ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ডাবলিন রেগুলেশনের নতুন সংস্করণ অনুমোদন

ইউরোপের এক দেশে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিলে অন্য দেশে আর আশ্রয়ের আবেদন নয়

  • আপডেট সময় ১২:৩৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাসেলস, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : ইউরোপীয় ইউনিয়নে অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করার লক্ষ্যে ডাবলিনরেগুলেশনের সংশোধিত সংস্করণ অনুমোদন করেছে ইইউ। মঙ্গলবার ব্রাসেলসেঅনুষ্ঠিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতাদের বিশেষ বৈঠকে (EU Leaders Summit) এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নতুন বিধান অনুযায়ী, কোনো অভিবাসী ইউরোপের যে দেশে প্রথমবার আঙুলের ছাপ(ফিঙ্গারপ্রিন্ট) প্রদান করবেন, পরবর্তীতে অন্য কোনো ইইউ সদস্য দেশে গিয়ে নতুনকরে আশ্রয় বা কাগজপত্রের আবেদন করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে তাকে সরাসরিপ্রথম নিবন্ধনকৃত দেশেই ফেরত পাঠানো হবে।

নতুন সিদ্ধান্তের প্রধান দিকগুলো

তাৎক্ষণিক ফেরত ব্যবস্থা
২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে এই বিধান কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথমদেশে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার পর অন্য দেশে আবেদন করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ চালু
সমগ্র ইউরোপজুড়ে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল তথ্যভান্ডার চালু করা হবে। কোনো দেশেআঙুলের ছাপ নেওয়া মাত্রই তা অন্যান্য সদস্য দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্টইউরোপীয় সংস্থাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারবে।

কার্যকারিতা শুরুর সময়সীমা
নতুন ডাবলিন রেগুলেশন পূর্ণমাত্রায় কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে২০২৬ সালের জুলাই মাস।

মূল লক্ষ্য
অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করা এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশে অবৈধভাবেস্থানান্তর বাসেকেন্ডারি মুভমেন্টবন্ধ করা।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেশে বিনিয়োগ সম্ভব নয়

ডাবলিন রেগুলেশনের নতুন সংস্করণ অনুমোদন

ইউরোপের এক দেশে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিলে অন্য দেশে আর আশ্রয়ের আবেদন নয়

আপডেট সময় ১২:৩৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাসেলস, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : ইউরোপীয় ইউনিয়নে অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করার লক্ষ্যে ডাবলিনরেগুলেশনের সংশোধিত সংস্করণ অনুমোদন করেছে ইইউ। মঙ্গলবার ব্রাসেলসেঅনুষ্ঠিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতাদের বিশেষ বৈঠকে (EU Leaders Summit) এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নতুন বিধান অনুযায়ী, কোনো অভিবাসী ইউরোপের যে দেশে প্রথমবার আঙুলের ছাপ(ফিঙ্গারপ্রিন্ট) প্রদান করবেন, পরবর্তীতে অন্য কোনো ইইউ সদস্য দেশে গিয়ে নতুনকরে আশ্রয় বা কাগজপত্রের আবেদন করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে তাকে সরাসরিপ্রথম নিবন্ধনকৃত দেশেই ফেরত পাঠানো হবে।

নতুন সিদ্ধান্তের প্রধান দিকগুলো

তাৎক্ষণিক ফেরত ব্যবস্থা
২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে এই বিধান কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথমদেশে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার পর অন্য দেশে আবেদন করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ চালু
সমগ্র ইউরোপজুড়ে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল তথ্যভান্ডার চালু করা হবে। কোনো দেশেআঙুলের ছাপ নেওয়া মাত্রই তা অন্যান্য সদস্য দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্টইউরোপীয় সংস্থাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারবে।

কার্যকারিতা শুরুর সময়সীমা
নতুন ডাবলিন রেগুলেশন পূর্ণমাত্রায় কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে২০২৬ সালের জুলাই মাস।

মূল লক্ষ্য
অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করা এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশে অবৈধভাবেস্থানান্তর বাসেকেন্ডারি মুভমেন্টবন্ধ করা।