ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠলো বিশ্বকাপের বিশ্বকাপের সব খেলোয়াড়ের নাম ও জার্সি নম্বর এক নজরে দেখে নিন সর্বকালের সেরা গোলদাতার দৌড়ে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে পিক দ্যু মিদি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের দৌড়ে,এলিসি প্রাসাদে প্রার্থিতার সমর্থনে বিশেষ সংবর্ধনা ফ্রান্সে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত ফেভারিটদের মহারণ ওলিসের হেট্রিকে উত্তর আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে ফ্রান্স গাজীপুর জেলা অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্সের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আল্লামা গহর পুরী প্রশ্নে অবস্থান পরিষ্কার করলেন সাংসদ এম এ মালেক বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান

চিরকুট –আহমদ সোহেল

  • আপডেট সময় ০৯:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০২২
  • ৩৭৭ বার পড়া হয়েছে

মাঝরাতে কানেভাসে খল খল শব্দ
চোখখুলে আমি হই একেবারে স্তব্দ
ডেকে তুলি পরিবার কেঁদে উঠে কন্যায়
ঘুমাবার খাট দেখি ডুবুডুবু বন্যায়

বাতাসের ঝাটকায় উড়ে যায় টুল্লি
মেচমেচ করে খুঁটি ভেঙেপড়ে চুল্লি
বিদ্যুৎ চলে যায় আন্ধারে হাতড়াই
সবনাশা বন্যায় নিজ ঘরে সাঁতরাই

পিঠে বেঁধে মেয়ে আর কাঁধে নিয়ে পুত্র
ঘর ছেড়ে খুঁজে ফিরি বাঁচবার সুত্র
চারিদিকে থই থই বিদঘুটে আন্ধার
পাশকেটে ভেসেযায় কতজাত জানদার

ভাসাগাছে বাড়ি খেয়ে রুজি যায় তলিয়ে
‘ছেলে মে’কে ধরে রেখো’ শেষ কথা বলিয়ে
রুজিকে বাঁচাতে যাই ছেলে যায় ছিটকে
বউ ছেলে ভেসে যায়, মনে পড়ে পিঠকে–

পিঠেবাঁধা কন্যাও আর দেখি নড়ে না
সবহারা এ আমার সামনে পা’ পড়ে না–
ঠাঁয় থাকি দাঁড়িয়ে যে মন শুধু উৎলায়
পরদিন দেখি নিজে পড়শির দু’তলায়

পাশেরাখা কন্যার লাশটাকে জড়িয়ে
হাহাকার করি শুধু চোখে জল ঝরিয়ে
পানি আর পানি শুধু মাটি দেখি নাইরে
কন্যাটা পাবে না কি কবরেতে ঠাঁইরে?

মেয়েকে ভাসিয়ে শেষে স্রোত যেই দিকে
নিরুপায় বাবা এক চিরকুট লিখে–
’কেউ যদি খুঁজে পাও মাটি আর লাশ
আমার মেয়েকে দিও কবরেতে বাস’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ফুটবল বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বাংলাদেশি কমিউনিটির সম্ভাব্য প্রভাব

চিরকুট –আহমদ সোহেল

আপডেট সময় ০৯:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০২২

মাঝরাতে কানেভাসে খল খল শব্দ
চোখখুলে আমি হই একেবারে স্তব্দ
ডেকে তুলি পরিবার কেঁদে উঠে কন্যায়
ঘুমাবার খাট দেখি ডুবুডুবু বন্যায়

বাতাসের ঝাটকায় উড়ে যায় টুল্লি
মেচমেচ করে খুঁটি ভেঙেপড়ে চুল্লি
বিদ্যুৎ চলে যায় আন্ধারে হাতড়াই
সবনাশা বন্যায় নিজ ঘরে সাঁতরাই

পিঠে বেঁধে মেয়ে আর কাঁধে নিয়ে পুত্র
ঘর ছেড়ে খুঁজে ফিরি বাঁচবার সুত্র
চারিদিকে থই থই বিদঘুটে আন্ধার
পাশকেটে ভেসেযায় কতজাত জানদার

ভাসাগাছে বাড়ি খেয়ে রুজি যায় তলিয়ে
‘ছেলে মে’কে ধরে রেখো’ শেষ কথা বলিয়ে
রুজিকে বাঁচাতে যাই ছেলে যায় ছিটকে
বউ ছেলে ভেসে যায়, মনে পড়ে পিঠকে–

পিঠেবাঁধা কন্যাও আর দেখি নড়ে না
সবহারা এ আমার সামনে পা’ পড়ে না–
ঠাঁয় থাকি দাঁড়িয়ে যে মন শুধু উৎলায়
পরদিন দেখি নিজে পড়শির দু’তলায়

পাশেরাখা কন্যার লাশটাকে জড়িয়ে
হাহাকার করি শুধু চোখে জল ঝরিয়ে
পানি আর পানি শুধু মাটি দেখি নাইরে
কন্যাটা পাবে না কি কবরেতে ঠাঁইরে?

মেয়েকে ভাসিয়ে শেষে স্রোত যেই দিকে
নিরুপায় বাবা এক চিরকুট লিখে–
’কেউ যদি খুঁজে পাও মাটি আর লাশ
আমার মেয়েকে দিও কবরেতে বাস’