বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা সীমান্তের ওপার থেকে কলকাঠি নেড়ে শ্রমিকদের দাবির আড়ালে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, গার্মেন্টসের বিভিন্ন কলকারখানায় গিয়ে যন্ত্রপাতি ভাঙচুর করছে, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংসের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে প্রতিষ্ঠিত গার্মেন্টস শিল্প সরকার কোনো অবস্থায় ধ্বংস হতে দেবে না। এই শিল্পে লাখ লাখ ভাইবোন ও মায়েরা কাজ করছেন, এই শিল্পে তাদের কর্মস্থান হয়েছে। তাই কোনো শ্রমজীবী মানুষ কিংবা শ্রমিক ভাইবোনেরা কখনো শিল্পকারখানার ক্ষতি করতে পারেন না, বিভিন্ন কলকারখানায় গিয়ে যন্ত্রপাতি ভাঙচুর ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংসের চেষ্টা করতে পারেন না।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, শ্রমিক ভাইবোনদের মজুরি নিয়ে কিছু দাবি-দাওয়া রয়েছে, তা সরকার জানে। তাদের দাবিগুলো বিবেচনা ও পর্যালোচনার জন্য ইতোমধ্যে সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। মজুরি বোর্ড কাজও শুরু করেছে। ইনশাআল্লাহ আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে মজুরি বোর্ড নতুন নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করবে, যাতে শ্রমিক ভাইবোনেরা ভালো থাকতে পারেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি মহল গত ১৫-১৬ বছরেও দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেনি। তারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল এবং দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছিল। গণঅভ্যুত্থানের মুখে যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে, তারা এখন সীমান্তের ওপার থেকে কলকাঠি নাড়ছে এবং দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। ওদের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।
বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির নেতা জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে পথসভায় রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা সোমনাথ দে, কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
















