ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজারবাইজানে ইসরায়েলের গোপন ঘাঁটির তথ্য ফাঁস

  • আপডেট সময় ০৯:১৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন তেহরানের ওপর সামরিক ও গোয়েন্দা অভিযান জোরদার করতে আজারবাইজানে অত্যন্ত গোপনে এলিট কমান্ডো ও গোয়েন্দা ইউনিট মোতায়েন করেছিল ইসরায়েল। মধ্যপ্রাচ্য ও এর আশপাশের অঞ্চলে ইসরায়েলের গড়ে তোলা একটি বিস্তৃত গোপন সামরিক নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এই অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারজন নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ আজারবাইজানের বেশ কয়েকটি গোপন আস্তানায় অবস্থান নিয়ে কাজ করেছিল, যা সরাসরি ইরানের উত্তর সীমান্তের সংলগ্ন।

এই অবস্থানগুলো থেকে ইরানের তাবরিজ শহরের দূরত্ব ছিল মাত্র ৬০ মাইল, যেখানে যুদ্ধ চলাকালীন ইসরায়েল সরাসরি বিমান হামলা চালিয়েছিল। আজারবাইজানের এই অগ্রবর্তী ঘাঁটিগুলো থেকে ইসরায়েলি বিশেষ কমান্ডো ইউনিটগুলো ড্রোন পরিচালনা করার পাশাপাশি ইরানের অভ্যন্তরে গভীর নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করে।

 

সিএনএন-এর প্রতিবেদনে প্রথমবারের মতো উন্মোচিত এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলো কীভাবে তেহরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিয়ে এই আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল। সূত্রগুলো জানিয়েছে, কেবল আজারবাইজানই নয়, ইসরায়েল ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং আফ্রিকার হর্ন অব আফ্রিকার স্বাধীনতাকামী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডেও তাদের গোপন সামরিক ও গোয়েন্দা ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে স্পেন–ফ্রান্স

আজারবাইজানে ইসরায়েলের গোপন ঘাঁটির তথ্য ফাঁস

আপডেট সময় ০৯:১৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন তেহরানের ওপর সামরিক ও গোয়েন্দা অভিযান জোরদার করতে আজারবাইজানে অত্যন্ত গোপনে এলিট কমান্ডো ও গোয়েন্দা ইউনিট মোতায়েন করেছিল ইসরায়েল। মধ্যপ্রাচ্য ও এর আশপাশের অঞ্চলে ইসরায়েলের গড়ে তোলা একটি বিস্তৃত গোপন সামরিক নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এই অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারজন নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ আজারবাইজানের বেশ কয়েকটি গোপন আস্তানায় অবস্থান নিয়ে কাজ করেছিল, যা সরাসরি ইরানের উত্তর সীমান্তের সংলগ্ন।

এই অবস্থানগুলো থেকে ইরানের তাবরিজ শহরের দূরত্ব ছিল মাত্র ৬০ মাইল, যেখানে যুদ্ধ চলাকালীন ইসরায়েল সরাসরি বিমান হামলা চালিয়েছিল। আজারবাইজানের এই অগ্রবর্তী ঘাঁটিগুলো থেকে ইসরায়েলি বিশেষ কমান্ডো ইউনিটগুলো ড্রোন পরিচালনা করার পাশাপাশি ইরানের অভ্যন্তরে গভীর নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করে।

 

সিএনএন-এর প্রতিবেদনে প্রথমবারের মতো উন্মোচিত এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলো কীভাবে তেহরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিয়ে এই আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল। সূত্রগুলো জানিয়েছে, কেবল আজারবাইজানই নয়, ইসরায়েল ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং আফ্রিকার হর্ন অব আফ্রিকার স্বাধীনতাকামী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডেও তাদের গোপন সামরিক ও গোয়েন্দা ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল