদুররহমান, সংগঠনের সাবেক ট্রেজারার মুহাম্মদ সালেহ আহমদ,সংগঠনের ট্রেজারার মির্জা আবুল কাসেম, এসিসটেন্টসেক্রেটারী এ রহমান অলি, ফটোসাংবাদিক নাহিদজায়গীরদার, গীতিকার শেখ মোফাজ্জল হোসেন, শফিকআহমদ রাজিব ও সার্জেল আহমদ প্রমুখ।
এ আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশেরমহান স্বাধীনতা দিবস বাঙালি জাতির ইতিহাসে একঅবিস্মরণীয়, গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনেপৃথিবীর মানচিত্রে যুক্ত হয়েছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশেরনাম। এটি কেবল একটি রাষ্ট্রের জন্মদিন নয়, এটি একটিজাতির আত্মপরিচয় ফিরে পাওয়ার দিন, একটি দীর্ঘ সংগ্রামেরচূড়ান্ত ঘোষণা।
বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালরাতেপাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞ বাঙালিরঅস্তিত্বকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। “অপারেশন সার্চলাইট” এরসেই বিভীষিকাময় রাত বাঙালিকে দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরংসেই অন্ধকার থেকেই জন্ম নিয়েছিল প্রতিরোধের আগুন।২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয় মুক্তির চূড়ান্তলড়াই। তৎসময়ে ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকবাহিনী কর্তৃকবাঙালি গণহত্যার বিচার ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আজওহয়নি। আমরা এ গণহত্যার দ্রুত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাই।
বক্তারা বলেন নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, অগণিত প্রাণেরবিনিময়, মা বোনের অসীম ত্যাগ, সব মিলিয়ে ১৬ই ডিসেম্বরঅর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। সেই বিজয়ের বীজ বপন হয়েছিলআজকের এই দিনে। তাই ২৬শে মার্চ কেবল সূচনা নয়, এটিআমাদের চেতনার কেন্দ্রবিন্দু। যা আমরা এখন এই প্রবাসেবসবাস করে বার বার হৃদয়ের গহিন থেকে অনুভব করি।


















