ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শরীফ ওসমান হাদী: নৈতিক সাহস ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা শহীদ হাদি হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে নগরীতে পদযাত্রা ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাঙ্কিত সাফল্য অর্জন সম্ভব- ব্যারিস্টার এম এ সালাম সামাজিক এসোসিয়েশন সাফ’র কমিটি পুনর্গঠন : সভাপতি এনকে নয়ন, সম্পাদক শাহিন সামাজিক এসোসিয়েশন সাফ’র কমিটি পুনর্গঠন :  সভাপতি এনকে নয়ন, সম্পাদক শাহিন নির্বাচনী ইস্তেহারে শিক্ষার সুস্পষ্ট রূপরেখা চাই সিলেট প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির সাথে ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ও ফ্রান্স দর্পণ পরিবার মত বিনিময় বিদায়ী শিক্ষকদের সংবর্ধনা ও মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান আপোষহীন নেত্রীর চির বিদায় : শোকে মুহ্যমান গোটা জাতি এনসিপি থেকে তাসনিম জারার পদত্যাগ, নির্বাচন নিয়ে নতুন ঘোষণা

চিরকুট –আহমদ সোহেল

  • আপডেট সময় ০৯:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০২২
  • ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

মাঝরাতে কানেভাসে খল খল শব্দ
চোখখুলে আমি হই একেবারে স্তব্দ
ডেকে তুলি পরিবার কেঁদে উঠে কন্যায়
ঘুমাবার খাট দেখি ডুবুডুবু বন্যায়

বাতাসের ঝাটকায় উড়ে যায় টুল্লি
মেচমেচ করে খুঁটি ভেঙেপড়ে চুল্লি
বিদ্যুৎ চলে যায় আন্ধারে হাতড়াই
সবনাশা বন্যায় নিজ ঘরে সাঁতরাই

পিঠে বেঁধে মেয়ে আর কাঁধে নিয়ে পুত্র
ঘর ছেড়ে খুঁজে ফিরি বাঁচবার সুত্র
চারিদিকে থই থই বিদঘুটে আন্ধার
পাশকেটে ভেসেযায় কতজাত জানদার

ভাসাগাছে বাড়ি খেয়ে রুজি যায় তলিয়ে
‘ছেলে মে’কে ধরে রেখো’ শেষ কথা বলিয়ে
রুজিকে বাঁচাতে যাই ছেলে যায় ছিটকে
বউ ছেলে ভেসে যায়, মনে পড়ে পিঠকে–

পিঠেবাঁধা কন্যাও আর দেখি নড়ে না
সবহারা এ আমার সামনে পা’ পড়ে না–
ঠাঁয় থাকি দাঁড়িয়ে যে মন শুধু উৎলায়
পরদিন দেখি নিজে পড়শির দু’তলায়

পাশেরাখা কন্যার লাশটাকে জড়িয়ে
হাহাকার করি শুধু চোখে জল ঝরিয়ে
পানি আর পানি শুধু মাটি দেখি নাইরে
কন্যাটা পাবে না কি কবরেতে ঠাঁইরে?

মেয়েকে ভাসিয়ে শেষে স্রোত যেই দিকে
নিরুপায় বাবা এক চিরকুট লিখে–
’কেউ যদি খুঁজে পাও মাটি আর লাশ
আমার মেয়েকে দিও কবরেতে বাস’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

শরীফ ওসমান হাদী: নৈতিক সাহস ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা

চিরকুট –আহমদ সোহেল

আপডেট সময় ০৯:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০২২

মাঝরাতে কানেভাসে খল খল শব্দ
চোখখুলে আমি হই একেবারে স্তব্দ
ডেকে তুলি পরিবার কেঁদে উঠে কন্যায়
ঘুমাবার খাট দেখি ডুবুডুবু বন্যায়

বাতাসের ঝাটকায় উড়ে যায় টুল্লি
মেচমেচ করে খুঁটি ভেঙেপড়ে চুল্লি
বিদ্যুৎ চলে যায় আন্ধারে হাতড়াই
সবনাশা বন্যায় নিজ ঘরে সাঁতরাই

পিঠে বেঁধে মেয়ে আর কাঁধে নিয়ে পুত্র
ঘর ছেড়ে খুঁজে ফিরি বাঁচবার সুত্র
চারিদিকে থই থই বিদঘুটে আন্ধার
পাশকেটে ভেসেযায় কতজাত জানদার

ভাসাগাছে বাড়ি খেয়ে রুজি যায় তলিয়ে
‘ছেলে মে’কে ধরে রেখো’ শেষ কথা বলিয়ে
রুজিকে বাঁচাতে যাই ছেলে যায় ছিটকে
বউ ছেলে ভেসে যায়, মনে পড়ে পিঠকে–

পিঠেবাঁধা কন্যাও আর দেখি নড়ে না
সবহারা এ আমার সামনে পা’ পড়ে না–
ঠাঁয় থাকি দাঁড়িয়ে যে মন শুধু উৎলায়
পরদিন দেখি নিজে পড়শির দু’তলায়

পাশেরাখা কন্যার লাশটাকে জড়িয়ে
হাহাকার করি শুধু চোখে জল ঝরিয়ে
পানি আর পানি শুধু মাটি দেখি নাইরে
কন্যাটা পাবে না কি কবরেতে ঠাঁইরে?

মেয়েকে ভাসিয়ে শেষে স্রোত যেই দিকে
নিরুপায় বাবা এক চিরকুট লিখে–
’কেউ যদি খুঁজে পাও মাটি আর লাশ
আমার মেয়েকে দিও কবরেতে বাস’