ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩ লিবিয়া থেকে মৃত্যুপথে ইউরোপ, ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় শীর্ষে বাংলাদেশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেশে বিনিয়োগ সম্ভব নয় যে ৩৫ দেশে ভিসামুক্ত-অন অ্যারাইভাল সুবিধা পাবেন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা দাবানলের সঙ্গে লড়ছে ফ্রান্স-স্পেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ–সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে স্পেন–ফ্রান্স ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলাকে ‘গণহত্যা’ বললেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন

চিরকুট –আহমদ সোহেল

  • আপডেট সময় ০৯:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০২২
  • ৩৮৬ বার পড়া হয়েছে

মাঝরাতে কানেভাসে খল খল শব্দ
চোখখুলে আমি হই একেবারে স্তব্দ
ডেকে তুলি পরিবার কেঁদে উঠে কন্যায়
ঘুমাবার খাট দেখি ডুবুডুবু বন্যায়

বাতাসের ঝাটকায় উড়ে যায় টুল্লি
মেচমেচ করে খুঁটি ভেঙেপড়ে চুল্লি
বিদ্যুৎ চলে যায় আন্ধারে হাতড়াই
সবনাশা বন্যায় নিজ ঘরে সাঁতরাই

পিঠে বেঁধে মেয়ে আর কাঁধে নিয়ে পুত্র
ঘর ছেড়ে খুঁজে ফিরি বাঁচবার সুত্র
চারিদিকে থই থই বিদঘুটে আন্ধার
পাশকেটে ভেসেযায় কতজাত জানদার

ভাসাগাছে বাড়ি খেয়ে রুজি যায় তলিয়ে
‘ছেলে মে’কে ধরে রেখো’ শেষ কথা বলিয়ে
রুজিকে বাঁচাতে যাই ছেলে যায় ছিটকে
বউ ছেলে ভেসে যায়, মনে পড়ে পিঠকে–

পিঠেবাঁধা কন্যাও আর দেখি নড়ে না
সবহারা এ আমার সামনে পা’ পড়ে না–
ঠাঁয় থাকি দাঁড়িয়ে যে মন শুধু উৎলায়
পরদিন দেখি নিজে পড়শির দু’তলায়

পাশেরাখা কন্যার লাশটাকে জড়িয়ে
হাহাকার করি শুধু চোখে জল ঝরিয়ে
পানি আর পানি শুধু মাটি দেখি নাইরে
কন্যাটা পাবে না কি কবরেতে ঠাঁইরে?

মেয়েকে ভাসিয়ে শেষে স্রোত যেই দিকে
নিরুপায় বাবা এক চিরকুট লিখে–
’কেউ যদি খুঁজে পাও মাটি আর লাশ
আমার মেয়েকে দিও কবরেতে বাস’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩

চিরকুট –আহমদ সোহেল

আপডেট সময় ০৯:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০২২

মাঝরাতে কানেভাসে খল খল শব্দ
চোখখুলে আমি হই একেবারে স্তব্দ
ডেকে তুলি পরিবার কেঁদে উঠে কন্যায়
ঘুমাবার খাট দেখি ডুবুডুবু বন্যায়

বাতাসের ঝাটকায় উড়ে যায় টুল্লি
মেচমেচ করে খুঁটি ভেঙেপড়ে চুল্লি
বিদ্যুৎ চলে যায় আন্ধারে হাতড়াই
সবনাশা বন্যায় নিজ ঘরে সাঁতরাই

পিঠে বেঁধে মেয়ে আর কাঁধে নিয়ে পুত্র
ঘর ছেড়ে খুঁজে ফিরি বাঁচবার সুত্র
চারিদিকে থই থই বিদঘুটে আন্ধার
পাশকেটে ভেসেযায় কতজাত জানদার

ভাসাগাছে বাড়ি খেয়ে রুজি যায় তলিয়ে
‘ছেলে মে’কে ধরে রেখো’ শেষ কথা বলিয়ে
রুজিকে বাঁচাতে যাই ছেলে যায় ছিটকে
বউ ছেলে ভেসে যায়, মনে পড়ে পিঠকে–

পিঠেবাঁধা কন্যাও আর দেখি নড়ে না
সবহারা এ আমার সামনে পা’ পড়ে না–
ঠাঁয় থাকি দাঁড়িয়ে যে মন শুধু উৎলায়
পরদিন দেখি নিজে পড়শির দু’তলায়

পাশেরাখা কন্যার লাশটাকে জড়িয়ে
হাহাকার করি শুধু চোখে জল ঝরিয়ে
পানি আর পানি শুধু মাটি দেখি নাইরে
কন্যাটা পাবে না কি কবরেতে ঠাঁইরে?

মেয়েকে ভাসিয়ে শেষে স্রোত যেই দিকে
নিরুপায় বাবা এক চিরকুট লিখে–
’কেউ যদি খুঁজে পাও মাটি আর লাশ
আমার মেয়েকে দিও কবরেতে বাস’