ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেট ফুয়েল ফুরিয়ে আসছে ইউরোপের

  • আপডেট সময় ১১:৫৫:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

ইউরোপে জেট ফুয়েলের সরবরাহ দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-এর প্রধান ফাতিহ বিরোল। তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ইউরোপে জেট ফুয়েলের মজুদ সম্ভবত ছয় সপ্তাহের মতো চলবে, যার ফলে শিগগিরই বিমান চলাচলে বিঘ্ন ও ফ্লাইট বাতিলের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিরোল বলেন, ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়া পরিস্থিতিকে তিনি ‘এ পর্যন্ত দেখা সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকট’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

আইইএ প্রধানের মতে, সংকট দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে মারাত্মক হবে। তিনি বলেন, “অতীতে একটি ব্যান্ড ছিল যার নাম ছিল ‘ডির স্ট্রেইটস’। এখন পরিস্থিতি সত্যিই এক ভয়াবহ সরু প্রণালীর মতো। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির ওপর পড়বে।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, এই সংকট অব্যাহত থাকলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি মূল্য বাড়বে, যার মধ্যে পেট্রোল, গ্যাস এবং বিদ্যুতের দামও অন্তর্ভুক্ত।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

মেসির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

জেট ফুয়েল ফুরিয়ে আসছে ইউরোপের

আপডেট সময় ১১:৫৫:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

ইউরোপে জেট ফুয়েলের সরবরাহ দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-এর প্রধান ফাতিহ বিরোল। তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ইউরোপে জেট ফুয়েলের মজুদ সম্ভবত ছয় সপ্তাহের মতো চলবে, যার ফলে শিগগিরই বিমান চলাচলে বিঘ্ন ও ফ্লাইট বাতিলের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিরোল বলেন, ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়া পরিস্থিতিকে তিনি ‘এ পর্যন্ত দেখা সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকট’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

আইইএ প্রধানের মতে, সংকট দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে মারাত্মক হবে। তিনি বলেন, “অতীতে একটি ব্যান্ড ছিল যার নাম ছিল ‘ডির স্ট্রেইটস’। এখন পরিস্থিতি সত্যিই এক ভয়াবহ সরু প্রণালীর মতো। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির ওপর পড়বে।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, এই সংকট অব্যাহত থাকলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি মূল্য বাড়বে, যার মধ্যে পেট্রোল, গ্যাস এবং বিদ্যুতের দামও অন্তর্ভুক্ত।