ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় সম্মেলন সম্পন্ন ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন জোরালো, সমর্থনে রাজপথে হাজারো মানুষ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ইউরোপে নির্মিত হচ্ছে প্রামাণ্যচিত্র, শুটিং শুরু ১৯ অক্টোবর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তায় যেসব আ. লীগ নেতার নাম আলোচনায় আট মাসে বিদেশে গেছেন সাড়ে ৪ লাখ কর্মী সরকারবিরোধী চক্রান্ত : সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে বাংলাদেশিদের ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ইইউর বিভিন্ন দেশে প্রায় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি বৈধভাবে বসবাস করছেন প্যারিস বিমানবন্দরে ইসরায়েলি কোম্পানির সামরিক চালান আটকে দিলেন কর্মীরা

ড. ইউনূসের ‘ভিভিআইপি’ মর্যাদা ৬ মাস কমল

  • আপডেট সময় ১০:৫০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

দর্পণ ডেস্ক

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘ভেরি ভেরি ইমপরট্যান্ট পারসন’ বা ভিভিআইপি মর্যাদার মেয়াদ ছয় মাস কমানো হয়েছে। সে হিসাবে আগামী ১০ আগস্টের পর তিনি আর এ মর্যাদা পাবেন না। এরপর থেকে তাকে বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিকের মতোই চলতে হবে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকালে দায়িত্ব হস্তান্তরের কয়েকদিন আগে চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনে ড. ইউনূসকে এক বছরের জন্য ভিভিআইপি হিসেবে এসএসএফ নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের আওতায় পূর্বে দেওয়া সুবিধা পুনর্বিবেচনা করে তা কমিয়ে ছয় মাস করা হয়েছে। অর্থাৎ ১০ আগস্ট পর্যন্ত তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএস) কঠোর নিরাপত্তা এবং প্রটোকল সুবিধা পাবেন।

২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় দেড় বছর দায়িত্ব পালন শেষে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়ান। ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র কয়েক দিন আগে ইউনূস নিজেই নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হয়। তবে গেজেটটি বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের (বিজি প্রেস) ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়নি, যেখানে সাধারণত সব সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

সূত্র জানিয়েছে, তখনকার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

এর ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই করা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তা বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকে এসএসএফের নিরাপত্তা সুবিধা পাচ্ছেন। একজন ভিভিআইপি হিসেবে তার বাসভবন ও কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন এসএসএফ সদস্যরা। তার উপস্থিতিতে আয়োজিত সব অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা তল্লাশি থাকে এবং দেশ-বিদেশে ভ্রমণের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসের সমন্বয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালনের পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছাড়েন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

লক ডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফ্রান্সে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

যুক্তরাজ্যে করোনার মধ্যেই শিশুদের মাঝে নতুন রোগের হানা

বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা মানবে এয়ার ফ্রান্স

ড. ইউনূসের ‘ভিভিআইপি’ মর্যাদা ৬ মাস কমল

আপডেট সময় ১০:৫০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

দর্পণ ডেস্ক

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘ভেরি ভেরি ইমপরট্যান্ট পারসন’ বা ভিভিআইপি মর্যাদার মেয়াদ ছয় মাস কমানো হয়েছে। সে হিসাবে আগামী ১০ আগস্টের পর তিনি আর এ মর্যাদা পাবেন না। এরপর থেকে তাকে বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিকের মতোই চলতে হবে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকালে দায়িত্ব হস্তান্তরের কয়েকদিন আগে চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনে ড. ইউনূসকে এক বছরের জন্য ভিভিআইপি হিসেবে এসএসএফ নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের আওতায় পূর্বে দেওয়া সুবিধা পুনর্বিবেচনা করে তা কমিয়ে ছয় মাস করা হয়েছে। অর্থাৎ ১০ আগস্ট পর্যন্ত তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএস) কঠোর নিরাপত্তা এবং প্রটোকল সুবিধা পাবেন।

২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় দেড় বছর দায়িত্ব পালন শেষে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়ান। ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র কয়েক দিন আগে ইউনূস নিজেই নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হয়। তবে গেজেটটি বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের (বিজি প্রেস) ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়নি, যেখানে সাধারণত সব সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

সূত্র জানিয়েছে, তখনকার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

এর ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই করা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তা বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকে এসএসএফের নিরাপত্তা সুবিধা পাচ্ছেন। একজন ভিভিআইপি হিসেবে তার বাসভবন ও কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন এসএসএফ সদস্যরা। তার উপস্থিতিতে আয়োজিত সব অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা তল্লাশি থাকে এবং দেশ-বিদেশে ভ্রমণের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসের সমন্বয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালনের পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছাড়েন।